চলমান রাজনৈতীক অস্থিতিশীলতায় বলির পাটা হচ্ছি আমরা সাধারণেরা।
প্রতিদিন পেট্রোল বোমার আঘাতে দগ্ধ হচ্ছে নিরীহ অনেক মানুষ।
অবরোধের কারনে দরিদ্র্য কৃষকের কষ্টের ফসলগুলো পড়ে আছে মাঠে,
নষ্ট হওয়ার উপক্রম এগুলো
কৃষাণি হয়তো বায়না ধরেছিল-
"এবার ফসল তুলা হয়ে গেলে আমাকে অবশ্যই লাল শাড়ি কিনে দিতে হবে"
কৃষকের কিশোরী মেয়েটা হয়তো আগেই বাবাকে বলে রেখেছিলো-
"আমাকে মেকাপ বক্স,চুড়ি,লিপষ্টিক এগুলো এনে দিতে হবে"
যে ছেলেটা এখন বার্ণ ইউনিটে ব্যাথায় আর্তনাদ করছে মুহুর্তে মুহুর্তে;
সে হয়তো মাকে বলে এসেছিলো-
"শহরে গিয়েই গার্মেন্টস থেকে বেতন তুলে তোমাকে টাকা পাঠাবো বিকাশ করে"
এরা সবাই পরিশ্রম করে খায়,এদের স্বপ্নগুলো এমনই ছোট-খাটো।
এদের স্বপ্নের রংটাও শুধু সফেদ,একেবারে সাদাসিধে।
আমাদের এই বঙ্গদেশের রাজনিতী আজ এতোটাই ভয়াবহ হয়ে গেছে!
এদের এই সফেদ স্বপ্নগুলোর বাস্তবায়নে রাজনিতী একটা বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অথচ এই রাজনিতীবিদেরাই ভোটের আগের দিন এদের হাতে পায়ে ধরে ভোট ভিক্ষা করেন।
পুলিশ,বিজিবি,একের পর এক ব্রিফিং দিচ্ছে বলছে পরিস্থিতি নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন,
নিয়ন্ত্রণ করতে আমরা হেন-তেন পদক্ষেপ নিচ্ছ্,
মাঠ পর্যায়ে আরও আনসার বাহিনী নিয়োগ দেয়া দরকার।
সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী বলছেন পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রিত রয়েছে।
পরিস্থিতি যদি নিয়ন্ত্রিতই থাকে এতো তাহলে কেন পুলিশ এতো উদ্বিগ্ন!
আমাদের দেশের দুই প্রধান রাজনৈতীক দল রয়েছে যে যার স্বার্থ রক্ষায়।
একটা আরেকটার সাথে কামড়া-কামড়িতে লিপ্ত হয়েছে রিতীমত।
সমাধানের কোনও সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছেনা।এভাবেই যদি চলতে থাকে!তবে মানুষ না খেয়ে
মরবে।
সবকিছুরই সীমা আছে,ধর্য্যেরও নিশ্চয় সীমা আছে!ধর্য্যের বাধ যেদিন ভেঙ্গে যাবে মানুষের
সেদিন কোন নিতীই কাজ দেবেনা।
সুতরাং সময় থাকতেই সাবধান হওয়া উচিৎ সকল রাজনৈতীক দলের।
আর এভাবে ক্ষমতা ধরে রাখা সম্ভব নয়,সেটা আজ না হউক কাল ছেড়ে দিতেই হবে।
পরিস্থিতী ঘোলাটে হওয়ার আগেই এই কাজটা করা উচিৎ।
বর্তমান সরকার নির্বাচিত কোন সরকার নয় সবাই সেটা জানে।
দেশের মানুষ এদের পক্ষে নেই,আর তাই সরকারকে এরকম বেগ পোহাতে হচ্ছে।
গাধার নাকের ডগায় মুলা ঝুলিয়ে দৌড়ানো যায় কিন্তু ক্ষুধার্থ মানুষকে স্বান্তনা দেয়া যায়না।
বি,এন,পি ও এতোদিন টানা অবরোধ বহাল রেখে যা করছে সেটাও গ্রহণযোগ্য নয়।
বি,এন,পি কে ও মুল্য দিতে হবে।
এইসব কিছুর জন্য একচ্ছত্রভাবে দায়ী আওয়ামিলীগ।
পাঁচ জানুয়ারীতে খালেদা জিয়াকে অবরুদ্ধ করে না রাখলে এসব হতোনা কিছুতেই।
তার উপর এখন আবার একটার পর একটা মামলা দেয়াটাও শুভ ইংগিত নয়।
অনেক মন্ত্রীই প্রশব করছেন উষ্কানিমুলক বাণি।
এগুলোও খারাপ প্রভাব ফেলবে,সময় সেটাই বলছে।
মানুষ একটা প্রশান্তি চায়,ক্ষুধার্থ মানুষ সংবিধান চিনেনা,চিনে খাবার।
দুই দলকেই ছাড় দিতে হবে আসতে হবে সমাধানে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


