কবিতাঃ
হঠাও জঙ্গিবাদ!
প্রতারণা আর মিথ্যা ছলা-কলা চারিধার।
পেতে রাখা তাতে - মৃত্যু-মরন ফাঁদ।
ভাঙে বিশ্বাস, ফুঁসে সাগর; প্রতি-হিংসার।
লুণ্ঠিত আব্রু, প্রলয়ী নদীর পাড়।
ছলনাময়ী নারীর মুখ ভেসে উঠতেই -
অলীক সুখের সন্ধান খুঁজে, ব্যাধি তাড়িত মন।
টানে- গাঁজা, ভাং, ইয়াবা, চরস, সুখন।
শান্তির আশ্রয় খুঁযে - মায়াবতী মুখ থেকে মুখে,
আজীবন বিশ্বাসের এতটুকু প্রতিশ্রুতি - চোখ থেকে চোখে
উৎক্ষিপ্ত শিশ্নের উত্থান - খোঁজে মরুদ্যাণ,
মন-মরুতে দহন, আগ্নেয় লাভার স্রোত।
প্রতিবারই চাই তার - অক্ষত যোণির
আনকোরা ফাল্গুণী।
ছিনিয়ে আনতে পারেনা যদিও, কাঙ্ক্ষিত সৌর-শিশু
প্রোথিত বীর্য-বীজ।
নপুংসক কেটে যায় সময় - ব্যর্থতায়
তবুও সাময়িক সুখ!
পৈশাচিক বিজয়ের ঝান্ডা উড়ায়- নিথর রক্তাক্ত দেহে।
হে ফাল্গুনধারী - অক্ষত কুমারী; পূজারী প্রেমের!
বলছি, শোন কানে-কানে-
“ ভালোবাসা মানে প্রেম নয়!
ভালোবাসা মানে নয় শুধু দেহের উজাড়।
ভালোবাসা মানে, স্বপ্নীল দিনগুলোর
অপেক্ষাকে করা দীর্ঘতর।
প্রতীক্ষার ছায়ায় মায়ায়, হতে চেয়ে শুধুই একজনার
সাধনা, আরাধনায় - বিশ্বাসে থাকা সুদৃঢ়।"
প্রতি গৃহে প্রতিটি কন্যা-কুমারী, জ্বেলে দিতে পারে,
একেকটি প্রতিশ্রুতিময় আরতি।
হতে পারে শুদ্ধতার ধূপ। অ-মিলনেও যে শান্তিকে রাখে অটুট।
বৈধ মিলনে সুসন্তান। দেশ ও দশের বহ্নি-শিখা, আশার বাতি।


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

