জীবনের শেষ প্রান্তে হযরত লোকমান
তার ছেলেকে লক্ষ্য করে যে উপদেশ
দিয়েছিলেন তা নিম্নরূপঃ-
১/ বৎস আল্লাহর সান্নিধ্য
অবলম্বন করবে ।
২/ অন্যকে উপদেশ
দেওয়ারআগে নিজে আমল করার
চেষ্টা কর ।
৩/ নিজের মান
মর্যাদা বজায়রেখে কথা বলবে ।
৪/ ভাল মানুষ রূপে বিবেচিত
হওয়ারচেষ্টা করবে ।
৫/ স্বীয় অধিকারের
প্রতি সচেতনথাকবে।
৬/ গোপন তথ্য কারো নিকট
প্রকাশকরবে না ।
৭/ বিপদে বন্ধুর পরীক্ষা নিবে ।
৮/ বন্ধুদের ভাল মন্দ উভয়টাই
পরীক্ষা করবে ।
১০/ বিচক্ষণ
এবং জ্ঞানী ব্যক্তিদেরসাথে বন্ধুত্ব
করবে ।
১১/ ভালকাজে পুণঃপুণঃ অংশ গ্রহণ
করবে ।
১২/ নিজের কথা প্রমাণকরে দিবে ।১৩/
বন্ধুদের সাধ্যমত ভালবাসবে ।১৪/ শত্রু
মিত্র সকলের
সাথে হাসিমুখে সাক্ষাৎ করবে ।
১৫/ মাতা পিতাকে সর্বাধিক
সম্মানকরবে ।
১৬/ শিষ্যকে সর্বাধিক মর্যাদার
দৃষ্টিতে দেখবে ।
১৭/ আয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে ব্যয়করবে ।
১৮/ প্রত্যেককাজে মধ্যপন্হা অবলম্বনকরবে ।
১৯/ কথা বলার সময় মুখ আয়ত্বের
মধ্যে রাখবে ।
২০/ বীরত্ব কে নীতি হিসাবে গ্রহণ
করবে ।
২১/ শরীর এবং পোষাক পরিস্কার
পরিচ্ছন্ন রাখবে ।
২২/ ঐক্যবদ্ধ হয়ে থাকবে ।
২৩/ প্রচলিত অস্ত্র সস্ত্র
ওযানবাহনপরিচালনা শিখে নিবে ।
২৪/ প্রত্যেক
ব্যক্তিকে তারযোগ্যতা অনুযায়ী
দায়িত্ব
প্রদানকরবে ।
২৫/ রাতের বেলায় যদি কথা বলার
প্রয়োজন হয়
তাহলে আস্তে এবং নরমস্বরে কথা
বলবে ।
২৬/ দিনের বেলায় কথা বলার সময়
চতুর্দিকে লক্ষ্য করে কথা বলবে ।
২৭/ কম কথা বলা কম
খাওয়া এবং কমঘুমানোর অভ্যাস করবে ।
২৮/ নিজের জন্য
যা পচন্দকরো না তা অন্যের জন্য
পচন্দকরবে না ।
২৯/ বিচক্ষণতা ও কৌশল
অবলম্বন করে কাজ করবে ।
৩০/ উপযুক্ত
শিক্ষিতনা হয়ে অন্যকে শিখাতে যেও
না ।
৩১/ অন্যের ধন সম্পদের
প্রতি লক্ষ্যকরবে না ।
৩২/ নীতিহীনদের কাছ
থেকে কৃতজ্ঞতা আশা করবে না ।
৩৩/ কোনো কাজেই চিন্তামুক্ত
হইওনা ।
৩৪/ যে কাজ তুমি করনি এরূপ কাজকরেছ
বলে মনে করো না ।
৩৫/ আজকের কাজ আগামীকালের
জন্যফেলে রাখবে না ।
৩৬/ বড়দের
সাথে হাসি ঠাট্টা করতে যেও না ।
৩৭/ আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক
করিও না ।
৩৮/ তোমার
প্রতি যারা আশা রাখে তাদের
নিরাশকরো না ।
৩৯/ বড়দের সামনে কথা দীর্ঘায়িত
করবে না ।
৪০/ অতীতের
তিক্ততা মনে রেখো না ।
৪১/ নিজের ধন সম্পদের কথা অন্যের
নিকট প্রকাশ করবে না ।
৪২/ সৎ লোকদের নিন্দা করবে না ।৪৩/
আপনজনদের কাছ
থেকে কখনও বিচ্ছিন্ন হইও না ।
৪৪/ অহংকার করবে না ।
৪৫/ মানুষের সামনে দাঁত
খেলাল করবে না ।
৪৬/ মানুষের
সামনে মুখে বা নাকে অঙ্গুল প্রবেশ
করবে না ।
৪৭/ শব্দ করে থুতু ফেলবে না ।
৪৮/ হাই তোলার সময়
মুখে হাতরাখবে ।
৪৯/ কাউকে জনসম্মুখে লজ্জা দিবে না ।
৫০/ চোখ দিয়ে ইঙ্গিত করবে না ।
৫১/ এক কথা বারবার বলবে না ।
৫২/ তামাশা মূলক অবাস্তব কথা বলবে না ।
৫৩/ ঠাট্টা বিদ্রুপ থেকে বিরত
থাকবে ।
৫৪/ অন্যের
সামনে নিজেরপ্রশংসা করবে না ।
৫৫/ মেয়েদের ন্যায়
সাজসজ্জা করবে না ।
৫৬/ কথা বলার সময় হাত
নাড়াচাড়া করবে না ।
৫৭/ আপনজনদের শত্রুর
সাথে উঠাবসা করবে না ।
৫৮/ কারো মৃত্যুর পর তারসম্পর্কে খারাপ
মন্তব্য করবে না ।
৫৯/ যথাসম্ভব ঝগড়া বিবাদথেকে বিরত
থাকবে ।
৬০/ সৎলোকের প্রতি সুধারণা রাখবে ।
৬১/ নিজের খানা অন্যের
দস্তারখানায় নিয়ে যাবে না ।
৬২/ কোনো কাজেই
তাড়াহুড়ো করবে না ।
৬৩/ পার্থিব স্বার্থের
মোহে নিজেকে দুঃখ কষ্টে ফেল
না ।
৬৪/ রাগান্বিত অবস্থায়ও
ধীর শান্তভাবে কথা বলবে ।
৬৫/ জামার আস্তিন দ্বারা নাক
পরিস্কার করবে না ।
৬৬/ সূর্য উদয়ের পূর্বেই
শয্যা ত্যাগকরবে ।
৬৭/ পথ চলার সময় বড়দের
আগে চলবে না ।
৬৮/ এদিক সেদিক
উকি মেরে দেখবে না ।
৬৯/ অন্যের কথার
মধ্যে বাধা দিয়ে কথা বলবে না ।
৭০/ মেহমানের
সামনে কারো প্রতি রাগান্বিত হইওনা ।
( তফসীরে কামালাইন ৫ম খন্ড )
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জুন, ২০১৬ সকাল ৮:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




