• এই নীল মণিহার, আবার এলো যে সন্ধ্যা, যেখানে সীমান্ত তোমার, কবিতা পড়ার প্রহর এসেছে, কে বাঁশি বাজায়রে, আমায় ডেকোনা, আগে যদি জানতাম--
-- আরো অনেক কালজয়ী গানের স্রষ্ঠা তিনি- রচনা, সঙ্গীতায়োজন করেছেন – কোনটি নিজে গেয়েছেন। বাংলাদেশের আধুনিক গানের ভান্ডার দৈন হয়ে যায় এই গানগুলি না গাইলে।
* তিনি লাকী আখন্দ।
খুব প্রতিভাধর মানুষগুলোর অভিমানও অনেক বেশী থাকে। তাই লাংগস ক্যান্সার আক্রান্ত তিনি তাঁকে দেখতে যাওয়া দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পীদের বলেছেন তাঁর জন্য যেন কোনরকম কনসার্ট না করা হয়, কোন দান গ্রহন না নেওয়া হয়।
তাঁর গানের কোন স্বত্ত্ব আজো তিনি নেননি- তাঁকে শুধু তাঁর এই প্রাপ্যটুকু দেয়া হোক।
ক্যান্সার যুদ্ধে জয়ী হয়ে ফিরে আসে কোটিতে একজন। বাস্তবতা এটাই।
তিনিও হয়তো ফিরে আসবেন না।
মৃত্যু নিশ্চিত হলে 'একুশে পদক' ইত্যাদি মরণোত্তর পুরষ্কারে ভূষিত হবেন, বড় বড় শোক সভা, ট্রাস্ট- ফান্ড গঠিত হবে।
সবই তাঁকে প্রাণের বিনিময়ে অর্জন করতে হবে, জীবৎকালে আকাশছোঁয়া অর্জনেও না।
কারণ মরে যে গেছে সে তো আর আমার প্রতিদ্বন্দিতায় নেই- তাঁকে বড় বললে তখন আমিও বড়ই হবো, বেঁচে থাকতে না !
কতটা দীনতা প্রকাশ পেয়ে যায় একেকেটা মরোণত্তর পুরষ্কারে জানিনা, আমার বরাবরই প্রশ্ন করতে ইচ্ছা হয় -
“ জীবনে যারে তুমি দাওনি মালা, মরণে কেন তারে দিতে গেলে ফুল?”
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



