
رَبَّنَا اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِلْمُؤْمِنِينَ يَوْمَ يَقُومُ الْحِسَابُ
'হে আমাদের পালনকর্তা, আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে এবং সব মুমিনকে ক্ষমা করুন, যেদিন হিসাব কায়েম হবে।' সূরাহ ইবরাহীম, আয়াত-৪১।
দশটি বছর দাওনি চোখের
আড়াল হতে একটি পলক।
ছায়ার মতন তোমার মায়ায়
রাখলে দিয়ে যতন-ঝলক।
মা!
তোমার শক্তিহীনা নাজুক শরীর
চলতে গিয়ে হোঁচট খেতে।
কষ্ট সয়েও বায়না মেনে
আমায় দিতে কোলটা পেতে।
গেরস্থালির কাজ গোছাতে
হাপিয়ে যেতে একলা ঘরে।
সবার সেবায় থাকতে সজাগ
ভুলতে শুধু নিজের তরে।
রাত দুপুরে হাত পাখাটা
খড়তাপের বোশেখ রাতে,
উঠলে জেগে দেখতে পেতাম
নড়ছে সদা তোমার হাতে।

তুলির আচরে মহামহিয়ান প্রিয়তম প্রভূ পালয়িতা জীবন-জগতের স্রষ্টা, সকল ক্ষমতার একমাত্র মালিক অাল্লাহ ছুবহানাহু ওয়াতাআ'-লার মধুময় যাদুয় ভরা প্রিয় নামের অসাধারন সৌন্দর্য্যের ঝলক।

শিল্পীর তুলিতে আঁকা অনিন্দ্য সুন্দর প্রিয়তম নবী সাইয়্যিদুল আমবিয়া ওয়াল মুরছালীন সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বরকতময় নাম।
মা!
তখন তো আর ভাবনাগুলোর
এমনিতরো প্রান ছিল না।
তাই ঘুমিয়ে যেতাম শুধু
তোমার চোখে ঘুম ছিল না।
আমার সুখের জন্য তুমি
করতে বাতাস না ঘুমিয়ে।
পেশাব করে ভিজিয়ে দিতাম
তবু করতে আদর মুখ চুমিয়ে।
একটু জ্বরের দেখলে ছোঁয়া
হাত বুলোতে গায়ে-মাথায়।
শত আদর সোহাগ দিয়ে
জড়িয়ে নিতে গরম কাঁথায়।
একটু আমার কষ্ট দেখে
ফেলতে অঝর চোখের পানি।
কান্না-কাতর কন্ঠে দোআ
চাইতে খোদার মেহেরবানী।
গভীর রাতে তাহাজ্জুদে
উঠতো তোমার কোমল দু'হাত।
ফজর শেষে করতে শুরু
আল কুরআনের সেই তিলাওয়াত।

চমকপ্রদ সাইয়্যিদুল মুরছালীন রহমাতুল্লিল আলামীন সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বরকতময় মোহর। সাথে সর্বোত্তম কালিমা- কালিমাতুত্বইয়্যিবাহ 'লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসূ-লুল্লাহ'।
মা!
তোমার স্মৃতির পরশগুলো
জাগিয়ে রাখে জীবন-জমিন।
আজ তুমি নেই- তবু আছ
মনেই হয় না তুমি বিহীন।
মালিক তোমার সুখের তরে
জান্নাতে দিক নাজ-নেআমত,
লুটিয়ে পড়ুক চাঁদ বদনে
খুশির আভা রোজ কেয়ামত।
'রব্বিরহামহুমা কামা-
রব্বাইয়ানী ছগিরা' বলি বারবার।
প্রভূ হে! ক্ষম মম মাতা-পিতা,
ওয়াজআলনা মাআল আবরার।

'ছুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহী ছুবহানাল্লাহিল আজী-ম।'
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



