আজ আবার আমি এলো মেলো, তাল পাকানো।
খুব তুমি জিতেছো। আরেকবার আমায় বিস্মিত করেছো।
গেছো বিড়ালের ভাঙা পায়ের মতন অসহায় আমার সুখ আজ।
আমার বহিঃপ্রকাশ বারণ।
প্রশ্নের পর প্রশ্ন জমা হয়, ইচ্ছে হয় তোমার কলার চেপে দেয়ালে ঠেসে ধরি! খুব মারি! রক্তাক্ত নোনা ঠোঁটের ভেতর দিয়ে সকল উত্তর একটার পর একটা আছড়িয়ে, টেনে বার করি।
এরপর হয় কাঁদি, অথবা হাসি।
তোমার হাত ছোয়াঁ বারণ।
প্রশ্নের টর্নেডো প্রায় প্রায়ই আমায় ছুঁড়ে ফেলে দেয়, ক্লান্ত করে, আমি ঝড় হই। আমি একলা মাজা ভেঙে পড়ে রই। আমি গোঙাই না। জানিনা আমার কষ্ট তোমায় উল্লাসিত করবে কিনা, নাকি করবে দূর্বল?
আমার আওয়াজ করা বারণ।
মির্চা তবুও সুযোগ করে দিয়েছিল মৈত্রী দেবী কে, মনে কি আছে- জেনে নেয়ার,
আমার নেই, সুযোগটুকুও নেই।
তাই আমি তাই করছি যা করতে পারি, আমিও প্রচুর প্রশ্নে তোমায় ডোবাচ্ছি, ভোগাচ্ছি!
পুরানো খেলোয়ারের মতন তোমার সংশয় মাখা মুখ শক্তভাবে ঘুরিয়ে নাও তুমি, তাই দেখতে পাওনা, আমার বন্ধ মুখের ভেতর শদন্তীয় হাসি, চোখের ভেতর ঝিলিক চালান দেয়।
সব প্রশ্নের উত্তর পাবে মির্চা, প্রথমে জবাব দিতে শেখো।
তার আগে আমার ফিরে আসা বারণ।


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



