somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

নতুন নকিব
নিজেকে লেখক বলে পরিচয় দিতে সংকোচ হয়; লেখালেখি ইবাদতসদৃশ সাধনা বলেই লিখি। নিজেকে জানা, বিশ্বকে অনুধাবন করা এবং সর্বোপরি মহান স্রষ্টার পরিচয় অন্বেষণই আমার নীরব যাত্রার পাথেয়। দূরে সরিয়ে দেওয়া নয়-সৃষ্টিকূলকে ভালোবাসায় আগলে রাখার শিক্ষাই ইসলামের মূল বাণী।

সুরাহ আল-ইখলাস: তাওহীদের সারাংশ এবং এর অসীম ফজিলত

১৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
সুরাহ আল-ইখলাস: তাওহীদের সারাংশ এবং এর অসীম ফজিলত

ছবি সংগৃহীত।

প্রিয় পাঠক বন্ধুগণ, সুরাহ আল-ইখলাস কুরআন মাজীদের একটি অমূল্য রত্ন, যা আমাদের হৃদয়ে তাওহীদের আলো জ্বালিয়ে দেয়। এই সংক্ষিপ্ত সুরাহটি আমাদেরকে আল্লাহর একত্বের গভীরতা অনুভব করায় এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষণে তাঁর উপর নির্ভর করতে শেখায়। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিসসমূহ থেকে আমরা জানি যে, এর তিলাওয়াত শুধু সওয়াবের উৎস নয়, বরং আখিরাতের সাফল্যের চাবিকাঠি। আজ আমরা এই সুরাহর পরিচয়, অর্থ, তাফসীর এবং ফজিলত নিয়ে আন্তরিকভাবে আলোচনা করব, যাতে আমরা সকলে এর আলোকে আমাদের জীবন গড়ে তুলতে পারি।

সুরাহ আল-ইখলাসের পরিচয় এবং নামকরণ

সুরাহ আল-ইখলাস (সুরাহ নং ১১২) কুরআনের একটি মক্কী সুরাহ, যাতে মাত্র চারটি আয়াত রয়েছে। এটি আল্লাহর খাঁটি একত্ববাদের সারাংশ, যা ইসলামের মূল ভিত্তি। এই সুরাহটিকে বিভিন্ন নামে ডাকা হয়, যেমন সুরাহ তাওহীদ (কারণ এতে তাওহীদের মূলনীতি সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণিত), সুরাহ সামাদ (দ্বিতীয় আয়াতে “الصَّمَدُ” শব্দের কারণে) এবং সুরাহ আল-ইখলাস (কারণ এটি আল্লাহর প্রতি খাঁটি নিষ্ঠা শিক্ষা দেয়)। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই সুরাহকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছেন এবং এর ফজিলত সম্পর্কে অসংখ্য হাদিসে উল্লেখ করেছেন।

অবতরণের প্রেক্ষাপট

এই সুরাহটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে, যখন মুশরিকরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আল্লাহর বংশপরিচয় জিজ্ঞাসা করেছিল। তারা বলেছিল, “আপনার প্রতিপালকের বংশপরিচয় কী?” এর উত্তরে আল্লাহ তাআলা এই সুরাহ নাযিল করেন, যাতে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয় যে আল্লাহ কোনো বংশগত সত্তা নন; বরং তিনি চিরন্তন, স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং তুলনাহীন। এটি শিরকের মূলোৎপাটন করে এবং তাওহীদের পূর্ণাঙ্গ সংজ্ঞা উপস্থাপন করে।

সুরাহ আল-ইখলাসের আয়াত এবং অর্থ

এই সুরাহটি আল্লাহর একত্ব, স্বয়ংসম্পূর্ণতা এবং অতুলনীয়তা প্রকাশ করে। আয়াতসমূহ নিম্নরূপ:
قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ
(বলুন, তিনি আল্লাহ, একক ও অদ্বিতীয়।)
اللَّهُ الصَّمَدُ
(আল্লাহ স্বয়ংসম্পূর্ণ, যাঁর প্রয়োজন সকলের কিন্তু কারো প্রয়োজন তাঁর নেই।)
لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ
(তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাঁকে জন্ম দেননি।)
وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ
(এবং কেউ তাঁর সমকক্ষ নয়।)

সংক্ষিপ্ত তাফসীর

এই চারটি আয়াতে আল্লাহ তাআলার সত্তাগত একত্ব, নির্ভরশীলতামুক্ত অস্তিত্ব, পিতা-পুত্র সম্পর্কের সম্পূর্ণ অস্বীকৃতি এবং সৃষ্টির সাথে কোনো তুলনার অযোগ্যতা স্পষ্টভাবে ঘোষিত হয়েছে। এটি শিরক, তাশবীহ এবং তাজসীমের মূলোৎপাটন করে। তাফসীর অনুসারে, এই সুরাহটি আল্লাহর সত্তা, গুণাবলী এবং অতুলনীয়তা বর্ণনা করে, যা আমাদেরকে শিরক থেকে দূরে রাখে এবং খাঁটি বিশ্বাসের পথ দেখায়। এটি পড়লে হৃদয়ে তাওহীদের গভীরতা অনুভূত হয়, যা আমাদের জীবনকে আলোকিত করে।

সুরাহ আল-ইখলাসের ফজিলত: হাদিসের আলোকে

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই সুরাহকে কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান বলে উল্লেখ করেছেন। এর ফজিলত এত মহান যে, এটি পড়লে জান্নাতে প্রাসাদ নির্মাণ, পাপ মোচন, সুরক্ষা এবং আল্লাহর ভালোবাসা লাভ হয়। নিম্নে সহীহ হাদিস থেকে ধারাবাহিকভাবে ফজিলত বর্ণনা করা হলো।

1. কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান:

হযরত আবু সাঈদ আল-খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, একবার এক ব্যক্তি অন্য একজনকে সুরাহ আল-ইখলাস বারবার পড়তে শুনলেন। পরদিন তিনি এটি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জানালেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন,

وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ إِنَّهَا لَتَعْدِلُ ثُلُثَ الْقُرْآنِ‏.

অর্থাৎ, "যাঁর হাতে আমার প্রাণ, এটি কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান।" -সহীহ বুখারী ৫০১৩

এই হাদিসটি সুরাহটির মহিমা প্রকাশ করে, যা রাতে পড়লে সম্পূর্ণ কুরআন পড়ার সওয়াবের এক তৃতীয়াংশ পাওয়া যায়।

2. জান্নাতে প্রাসাদ নির্মাণ:

হযরত মুয়াজ ইবনে আনাস আল-জুহানী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

مَنْ قَرَأَ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ عَشْرَ مَرَّاتٍ بُنِيَ لَهُ قَصْرٌ فِي الْجَنَّةِ وَمَنْ قَرَأَهَا عِشْرِينَ مَرَّةً بُنِيَ لَهُ قَصْرَانِ وَمَنْ قَرَأَهَا ثَلَاثِينَ مَرَّةً بُنِيَ لَهُ ثَلَاثٌ.

অর্থাৎ, "যে ব্যক্তি সুরাহ আল-ইখলাস দশবার পড়বে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি প্রাসাদ নির্মাণ করবেন।" -মুসনাদ আহমদ ১৫১৮৩, সহীহ বলে আল-আলবানী গ্রেড করেছেন।

এটি মুসনাদ আহমদের একটি বিখ্যাত হাদিস, যা সুরাহটির ফজিলত সরাসরি উল্লেখ করে। আরও বিস্তারিতভাবে, যদি কেউ বিশবার পড়ে তাহলে দুটি প্রাসাদ, এবং ত্রিশবার পড়লে তিনটি প্রাসাদ নির্মিত হয়। হযরত উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, "তাহলে আমরা আরও বেশি পড়ব।" রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "আল্লাহ সবচেয়ে উদার এবং সর্বোত্তম প্রতিদান দাতা।" -মুসনাদ আহমদ, দারিমী

3. পাপ মোচন এবং জান্নাতে প্রবেশ:

হজরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

مَنْ قَرَأَ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ مِائَةَ مَرَّةٍ حِينَ يَأْخُذُ مَضْجَعَهُ عَلَى جَنْبِهِ الْأَيْمَنِ قَالَ اللَّهُ لَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ يَا عَبْدِي أَدْخُلِ الْجَنَّةَ عَنْ يَمِينِكَ.

অর্থাৎ, "যে ব্যক্তি ডান পাশে শুয়ে সুরাহ আল-ইখলাস একশোবার পড়বে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে বলবেন, 'হে আমার বান্দা, ডান দিক দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করো।'" -তিরমিজী

আরও এক হাদিসে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি এটি একশোবার পড়বে, তার পঞ্চাশ বছরের পাপ মাফ হয়ে যাবে (নির্দোষকে হত্যা বা সম্পত্তি দখলের পাপ ছাড়া)। -তিরমিজী

4. সুরক্ষা এবং আল্লাহর ভালোবাসা লাভ:

হযরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত,

كَانَ إِذَا أَوَى إِلَى فِرَاشِهِ كُلَّ لَيْلَةٍ جَمَعَ كَفَّيْهِ ثُمَّ نَفَثَ فِيهِمَا فَقَرَأَ فِيهِمَا ‏ {‏قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ‏} ‏ وَ‏ {‏قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ‏} ‏ وَ‏ {‏قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ‏} ‏ ثُمَّ يَمْسَحُ بِهِمَا مَا اسْتَطَاعَ مِنْ جَسَدِهِ يَبْدَأُ بِهِمَا عَلَى رَأْسِهِ وَوَجْهِهِ وَمَا أَقْبَلَ مِنْ جَسَدِهِ يَفْعَلُ ذَلِكَ ثَلاَثَ مَرَّاتٍ‏.

অর্থাৎ, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি রাতে শোয়ার সময় সুরাহ আল-ইখলাস, ফালাক এবং নাস পড়ে হাতে ফুঁ দিয়ে শরীর মাসেহ করতেন। এটি শয়তান, জাদু এবং অনিষ্ট থেকে সুরক্ষা দেয়। -সহীহ বুখারী

আরও এক হাদিসে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে এই সুরাহ পড়তে শুনে বললেন,

حُبُّكَ إِيَّاهَا أَدْخَلَكَ الْجَنَّةَ.

অর্থাৎ, "এটি তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে গেছে।" -ইমাম মালিকের মুয়াত্তা

অন্য হাদিসে উল্লেখ আছে, যে এটি তিনবার পড়বে, সে যেন সম্পূর্ণ কুরআন পড়ার সওয়াব পাবে। (সুনান নাসাই)

5. আরও হাদিসসমূহ:

হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

إِنَّهَا تَعْدِلُ ثُلُثَ الْقُرْآنِ.

অর্থাৎ, "সুরাহ আল-ইখলাস কুরআনের এক তৃতীয়াংশ।” -সহীহ মুসলিম

আরেক হাদিসে এসেছে,

مَنْ قَرَأَ كُلَّ يَوْمٍ مِائَتَيْ مَرَّةٍ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ مَحِيَ عَنْهُ ذُنُوبُ خَمْسِينَ سَنَةً إِلَّا أَنْ يَكُونَ عَلَيْهِ دَيْنٌ.

অর্থাৎ, যে ব্যক্তি এটি দু'শোবার পড়বে, তার পঞ্চাশ বছরের পাপ মোচন হয়। -তিরমিজী

ঘরে প্রবেশ করার সময় সুরাহ আল-ইখলাস এবং দুরুদ পড়লে রিজিক বৃদ্ধি পায়।

إِذَا دَخَلْتَ مَنْزِلَكَ فَسَلِّمْ إِنْ كَانَ فِيهِ أَحَدٌ، أَوْ لَمْ يَكُنْ فِيهِ أَحَدٌ، ثُمَّ سَلِّمْ عَلَيَّ، وَاقْرَأْ {قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ} مَرَّةً وَاحِدَةً.

মুসনাদ আহমদে সুরাহ আল-ইখলাসের ফজিলত

মুসনাদ আহমদ ইবনে হাম্বল রাহিমাহুল্লাহর সংগ্রহে সুরাহ আল-ইখলাসের ফজিলত বিশেষভাবে উল্লেখিত। উপরোক্ত হাদিস (নং ১৫১৮৩) ছাড়াও, এতে আরও হাদিস রয়েছে যেখানে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে এই সুরাহ পড়া জান্নাতের প্রাসাদ নির্মাণ করে। এই কিতাবে সুরাহটির তাওহীদী মাহাত্ম্য এবং পড়ার সওয়াবের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। শায়খ শুয়াইব আল-আরনাউতের মতে, কিছু হাদিস দুর্বল হলেও সহীহ হাদিসসমূহ যথেষ্ট প্রমাণ।

উপসংহার: আমলের উপর জোর

প্রিয় ভাই-বোনেরা, সুরাহ আল-ইখলাস শুধু পড়ার জন্য নয়, বরং তাওহীদের উপর আমল করার জন্য। এর ফজিলতগুলো আমাদেরকে নিয়মিত তিলাওয়াত করতে উৎসাহিত করে এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আল্লাহর প্রতি খাঁটি নির্ভরতা গড়ে তুলতে আহ্বান জানায়। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিসসমূহ থেকে বোঝা যায় যে, এটি পড়লে দুনিয়া ও আখিরাতের সাফল্য লাভ হয়। আসুন, আমরা সকলে এই সুরাহকে দৈনন্দিন আমলে অন্তর্ভুক্ত করি, অর্থ বুঝে পড়ি এবং তাওহীদের আলোকে জীবন গড়ে তুলি। আল্লাহ আমাদের সকলকে এর ফজিলত লাভের তাওফীক দান করুন। আমীন।
রেফারেন্সসমূহ

বুখারী, হাদিস 5013
সহীহ মুসলিম, হাদিস 811
মুসনাদ আহমদ, হাদিস 15183
সহীহ বুখারী, হাদিস 7375
মুয়াত্তা মালিক, হাদিস 492
সহীহ বুখারী, হাদিস 5017
সুনান তিরমিজী, হাদিস 2891
সুনান নাসাঈ, হাদিস 992
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ক্ষমতা পেলে শরিয়া আইন চালু না করে দলের নামে ইসলাম রাখা যায় কি?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:৫২



সূরাঃ ৪ নিসার ৭৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭৫। তোমাদের কি হলো, তোমারা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করছো না? অথচ নারী-পুরুষের এবং শিশুদের মধ্যে যারা দূর্বল তারা বলে, হে আমাদের রব... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৌশল

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:২৮

জামায়াতের আমীরের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেল থেকে কর্মজীবী নারীর সঙ্গে বেশ্যাবৃত্তির সম্পর্ক টেনে আনা পোস্টটি হ্যাকড হোক বা অ-হ্যাকড—এর রাজনৈতিক প্রভাব মোটেও একমুখী নয়। অনেকেই ধরে নিচ্ছেন, এতে জামায়াতের ক্ষতিই... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম, রাজনীতি ও “বেহেস্তের টিকিট”: ভণ্ডামির চূড়ান্ত রূপ।

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৩২

ধর্ম, রাজনীতি ও “বেহেস্তের টিকিট”: ভণ্ডামির চূড়ান্ত রূপ।
-----------------------------------------------------------
ধর্ম ও রাজনীতি এক জিনিস নয়, এক পথে চলে না, এবং এক লক্ষ্যেও পৌঁছায় না। ধর্মের ভিত্তি সত্য, ন্যায়, নৈতিকতা ও আত্মসংযম। রাজনীতির... ...বাকিটুকু পড়ুন

লিমেরিক

লিখেছেন বাকপ্রবাস, ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:০১

ধান লাগাতে গিয়ে খোকার একী হল হাল
কাদা জলে হোঁচট খেয়ে চিড়ে গেলো গাল
না পারে আর কইতে
না পারে আর সইতে
টক মিষ্টি যাহাই খাচ্ছে সবই লাগে ঝাল। ...বাকিটুকু পড়ুন

=আজ হবে দেখা নিশ্চয়ই =

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৫০


জম্পেশ খানা শেষে তোরা করিস চায়ের আয়োজন
আজ একত্রে কাটাবো সময় আমরা প্রিয়জন,
ধোঁয়া ওঠা চায়ের সাথে আমরা ক'জন
গল্প আড্ডা আহা সেকি মধুর গুঞ্জরন।

জেনে যাবো কেমন ছিলে, আছো কেমন তোমরা,
কেউ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×