নীরব সন্ত্রাস বলব এ অর্থে যে, এটি সব সময় অতি গোপনে পরিচালিত হয় এবং ক্যান্সারের মতো
দেশ ও জাতিকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়। দেশ ও সমাজের প্রতিটি ত্রেই আজ ঘুষের মরণ ছোবল
আক্রান্ত, এটি আমাদের কাছে যেন ওপেন সিক্রেট।
চাকুরী পেতে ঘুষ, মামলা মকদ্দমায় জয়ী হতে ঘুষ, অফিসের ফাইল সই করাতে ঘুষ- এমনকি দামী
গাড়ি পাওয়ারও দৃষ্টান্ত আমাদের দেশে রয়েছে। ঘুষ ছাড়া যেন বাংলাদেশ অচল। ঘুষের পরিধিটা আজ এত ব্যাপক
যে, দেশটাই যেন ঘুষের চক্রে অবর্তিত হচ্ছে। আমাদের সমাজ, রাজনীতি, অর্থনীতে ঘুষের কবলে
বন্দি হয়ে পড়েছে। আর আমরা সচেতন নাগরিক হিসেবে সহ্য করছি এসব।
কথাটি শুনতে বড় মর্মান্তিক ও লজ্জার হলেও সত্যি যে, দুনীতিতে আমাদের দেশ বারবার চ্যাম্পিয়ান
হওয়ার নেপথ্যে ঘুষ নামক সামাজিক ব্যাধিটির বড় একটা ভূমিকা রয়েছে। আজা আমাদের সময় এসেছে
শপথ নেওয়ার-আমরা আর দুনীতিতে প্রথম হতে চাই না; চাই না বীরের জাতিকে কলঙ্কিত করতে। এজন্য
ঘুষ নামক নীরব সন্ত্রাসের কবল থেকে দেশকে মুক্ত করার এখনই শ্রেষ্ঠ সময়।
মনে রাখা প্রয়োজন যে. প্রকাশ্য সন্ত্রাস হয়তো র্যাব, কোবরা চিতা দিয়ে সাময়িকভাবে বন্ধ করা সম্ভব, কিন্তু
ঘুষ নামক নীরব সন্ত্রাসের মূলোৎপাটন করা খুবই কঠিন কাজ। আর এ জন্য প্রয়োজন গনসচেতনা, সামাজিক আন্দোলন, সঠিক আইন ও তার প্রয়োগ। সর্বোপরি সরকার জনগনের অগ্রনী ভূমিকা ও দৃঢ় পদপে। আসুন আমরা সবাই এগিয়ে আসি। দেশকে ভালবাসি, দেশ সেবায় কাজ করি।
মোঃ নজিবুল ইসলাম মাইনুল
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




