১. তাহলে ভুলেও কখনো তাদের খুঁত নিয়ে কথা বলবেন না।
২. কথার ফাকে কমতি গুলো তুলে ধরবেন না।
৩. পারলে যতটা সম্ভব প্রসংশা করবেন। ছেলে-মেয়ে সবাই নিজের প্রশংসা শুনতে পছন্দ করে।
৪. মেয়েটি উগ্র পোশাকে চলাফেরা করুক, ছেলেটি স্মোক করুক, যে যাই করুক, তাদের পার্সোনাল কাজে নাক গলাতে যাবেন না, কারণ ওদের কাছে ওটাই স্টাইল, ওটাই ওদের পার্সোনালিটি, যে যার মত থাকুক, আপনার কি? প্রত্যেকের ভালো-মন্দ বুঝার ক্ষমতা আছে।
৫. কাউকে ভালো কাজে জ্ঞান দিতে যাবেন না, কারণ এই যুগে একেক জন একেক বিষয়ে নিজেকে নোবেল প্রাপ্ত বিজ্ঞানী মনে করে। দেখা গেল, ভালো কাজের উপদেশ দিতে গেলেন, উল্টো আপনাকে বুঝিয়ে দিবে।
৬. মানুষকে দেখে বুঝার চেষ্টা করুন, খারাপ হলে নিজ দূরত্ব বজায় রেখে চলুন।
৭. আজকাল ভালো-উপদেশ মানুষ নিতে পারেনা, কথায় আছে না, চোর নাহি শুনে ধর্মের কাহিনী। যে যার যার জায়গাতে একদম পারফেক্ট আছে।
৮. আর মেয়ে-মানুষ তো খুব খুঁতখুঁতে স্বভাবের হয়, ওদের ভুলগুলো ধরিয়ে দিতে গেলে আপনাকে খারাপ লোক প্রমাণিত করে ফেলবে, কারণ স্রষ্টা ওদের এক ধরণের বিশেষ গুণ দিয়েছে পুরুষকে কাবু করার।
✔পরিশেষঃ পরিশেষে একটা কথায় বলবো, এই জগতে ভালো হতে চাইলে নিজেকে ঠিক রেখে সবার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হবে, কারো খারাপ দিক নিয়ে কিছু বলেছেন তো ফেসেছেন। কারণ অন্ধ যেমন আলো দেখে না, তেমনি খারাপ মানুষ তাদের খারাপ দিকগুলো দেখেনা। অনেক চেষ্টা করেছি চারপাশের মানুষদের ভালো করার, কিন্ত এখন সেই চেষ্টা ছেড়ে দিয়েছি, কারণ খারাপ ছিল, আছে, আর থাকবে কিয়ামতের আগ পর্যন্ত। নিজে ভালো হয় চলুন কারো মন্তব্য করার দরকার নেই। নিজে ভালো তো জগত ভালো।
ツ লিখাঃ নাহিদ হোসাইন (N H D) ツ

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



