সন্দেহাতীতভাবে প্রমানিত যে, সংশ্লিষ্ট বিভাগের রুই কাতলাদের সাথে চোরাকারবারীদেও উধ্বর্তনদের যোগাযোগ ঘনিষ্ঠ। বিদেশী পন্যের এই অবাধ বাজার দখল যে কর্তৃপক্ষেও জানা নেই তা বলা যাচ্ছে না। তাই এই অর্থহীন এই স্লোগান যারা চোরাচালানের সাথে জড়িত তারা দেশের শত্রু। চোরাচালানী পন্যের কারনে এ দেশের কুটির শিল্পেগুলোর অধিকাংশ বন্ধ হয়ে গেছে। সরকার এদিকে শিল্পের বিনিয়োগের জন্য তাগিদ দিচ্ছেন। ক্ষুদ্র শিল্প স্থাপনের জন্য ব্যাংক ঝৃন গ্রহনের পরামর্শ দিচ্ছেন অথচ ওদিকে চোরাচালানের মরণঘাতী এই স্রোত ঠেকাতে কঠোরতম উদ্যেগ নিচ্ছে না। এভাবে চলতে থাকলে দেশের অর্থনীতিকে শুধু পঙ্গুই হবে না, সাথে সাথে এদেশের লাখ লাখ মানুষ বেকার হবে এবং হয়ে যাচ্ছে।কিন্তু এভাবে যে চলতে পারে না, এ কথাটি যেমন একজন সাধারন মানুষ পারছে তেমনি যারা প্রশাসনে আছেন তারাও বুঝতে পারছেন। তাই প্রায়ই স্বরাষ্টমন্ত্রীসহ জ্বালানী উপদেষ্টা সীমান্তে চোরাচালান বন্ধের আদেশ-নির্দেশ দিচ্ছেন। আর যারা ঐসব আপকর্মের হোতা তারা বুঝতে পারছেই। কিন্তু ব্যক্তিস্বার্থের কাছে গোষ্ঠি স্বার্থ, দেশের স্বার্থ আজ পরাভূত। চোরাচালান অসামঞ্জস্য আদার-প্রদান দেখলেই বোঝা যায়- দেশকে, দেশের অর্থনীতিকে কিভাবে ঠান্ডা মাথায় খুন করা হচ্ছে। একমাত্র সরকারের পক্ষেই সম্ভব এসব অশুভ শক্তিকে শনাক্ত কওে দৃষ্ঠান্তমুলক শাস্তির ব্যবস্থা করা। যদিও কথাটা চর্বিত চর্বণ। তবুও বলতে হচ্ছে, একমাত্র সরকারই পাওে দেশের অর্থনীতিকে চোরাকারবারীদের লোভের থাবা থেকে বাঁচাতে, সাথে সাধারন মানুষের এই মনেবৃত্তি বদলাতে হবে যে, বিদেশী জিনিস হলেই ভালো হবে। দেশীয় সামগ্রীর প্রতি প্রয়োজন মমতার। পন্য প্রস্তুতকারী ব্যবসায়ীদেরও সচেষ্ট হতে হবে ভালো জিনিস আরো ভালোভাবে জনগনের দরজায় পৌঁছে দেয়ার।
কোন কিছুর বিনিময়ে আমরা দেশকে চোরাকারবারীদের হাতে ছেড়ে দিতে পারি না....।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে আগস্ট, ২০০৬ ভোর ৪:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





