somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রাইভেট পড়ানো, কোচিং সেন্টার ইত্যাদি বন্ধ হবে। তবে তার আগে.....

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ১১:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমাদের সমাজে অনেক বড় বড় মানুষ আছেন যারা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন কোচিংগুলো এবং শিক্ষকদের প্রাইভেট পড়ানো বন্ধ করার কথা বলে থাকেন। এসব কথা বলার আগে আমাদের একবার ভাবা উচিত যে, এই কোচিংগুলোর অথবা প্রাইভেট পড়ানোর এই রীতিটার আসলে উত্‍পত্তি হল কিভাবে। এসবের আবির্ভাব হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণগুলো হল:
১। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ঠিকমত ক্লাস না হওয়া। বিশেষ করে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে।
২। অভিজ্ঞ ও দায়িত্বশীল শিক্ষকের অভাব।
৩। পর্যাপ্ত শিক্ষকের অভাব।
৪। একেকটি ক্লাসের সময়সূচি প্রয়োজনের তুলনায় অতি নগণ্য হওয়ায়।
৫। শিক্ষকদের বেতন অতি অল্প হওয়ায় শিক্ষকরা ক্লাসে পড়াতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন এবং অনেকটা বাধ্য হয়েই প্রাইভেট পড়ান বা কোচিং তৈরি করেন।
৬। কিছু কিছু শিক্ষকদের ব্যবসায়িক বা কমার্শিয়াল চিন্তাভাবনা।
৭।শিক্ষা পদ্ধতির ঘন ঘন পরিবর্তন-

এগুলো ছাড়াও আরো বিভিন্ন কারণ রয়েছে তবে এগুলোই মুখ্য। অধিকন্তু এগুলো শুধু মুখ্য কারণ নয়, বরং একেকটি বড় মাপের সমস্যা। এ সকল সমস্যা সমাধান না করে সরাসরি কোচিং বা প্রাইভেট বন্ধ করে দেয়া টা সমাধান হতে পারে না। বরং সমস্যা আরো বাড়ার আশঙ্কা থাকে। তাই এসব সমস্যা সমাধানে আগে পদক্ষেপ নেয়া উচিত। একটা সমাধান উদাহরণ হিসেবে দেখানো যেতে পারে-
ছাত্রছাত্রীরা সরকারি কলেজগুলোতে মাসিক বেতন দেয় সর্বোচ্চ ১২ টাকা। সেখান থেকে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে তারা যায় কোচিংএ পড়তে আর শিক্ষকরা ক্লাস ফাঁকি দিয়ে যায় কোচিংএ পড়াতে। ঐ ছাত্রছাত্রীরাই কোচিং, প্রাইভেট ইত্যাদি বাবদ দেয় কমপক্ষে মাসিক ১২০০ টাকা। অন্যথায় সে ঐ পড়া টি ঠিকভাবে বুঝে নিতে পারে না যা তার বোঝা দরকার। এখন এটার সমাধান হল সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ক্লাসের সময় বাড়ানো, সার্বক্ষনিক মনিটরিং চালু এবং শিক্ষকদের উচ্চ হারে বেতন প্রদান। এর জন্য প্রয়োজনে ১২ টাকা বেতন পরিবর্তন করে ৩০০-৪০০ টাকা করা হোক। এতেও না হলে বাকি অর্থ শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের বাজেট থেকে নেয়া হোক। উপযুক্ত শিক্ষা ও শিক্ষার পরিবেশ পেলে এত গুণ বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আমরা আন্দোলনে যাব না এটা নিশ্চিত। বরং আমাদের কোচিং ও প্রাইভেট বাবদ এত টাকা বাঁচবে এই খুশিতেই আমরা সন্তুষ্ট থাকব। আশা করছি এখন থেকে সরাসরি কোচিং প্রাইভেট বন্ধ করার কথা বলার আগে আমরা একটু গভীরভাবে চিন্তা করব। শিক্ষক ছাত্র সবাইকে বিবেচনা করে চিন্তা করব।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ১১:২৫
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জামাত ক্ষমতায় এলে আমাদের যে বড় ক্ষতি হবে

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:৩২


জামাত ক্ষমতায় এলে আমাদের সমাজে যে বড় ক্ষতি ও ক্ষত তৈরি হবে, তার কিছু নমুনা ইতিমধ্যেই দেখা গেছে। আমি ভেবেছিলাম, হয়তো তারা ক্ষমতায় এলে প্রথম দিনেই সংবিধান ছিঁড়ে ফেলবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

৫ টা হোন্ডা ১০ টা গুন্ডা ইলেকশন ঠান্ডা!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:১৯

দেশের ইতিহাসে এই প্রথম সত্যিকারের ইলেকশন হতে চলেছে। আপনারা সবাই নির্বিঘ্নে ভোট দিতে যান; যাকে পছন্দ তাকে ভোট দিন। তবে একটা কথা মনে রাখবেন যিনি সৎ ও যোগ্য তাকেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ১৮০

লিখেছেন রাজীব নুর, ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৯



গতকাল রাত ১২ টায় খুব মেজাজ খারাপ হয়েছে।
বাসায় এসে বসেছি মাত্র। আর গলির ভিতর ঢুকেছে মিছিল। ধানের শীষের মিছিল। রাত ১২ টায় কেন মিছিল করতে হবে? ফাজলামোর... ...বাকিটুকু পড়ুন

জাল হাদিস ধরার একটি এপ্লিকেশনের আইডিয়া নিয়ে কাজ করছি

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৩২

জাল হাদিস ধরার একটি সফটওয়্যার নিয়ে কাজ শুরু করেছি। এপ্লিকেশন বানানোর ছক আঁকার পরে এখন ইনভেস্টর খুঁজছি। দিন কয়েক আগের ঘটনা। সামুতে একটি পোস্ট দিয়েছিলাম, অসুস্থ্য থাকায় আল্লাহর নির্দেশে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গদি লইড়া যাইতেসে রে.... :)

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:২০


নিয়াজ স্যার জানেন কিনা জানি না, তবে ছাত্রদলের সেই বিখ্যাত স্লোগান: "নীলক্ষেতের ভিসি আপনি"—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের করিডোরে যতবার প্রতিধ্বনিত হয়েছে, ততবারই সাধারণ মানুষ চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে চেয়েছে যে ছাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

×