
বড় ভাই মঝে মাঝে বড় বয়ান দেন...সেদিন কমলা কিনে দিয়ে জিজ্ঞেস করলো জ্ঞানীর ভঙ্গিতে কমলার কস কয়টা থাকে...বলতে না পারায় বললো- তোমাদের অবিবাহিত ছেলে-পুলের এই সমস্যা কোন কিছুর দিকেই মন নেই...ব্লা ব্লা ব্লা...যাহোক আমি আর আধা বিবাহিত এক ভাই তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম; কয়টা থাকে?...বললো ১৬ টা...সাথে সাথে হাতে থাকা কমলাটা ছিলে দু’জনে মিলে গুনলাম ১৩টা!!! বড় ভাইকে এবার উল্টো বয়ান দিয়ে...যা বলার বললাম...
যাহোক ততক্ষণে নিউমার্কেট থানার কোণাটা থেকে নীলক্ষেতের ফুটপাত দিয়ে হাঁটা দিলাম; হাতে ছেলানো কমলা...নিজেও খাচ্ছিলাম আর ভাবছিলাম; যদি কোন চেনা মুখ মেলে তাকেও এই কমলা খাওয়াবো...পেলামনা কারো দেখা...হলো না তাকে কমলা খাওয়ানো...মাঝপথে মনের দুঃখে জিলাপি খেয়েছিলাম কি না মনে নেই...
যাহোক নীলক্ষেতের ফুটপাত দিয়ে মাঝে মাঝে বই দেখতে দেখতে এপার-ওপার করি মাঝপথে কখনও কোন পরিচিত বইপাগল মানুষের দেখা মেলে দেখা পওয়া যায়...উনিও ওদিক থেকে বই দেখতে দেখতে আসছেন আর আমিও এপার থেকে তাঁর মতই করছি...দু’জনের দেখা হলে হাসি হয় কথা হয়...চা পানও হয়...
মানুষের কথা থাক- এভাবেই খুঁজে পেয়েছিলাম- নিতাইয়ের ‘মেমসাহেব’ হুমায়ূন আহমেদের ‘দাঁড় কাকের সংসার কিংবা মাঝে মাঝে তব দেখা পাই’, এ পি জে আবদুল কালামের ‘উইংস অব ফায়ার’...রবীন্দ্রনাথের ‘ছিন্নপত্র’, ‘ছন্দ’ আরো কতো কি!!!
তবে এ যাত্রায় কমলা খাওয়ানোর মতো কাউকে না পেয়ে ব্যথিত হয়েছি বটে...!!!
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




