বর্তমান তত্বাবধায়ক সরকারের অনেক ভাল কাজের মধ্যে একটি ভাল কাজ হল রাজনৈতিক নেতাদের দূর্নীতি বা অন্যান্য অপরাধের দায়ে গ্রেফতার। এরা আসলে আমাদের দেশের জন্য কলংক। এদের বিরুধ্যে আনিত অভিযোগ প্রমান হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিৎ।
প্রমান করতে হবে কেউ আইনের বাইরে নয়। দূর্নীতির কারনে আজ আমাদের দেশ উন্নত হতে পারছেনা। প্রতিটি খাতেই লুটপাট চলেছে। এটা শুধু বিগত সরকারের শাসনামলে নয়, প্রত্যেক সরকারই ক্ষমতায় এসে দেশের সম্পদ লুট করে। দেশের সম্পদকে বাপের সম্পদ মনে করে এরা ক্ষমতায় এলে।
গ্রেফতার কৃত নেতাদের বিরুধ্যে আনিত দূর্নীতির অভিযোগ প্রমানিত হলে এরা যেন নির্বাচন এ প্রার্থী না হতে না পারে সে আইন করতে হবে। কারণ এদের হাতে আবারও দেশকে লুট করার লাইসেন্স দেয়া যাবে না।
মুখে সুন্দর সুন্দর কথা বলে এরা মানুষকে ভুলিয়ে ভোট নেয়, পরে ভুলে যায় এসব গরীব মানুষদের কথা। গরীবের সম্পদ লুট করে খায় এরা। কথায় আছে, চোরের দশদিন গৃহস্তের একদিন। এতদিন এই ভদ্র বেষি লুটেরা রা দেশকে লুট করেছে, আজ গৃহস্তের সময় এসেছে।
কোন নির্দিষ্ট দল নয়, সব দলের একই অবস্থা। ক্ষমতায় এসে লুটপাট শুরু করে দেয়। বর্তমান সরকারের এই বড় বড় দূর্নীতি বাজদের ধরার উদ্ধোগ অবশ্যই প্রসংসার যোগ্য। আমার ধারনা এই সরকার যদি আগামি ২ বছর দেশ চালাতে পারে তাহলে, আমাদের দেশটা শুদ্ধ হয়ে যাবে। তখন বিশ্বের উন্নত দেশ গুলোর সাথে তূলনা করা যাবে। দূর্নীতি দেশটার কতটা ক্ষতি করেছে তা বুঝা যাবে বছর খানেক পরে যদি দেশের এই অবস্থা থাকে। ধনী গরীবের ব্যাবধান কমবে। কমবে বেকারত্ব, কমবে দরিদ্রের সংখ্যা।
আর কাউকে চাকরীর জন্য ঘুষ দিতে হবে না। চাকরীর জন্য অফিসে অফিসে ধর্নাও দিতে হবে না। দূর্নীতিতে এক নাম্বার জায়গাও থাকবে না আমাদের দেশ।
আমাদের দেশে উন্নয়নের প্রধান দুটির হল দূর্নীতি আর সন্ত্রাস। দূর্নীতিবাজদের ধরার পরেই সম্ভবত সরকার সন্ত্রাসের দিকে কড়া নজর দিবে।
গ্রেফতার কৃত দূর্নীতিবাজদের শাস্তি হলে পরবর্তিতে যারাই ক্ষমতায় আসবে তারা আর দূর্নীতি করতে সাহস পাবেনা। তাই প্রকৃত দূর্নীতিবাজদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্থি হওয়া উচিৎ।
[link|http://uploadingit.com/files/1973/PDF%20File/Political%20leader%20Arest.pdf|wcwWGd wn
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ২:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



