
শাওন প্রশ্ন করেছিলে ৭৮ বছর বয়স্ক একজন মহিলার। অন্তর্বাস উচিয়ে যখন অন্তর্জালে দাঁত মুখ খিচিয়ে উল্লসিত বহু পোস্টে ভেসে যায় ।কিংবা দেয়ালে সরাসরি দি লিখে প্রচার করছিলো তখন কোথায় ছিলো সুশীলদের সুশীলতা⁉️এখন ইংরেজি একটা মাসের নাম লিখে সিডিআই লিখাতেই এত বিচলিত কেনো!
শাওন কী লিখেছিলেন?
গত ১ জুলাই শাওন ফেসবুকে লেখেন, গত এক বছর ধরে তিনি হ্যাশট্যাগ দেখছেন। তিনি ভাবতেন এটা শুধু জুলাই মাসের ট্রেন্ড, কিন্তু পরে দেখেন সারা বছরই মানুষ এটা লিখছে।
তিনি লেখেন:
> ‘মন খারাপ থাকলে যেমন আস্তে করে লেখা যায় #জুলাইCDI, তেমনি মন খুব ভালো থাকলেও হো হো করে হাসতে হাসতে #জুলাইCDI লেখা যায়। বন্ধুর সঙ্গে আড্ডার গল্পে যেমন লেখা যায় #জুলাইCDI, তেমনি কারও ওপর ভীষণ রেগে গেলেও #জুলাইCDI লেখা যায়... আজ যেহেতু পয়লা জুলাই, তাই আমিও লিখলাম #জুলাইCDI’
বিতর্ক কেন হলো?
"জুলাই" বলতে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে বোঝানো হয়, যাকে অনেকে "জুলাই বিপ্লব" বা "জুলাই গণঅভ্যুত্থান" বলেন। এই আন্দোলনের পর সরকার পরিবর্তন হয় এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হন।
শাওনের পোস্টকে অনেকে "জুলাই বিপ্লব" নিয়ে বিদ্রুপ মন্তব্য হিসেবে দেখেছেন। ছাত্র-জনতা, রাজনীতিবিদ ও তরুণ নেতারা এর প্রতিবাদ করেন। পিনাকী ভট্টাচার্যও তীব্র সমালোচনা করেন।
শাওনের জবাব
সমালোচনার পর শাওন আবার পোস্ট দিয়ে সমালোচকদের "ভন্ড সুশীল" বলে কটাক্ষ করেন। তবে তিনি তার আগের পোস্টের আর কোনো ব্যাখ্যা দেননি।
"CDI" মানে কী?
শাওন নিজে CDI-এর পূর্ণরূপ বলেননি। এটা নিয়েই সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড় হয়। অনেক ইউটিউব ভিডিওতে এর "আসল উদ্দেশ্য" নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
সংক্ষেপে: হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন ১ জুলাই লিখে পোস্ট দেন, যেখানে তিনি বলেন যেকোনো সময় এই হ্যাশট্যাগ লেখা যায়। এটাকে জুলাই আন্দোলনকে তুচ্ছ করা হিসেবে দেখে অনেকে সমালোচনা করেন, আর শাওন পাল্টা সমালোচকদের কটাক্ষ করেন।
ধন্যবাদ শাওন’কে সুশীলদের লালবদর আর রাজাকারদের শরীরে আগুন জ্বালিয়ে দিতে তাঁর সক্ষমতার জন্য ! শাওন তাঁর মতো করেই প্রতিবাদ করেছেন। প্রতিবাদের ভাষায়ও যে অগ্নি বান নিক্ষেপ করা যায় সেটা প্রমাণ করলেন শাওন।
জুলাই যে ম্যাটিকুলাস ডিজাইন এটা বিশ্বময় প্রচার করেছে তাদের গড ফাদার স্বয়ং ইউনুস। অগনিত ঝুলাই যোদ্ধা-যুদ্ধী স্বিকার করে চলেছে পুরোটাই ছিলো ষড়যন্ত্র। কার কি ভূমিকা, এমনকি কে কি কারনে ধ্বংস চালিয়েছে,হত্যা করেছে তা তারা প্রকাশ্যে বলছে।
তা না হলে নাকি তারা সফল হতো না। এমনকি সসস্ত্র সংগ্রামের স্বিকারোক্তি আছে!
তাহলে এই জুলাইয়ের মহত্ত্ব কোথায়? মানুষ’কে প্রতারণার মাধ্যমে যুক্ত করেছে।
সবচেয়ে বড় প্রমাণ বঙ্গবন্ধুর ভাষণের অংশ কোট করে ব্যবহার করে । ৫ই আগস্ট তাঁকেই আক্রমণ করে চরম অপমান করেছে। মুক্তিযুদ্ধের সকল স্বারক ধ্বংস করেছে। মুক্তিযোদ্ধাদের চরম অপমান করেছে এমনকি হত্যা পর্যন্ত করেছে ‼️
তাহলে এটা কিভাবে গণমানুষের আন্দোলন হয়! বা গণতন্ত্রের নামে দোহাই দিয়ে প্রতিষ্ঠিত করা যায় কি?
লালবদরেরা এখন নিজেরাই লাল চিহ্ন মুছে ফেলছে। এটাই অনেক কিছু প্রমাণ করে দিয়েছে। আমাদের সংস্কৃতির উপর আঘাতের জবাব আমরা দিতে থাকবো যারা অনুতপ্ত- । তাদের প্রতি ভালোবাসা রইল। Click This Link
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



