আমরা বাঙ্গালী জাতিসত্বা বরাবরই ইস্যু প্রিয়,যবে একটা ইস্যু পাই সেটা নিয়ে কিছুদিন ত্যানা পেচাই অতঃপর সেটা ভূলে যাই।শেষ দেখি কয়টার?
রাজন হত্যার এরকম ঘৃন্য ঘটনাটা নিয়ে সমগ্র সিলেটবাসী যে সচেতনতামূলক কঠোর স্বচ্ছ অবস্থান দেখিয়েছে সেটা দেখে আবেগে হয়েছি আপ্লুত সবার কাছে মিনতি এর শেষ না দেখা পর্যন্ত আমরা যেন থেমে না যাই।
এক বড় বোনের সাথে বেশ সময় আলোচনা হয়েছিলো এ নিয়ে,এক পর্যায় উনাকে সরাসরি প্রশ্ন করলাম "আসামীপক্ষ যদি আপনার কাছে আসে মামলা লড়ার অনুরোধ নিয়ে আপনি তখন কী করবেন?"
উল্লেখ্য তিনি একজন সদ্য পাশ হওয়া আইনজিবী।
উনার জবাবটা ছিলো এরকম "যদি এমনও হয় পৃথিবীর বুকে এটাই আমার শেষ মামলা তবুও আমি এটা লড়বোনা" উনার প্রতি শ্রদ্ধায় হয়েছি নতজানু।
সিলেটের বারগুলোতে এমন অনেক বিশিষ্ট্য আইনজিবী আছেন যারা আইনবিদ্যায় বিশাল পারদর্শী,আইনকে যারা শুধু পুঁজি করেই নেননি বরং আইনকে উনারা নিয়েছেন একটা শিল্প হিসেবে,উনারা হচ্ছেন শিল্পি।
আপনারা হয়তো অবাক হচ্ছেন এটা ভেবে আইন আবার শিল্প হয় কিভাবে?
আমি বলবো এটা অবশ্যই একটা বড় ধরনের শিল্প,কবি সাহিত্যিকের লেখা কিছু লাইন যেমন কলুষিত যূবককূলকে ফিরিয়ে আনতে পারে বিনাশ থেকে তেমনই একজন আইনজিবীর মুখ থেকে নিঃসৃত হওয়া কয়েকটা বাক্য প্রতিষ্টা করে দিতে পারে ন্যায়-বিচার যার থেকে গোঠা সমাজ শিক্ষা নিতে পারে অপরাধি পেতে পারে তার সমুচিৎ জবাব।
সিলেটবাসীর দাবী আজ ঐ একটাই,রাজন যেমন মৃত্যুর আগে পানি পায়নি বুকফাটা আর্তনাদের করেও তেমনই এই জালিমগুলো যেন মৃত্যুর যন্ত্রনায় কুত্তা-পাগল হয়ে ছটফট করতে করতে আইনজিবীদের দোয়ারে দোয়ারে ঘোরে কিন্তু একজন আইনজিবী পায়না যিনি আইনগত সহায়তা দেবেন ওদের।
রাজন যেমন অসহায়ের মতো ছিলো ওদের কাছে ওরাও যেনো তেমনই অসহায় হয় আইনের কাছে।
সেই সাথে আরেকটা দাবী,কোনোভাবেই যেন এই বিচার প্রচলিত ট্রায়ালে না যায়,বিচারটা হোক দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে,অফুরন্ত সুযোগ আছে এই বিচারটা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে হওয়ার।
পুলিশকে বাধ্য করতে হবে রিপোর্ট প্রদান করতে,সমগ্র সিলেটবাসী লড়বে।রাজনের মায়ের পুত্র হারানোর শোক কেটে যাওয়ার আগেই এর শেষ দেখে নিতে হবে।
আসুন সবাই সমস্বরে বলে ওঠি রাজনের হত্যাকারীদের কোনোরকমের নিস্তার নাই।
পুলিশের অনিয়ম সম্পর্কে যে কথা উঠেছে সেটাও ক্ষতিয়ে দেখা দরকার,এই সব পুলিশ বেতন পায় জনগনের দেয়া টাকা থেকে সুতরাং জনসাধারনের কাছে ওরা জবাবদিহি করতে বাধ্য।
অনেকেই হয়তো বলবেন এসব বলে আর লাভ কী?এদেশেতো সিস্টেম বলতে কিছু নেই আপনাদের বলছি এসব বলে বলেই দিনের পর দিন এরকম কাজ-কর্ম বেড়ে চলছে।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই জুলাই, ২০১৫ রাত ১০:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




