আমার পায়ে বেড়ির দাগ নেই,
নেই কোন অত্যাচারের চিহ্ন।
নীল রগের আঁকাবাঁকা পথ আজো ঝলমল।
মসৃণ পদতল;
আর শুভ্র দু’খানি প্রেমপদ্যের উপর
নিখুঁত কারিগরের আঁকা
স্থিতিস্থাপক ভাঁজে,
সমুদ্রের ভেজা বালুরাশির দোলনায়
পশ্চিম দিগন্তে অস্তগামী সূর্যের রঙে
সাগর ও আকাশের মোহনায়,
রংধনুর দু’তিনটি রঙের মিশ্রনে
কোমল দু’খানি ভেজা পায়ের তারায়
আরো স্পষ্ট।
আরো সুদীপ্ত।
ভেজা চুলের এলানো মুখে
সিগারেটের আগুনে ঝলসে যায়নি;
মাদকতায় ভরা রেশমি কোমল কেশে
পূর্বমুখী সূর্যের তেজদীপ্ত কিরণ
দক্ষিণমুখী বাতাসে
কয়েকটি চুলের দিকবিদিক ছোটাছোটি,
জ্বলন্ত অঙ্গারে যেন নলের ফুঁক।
বাতাসের আবহে পিছলে একমুঠো রোদ্দুর
ললাট, উষ্ঠ ছুয়ে যায়,
তখন ভালোবাসার হারিয়ে যাওয়া পাতাগুলি
বাতাসে বিমুক্ত হতে থাকে
ললাটের সূক্ষ্ম ভাঁজগুলি
ডুবন্ত সূর্যের মত উজ্জ্বল।
আর উষ্ঠের বিদ্যমান পানির ফোটাগুলো
মুক্তোর দানার মত ঝড়ে পরে।
তবু আমি মজলুম!
কেননা, সুস্পষ্ট উচ্চারণ ও সত্যের বাণী
আমার ওষ্ঠে জড়িয়ে যায়;
মনের ভাষার কথ্য রূপ কিংবা বুলিগুলি
আমার টুটিতে আটকে যায়
আর ভালোভাষার সুমধুর আবৃতি
উচ্চারণ, লয়, তান ও সুর
কল্পনার দেশ
কল্পনার রেশ
কল্পনার কেশ
ও অল্পনার রেশ
সমস্তকিছু আমার হারিয়ে যাওয়া ডায়েরীর মতন
মনে হয়।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



