
জন্মের পর থেকেই দেশের জন্য এই বিশেষ দিবসগুলোর আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে সব সময় ব্যস্ত থেকেছি...স্কুলকে বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবসে প্রথম করার মানসে কত না কষ্ট করেছি...
আবার গ্রামেতো ফুলের দোকান নেই স্কুলের ছাত্রদের নিজেদেরই ফুল সংগ্রহ করতে হতো...নিজের ফুলবাগানে ফুল না থাকলে পরের বাগান থেকে চুরিও কম করা হয়নি... বিশেষ দিনগুলো কতনা আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে কেটে যায়...এরপর ক্লান্ত হয়ে ঘরে ফেরা..পরদিন থেকে সব ভুলে আবারো পুরনো ব্যস্ততা...
আমরা ছোটরাই কেবল নই বড়দেরও একই অবস্থা...দিবসের আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে ভাবনা ও ব্যস্ততা যতো বাস্তবতার বিষয়ে আমরা ততটাই উদাসীন...
আমরা আমজনতা বরাবরই দেশপ্রেমিক। যদিও আনুষ্ঠানিকতা চেতনাধারাকে শানিত করে তারপরও বলবো...বিজয় দিবসে আমাদের প্রত্যাশা হোক গোপনে দেশের জন্য ভালো কিছু করা...হোকনা এক টুকরো ইট যা চলার পথকে অসমান করেছে সেটা সরিয়ে ফেলে মানুষকে কষ্ট থেকে রক্ষা করা...নিজেকে ভালো করে গড়ে তুলে দেশকে একটা ভালো মানুষ উপহার দেয়া...
আর এসব ভালো কাজ বড় বড় বুলি আর আনুষ্ঠানিকতায় হয়না...কামিনী রায়ের কথা অনুযায়ী- ‘আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে...’
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




