রহমান এর দুই ছেলে ও দুই মেয়ে। যৌবনের অনেকটা সময় সে নিজের স্ত্রীকে ও তার সন্তানদেরকে দিয়েছে। সোনার হরিণ ধরতে রহমান এক সময় প্রবাসে পাড়ি জমালো।
দুই বছর পর দেশে যাবে বলে স্বপ্ন দেখছে। টাকা কামিয়ে নিজের স্ত্রীকে দেয় আর স্ত্রী সে টাকা দিয়ে সংসার উন্নতির জন্য টেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এরই মাঝে একটি অঘটন ঘটে গেল। রহমানের স্ত্রী পরকিয়ায় জরিয়ে পড়লো। সেও ছিল বিবাহিত। বিভিন্ন ভাবে পটিয়ে সে লোকটা রহমানের পাঠানো টাকা সব লুটে নিয়ে গেল। এক পর্যায়ে তিন সন্তান (বড় ছেলে ছারা) নিয়ে রহমানের বউ পালালো সেই লোকটার সাথে।
এটা নিঃসন্দেহে গর্হিত কাজ। এটা নিঃসন্দেহে বোকামি। ধোকাবাজ লোকটার চরিত্রের আসল রুপ কিছুদিনের মধ্যেই রহমানের স্ত্রী টের পেয়ে গেল। মার ধোর করতে লাগলো তাকে।
অবশেষে জীবন বাচানোর তাগিদে এর কাছ থেকে পালালো রহমানের প্রাক্তন বউ।
রহমান ঘটনা শুনে রাগে কটমট করতে লাগলো। আমরা ভেবেছিলাম বাড়িতে এসে হয়তো কিছু একটা ঘটাবে। কিন্তু দুঃখের বিষয় রহমান কিছুই করতে পারলো না প্রমানের অভাবে।
ঘটনা এখানেই শেষ নয়। ৬ মাস পরে দেখি রহমান এর বউকে সে আবার নিজের বউ এর মত সুন্দর করে তুলে এনেছে। কিভাবে এনেছে তা বুঝিনি। এলাকার লোকেরাও কোন কিছু বলছে না দেখে আমার মনে প্রশ্ন এল ব্যাপারটা কি এখানে।
পরে জানলাম, সে লোকটার সাথে রহমানের বউয়ের বিয়েই হয়নি। এমনিতেই ওরা কিছু সময় কাটিয়েছে। সুতরাং নতুন করে বিয়ে পড়ানোর প্রশ্নই আসেনা।
কতটুকু বিবেক হীন হলে মানুষ এমন একটা ভুল করতে পারে তা আমার জানতে খুব ইচ্ছা করছিল তখন। আর এও ভাবছিলাম রহমানের মত মানুষ হয়না। নিজের প্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েকে রেখে কিভাবে তার বউ পরকিয়ায় জড়িয়ে পালাতে পারে? আর রহমানই বা কিভাবে সে বউকে আবার বিনা শর্তে ঘড়ে তুলে নিতে পারে?
এটাও কি ভালবাসার টান। নাকি নিজের অপারগতা?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



