এবার নিয়ে দুইবার বাদল বাড়িতে গিয়েছে। কিন্তু সে বিয়ে করতে পারেনি একবারও। এবার আসার পর বললাম কিরে বিয়ে করলিনা কেন? দেশে কি মেয়ের অভাব পরেছে?
সে বলে, মেয়ের অভাব পরবে কেন? আমি তো ওকেই বিয়ে করতে চাই। ও তো এবারও রাজি হলনা। বললাম কেন?
আমি বললাম সে যে রাজি না তাতো গতবারই বলেছিলে। তো অন্য মেয়েকে কেন বিয়ে করলিনা? আমাকে বলে আরে বোকা এখনো তো ওর বিয়ে হয়নি। আমি অপেক্ষায় আছি যদি সে রাজি হয়।
কিন্তু আমার মনে হয় সে মেয়ে আর রাজি হবে না। যে কারনে সে রাজি হচ্ছে না তাতো বাদল এখনো ছারতে পারছেনা।
কারণটা ছিল প্রবাস। অর্থাত্ত, তাকে বিদেশ ছারতে হবে। আমার মনে হয় মেয়েরা প্রবাসকে পছন্দ করে না। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসিদের।
এয়ার পোর্টে বিদায় দিয়ে ফোন করে নাকি সে বাদলকে বলেছিল, তুমি যদি এখনি ট্রিকেট ফেলে দিয়ে আসতে পার তোমাকে আমি এখনি বিয়ে করবো।
এটা কি সম্ভব, তুই বল? আমার দিয়ে তাকিয়ে বাদলের প্রশ্ন।
যখন আমি বিদেশ আসছিলাম তখন খালাম্মার (মায়ের বান্ধবী) কাছে বিদায় নিতে গেলাম। খালাতো বোন বলেছিল ভাইয়া আমি একটা কথা বললে আপনি রাখবেন? কি কথা? বলেন আগে রাখবেন কিনা? ঠিক আছে রাখার মত হলে রাখবো।
আপনি বিদেশ যাবেন না। দেশেই কিছু করতে চেষ্টা করুন।
আমি ওর কথা রাখতে পারিনি। মাঝে মাঝে যখন দেশের কথা মনে হয় তখন এদের কথাও মনে পরে যারা আমাকে বিদেশ আসতে মানা করেছিল।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

