সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে আগস্ট, ২০০৬ রাত ৩:৫১
বহু রুপি
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
সে আমার চাচাতো বোন।নাম তার তাছলিমা। আমাদের পরিচয়টা ছোটকাল থেকে ছিলনা।আমি যখন কলেজে ভর্তি হয়েছি তখন ওর সাথে আমার প্রথম পরিচয় হয়েছিলো। আসলে কলেজটা ছিল ওদের বাসার কাছেই। প্রথম প্রথম আমি ওকে দেখার জন্য কলেজ শেষে প্রায়ই ওদের বাসায় যেতাম। অনেক দিন পর ছোট বোন পেলাম তাই খুশি লাগতো। ছোট বলতে আমার থেকে দুই বছরের ছোট। সব সময় সাদা সিদে পোষাক পড়লেও খুব চালাক ছিল সে। প্রায়ই আমি ওর সাথে যুক্তি তর্কে হেরে যেতাম। শাহানা আপু মানে ওর বড় বোন আমাকে খুব আদর করতো। দো বোনের সাথে খুব মজা করতাম। কলেজ থেকে দেড়িতে বাসায় ফিরলে আম্মা আমার কাছে এসে বলতেন "আজ দেরি করলি কেন? যখন বলতাম আংকেল দের বাসায় উঠেছিলাম। আম্মা রাগ হয়ে যেতেন। কেন জানি এরা চায়না আবার কোন সম্পর্ক হয়ে যাক আংকেলদের সাথে। হয়তো এ জন্যই এতো দিন সম্পর্ক বিচ্ছিন্য ছিল। তাছলিমা অনেকবার চেষ্টা করেছে আমার মুখ থেকে ওকে "ভালবাসি" কথাটা বলাতে। না আমি বলিনি। দেখতে চেয়েছি ও বলে কিনা। না সেও বলে নি। বললে হয়তো ওর অনুরোদ রাখতে পারতামনা। শুনেছি নাকি, ও কাউকে ভালবাসে। এ কথাটা অনেক ভাবে চালাকি করেও ওর মুখ,থেকে বের করাতে পারিনি। আমাকে অনেকবার প্রশ্ন করেছে আমি কাউকে ভালবাসি কিনা। আমি না বলেছি। কিন্তু সে বিশ্বাস করেনি। পরিা শেষ হলে ওদের বাসায় যাওয়া বন্দ হয়ে গেল।আমার খালাতো ভাই সজিব তাছলিমা কে ভালবাসতো। তাই আমাকে লাগিয়েছে তাকে জিজ্ঞাসা করার জন্য, সে রাজি কিনা। রাজি হলে বিয়ের প্রস্তাব দেবে।আমি জিজ্ঞাসা করলে তাছলিমা "না" বলেছে। হঠাৎ একদিন আমাকে তাছলিমা একটা চিঠি দিয়েছে,লিখেছে "নাজু ভাই,সজিব ভাইকে বলবেন আমি রাজি। তবে আগামি এক সপ্তাহের মধ্যে বিয়ে করতে হবে। ঘটনাটা কি তা জানার জন্য তারা তারি গেলাম ওদের বাড়িতে। গিয়ে দেখি যা ভেবেছি সেরকম কিছুই নেই। জিজ্ঞাসা করলাম কি ব্যাপার হঠাৎ কি হল? তাছলিমা হেসে বললো মজা করলাম। কথাটা শুনে আমার মাথা গরম হয়ে গেল। কিছু না বলেই চলে এলাম। রাগ হলে আমি কথা বলতে পারি না। অনেক দিন যাবত যোগাযোগ নেই। রিজাল্ট এর খবর নিয়ে যখন গেলাম। তাছলিমার বিয়ে হয়ে গেছে। আরো অবাক হয়ে গেলাম।আমাকে খবর পর্যন্ত দিল না! এ জন্যই হয়তো অনেকে মেয়েদের কে স্বার্থপর বহুরুপি বলে থাকে। আমি আজও জানতে পারিনি,সেদিন কেন সে আমার সাথে এ রকম ঠাট্টা করলো? সবার সাথে করলেও ভাইয়ের সাথেও কি করা যায়? বহু রুপি
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য ঘাটতি : ভারসাম্যের লক্ষ্যে বাংলাদেশে উৎপাদন ও রপ্তানি কৌশল

ভারত বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ও নিকটতম বাণিজ্য অংশীদার। ভৌগোলিক নৈকট্য, দীর্ঘ সীমান্ত, পরিবহন সুবিধা এবং পরস্পর-নির্ভরশীল উৎপাদনব্যবস্থার কারণে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্কের গুরুত্ব অস্বীকার করার উপায় নেই। কিন্তু এই... ...বাকিটুকু পড়ুন
//১৫ ই আগস্ট ১৯৭৫ ও জীবনের সমীকরণ//
নিশ্ছিদ্র পরিকল্পনার পর নিখুঁতভাবে তা মাঠ পর্যায়ে প্রয়োগ করা হলো, অতঃপর আশানুরূপ অথবা আশাতীত ফলাফলও এলো। আপাতদৃষ্টিতে সমীকরণের রাইট হ্যান্ড সাইড আর লেফট হ্যান্ড সাইট হয়ে পরলো কেমন যেন ভারসাম্যহীন।... ...বাকিটুকু পড়ুন
সম্ভবত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবেই তারেক রহমান ভারতে যাচ্ছেন....
সম্ভবত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবেই তারেক রহমান ভারতে যাচ্ছেন, যদিও এখন পর্যন্ত সফরটি চূড়ান্ত হয়নি। বাংলাদেশের সম্মতি আদায়- এক্ষেত্রে বাংলাদেশের 'কচিকাঁচা কুটনৈতিকদের' হারিয়ে ভারতীয় 'প্রবীণ কুটনৈতিকরা' জয়ী হয়েছে।
শেখ হাসিনার আমলে... ...বাকিটুকু পড়ুন
শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর কারা মিষ্টি বিতরণ করেছিল?

যদি কোনোদিন টাইম ট্রাভেল মেশিন আবিষ্কার হয়, পঁচাত্তরের ঘটনা নিজের চোখে দেখার চেষ্টা করতাম। সে সময় কিছু মানুষ মিষ্টি বিতরণ করেছিল বলে শোনা যায় । আমি তাদের কাছ থেকে মিষ্টি... ...বাকিটুকু পড়ুন
আজকের ডায়েরী- ১৯৭

আজ জাতীয় শোক দিবসের।
জাতির পিতাকে আজকের দিনে স্বপরিবারে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছিলো। আজ শেখ মুজিবের ৩২ নম্বরের ভাঙ্গা বাড়িতে একজন গিয়েছেন শ্রদ্ধা জানাতে। তার হাতে ফুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।