মানুষ কখনো ‘সত্যকে’ ত্যাগ করতে পারেনা। আর সত্যও কখনো মানুষকে ছেড়ে যায় না। ‘সত্যকে’ ঢাকার জন্য মানুষ যতই ছদ্মাবরণের আশ্রয় নেয়-না-কেন; সত্য সদা প্রস্ফুটিত ও প্রজ্বলিত।
আপনি অন্যের ছদ্মাবরণের ভিতরের ‘সত্যকে’ আবিস্কার করতে পারেন নি; এটা আপনার ব্যর্থতা। আর তাঁর সফলতা! কারণ সে আপনাকে ঠকাতে সক্ষম হয়েছে!
সত্যের কখনো ‘মৃত্যু’ হয়না। সত্যের উপর আবরণের চাপে ব্যাক্তিই হাপিয়ে ওঠে; কখনো কখনো নিঃশেষ হয়ে যায়; অথচ ‘সত্য’ অমর থেকে যায়।
সত্যাণ্বেষীদের নিকট ‘সত্য’ সর্বদা সত্যই থেকে যায়। কিন্তু যারা কৃত্রিম সত্যাণ্বেষী; তাদের নিকট ‘সত্য’ কখনো ‘মিথ্যা’ মনে হয়। আবার কখনো তারা সত্যের ‘মৃত্যু’ দেখতে পায়।
প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, ব্যাক্তির নিজের ‘সত্য’ যখন নিজের কাছেই অস্বচ্ছ মনে হয়; তখন অন্যের সত্য মাপার জন্য ‘মাপকাঠির’ অভাব বোধ হয়; তখনি অন্যের সত্যও তাঁর কাছে ‘অস্পষ্ট’ হয়ে ওঠে!
মানুষে-মানুষে ভেদাভেদ এ থেকেই শুরু। কেননা ‘প্রচ্ছন্ন’ যখন ‘প্রকটতায়’ রূপ নেয় কিংবা ‘প্রকটতা’ যখন অন্যের নিকট ‘প্রচ্ছন্ন’ হিসেবে ধরা পড়ে তখন ‘সৃষ্টির সৌন্দর্যে’ ব্যাঘাত ঘটে এবং সামান্য তরঙ্গের সৃষ্টি হয়। এ তরঙ্গের ফলে আংশিক সত্য ও আংশিক মিথ্যার মধ্যে ‘অসমসত্ত্ব’ মিশ্রণ তৈরি হয়।
স্পষ্টতঃ যে, ‘অসমসত্ত্ব’ মিশ্রন ভাগ-বাটোয়ারার ক্ষেত্রে অসমান ভাগে ভাগ করতে হয়। আবার ভাগ-বাটোয়ারার সময় সুদক্ষ হাতের পরিবর্তে যদি অদক্ষ হাতের স্পর্শ লাগে; সেখানে আরও জটিলতার সৃষ্টি হয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



