তাওহীদ সাহেবের প্ররোচনায় প্ররোচিত হয়ে :
তাওহীদ সাহেব, এক শ্রেনীর লোক আছে যারা মজা দেখে আর হাত তালি দেয় । আপনার মন্তব্য পড়ে আমার আপনাকে সেই দলের লোক মনে হয়েছে । তবুও আপনার মন্তব্যের জবাব দিচ্ছি ।
1। তীর্থক অর্থ তীর্থ যাত্রা । কিন্তু তীর্থ অর্থ কি সেটা কিন্তু তিনি বলেন নি । উনি যে বেসিক মিসটেকটা করছেন তা হল আমাকে গোড়া/কট্টর মুসলিম ভেবে । উনার সম্ভবত একটা ইন্দরীয়তে সমস্যা আছে । কারন উনি নিজেকে নাস্তিক প্রমান করতে গিয়ে মুসলিম বিদ্্বেষি প্রমান করে ফেলেছেন । তীর্থ কথাটি ক্ষুদ্্রার্থে হিন্দুয়ানি হতে পারে কিন্তু বৃহদার্থে কি, তা বুঝতে হলে তাকে "তীর্থের কাক" কথাটির সাথে পরিচিত হতে হবে । তাছাড়া তীর্থক কথাটিতে শুধু হিন্দুদেরই অধিকার আছে আর কারও অধিকার নাই এটা কোন শাস্ত্রে লেখা আছে তা সমালোচক একটু জানাবেন আশাকরি । যদি এই শব্দগুলোকে শুধু হিন্দুরা কুক্ষিগত করতে শুরু করে তবে কিন্তু ভাই বাঙ্গালি বলতে শুধু হিন্দুদেরই বুঝতে হবে । বাংলা ভাষা মানে ধরে নিতে হবে হিন্দুদের ভাষা । 52 র ভাষা আন্দোলনের দফা রফা শেষ ।
2 । কোন ব্যাকরনের কথা বলছেন বুঝিনি । তবে "কি" আর "কী" এর ব্যাপারে যদি বলে থাকেন তবে বলব "কী" শব্দটি যে উনি জোর দিয়ে বলেছেন তা আমি সত্যিই বুঝিনি । কারন উনি লিখেছেন, "জানিনা এই বক্তব্যের জন্য আমার ভাগ্যে কী আছে ।" আমিও জানিনা কারন উনাকে শুধু বলা হয়েছে, "যে কথা আপনি বলেছেন তার জন্য আপনার জিহবা ছিড়ে নেয়া উচিৎ" । এতেই উনি রটাচ্ছেন উনাকে হুমকি-ধামকি দেয়া হচ্ছে । আর যদি জোর দিয়ে বলতাম, "জিহবা ছিড়ে নিব" তাহলে না জানি কি বলতেন । আর "কী" শব্দটি আমি ভুল ধরেছি এটা কোথাও লিখেছি কি ? আমি বলেছি উনি "কী" বানানটি এভাবেই লিখেছেন । যদি বানান ভুলের কথা বলেন তাহলে বলি, বানান সম্পর্কে যে আমার জ্ঞানের অভাব আছে সেটা বোধহয় পাঠক অনেক আগেই বুঝতে পেরেছেন ।
3 । সৌদি বাদশাহ সম্পর্কে যা বলেছেন তা যে শুধু মাত্র উনার ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞানের অভাবের ফল সেটাতো অন্তত বুঝতে পেরেছেন ? না কি ? তবুও বলি, ইসলামে আল্লাহ হচ্ছেন দো' জাহানের মালিক । রাসুল তার প্রেরিত পুরুষ । মুসলমানরা তার অনুসা রি । মুসলিম জাহানে আর কোন বাদশাহের অস্তিত্ব নাই । আর হজ্জের টাকার কথা বলছেন ? সৌদি বাদশাহ কেন হজ্জের টাকা মুসলিম বিশ্বে বন্টন করতে যাবেন বুঝলাম না । আপনি দেন নাকি আপনার গডফাদাররা আপনাকে যে টাকা দেয় তার ভাগ আপনার নাস্তিক অথবা ইসলাম বিরোধী দোশরদের ?
4 । সালমান রুশদী'র "শয়তানের কাব্য" আমি পড়েছি কি না তার উত্তর সমালোচকের কাছেই আছে আশা করি । প্রকৃত পক্ষে ঐ সময়টায় যারা বইটি পড়েননি তারাও বিভিন্ন কলামে রুশদী সম্পর্কে পড়তে পড়তে হয়ে গেছেন এক একজন পন্ডিত । আর সমালোচককে বলব, যিনি কবি অর্থ জানেন না তার পক্ষে কাব্য চর্চা করতে চাওয়াটা কি একটু বাড়াবাড়ি নয় ? সালমান রুশদি ঠিক কি লিখেছেন তা পর্যালোচনা করার আগে ইসলাম সম্পর্কে আর একটু পড়া লেখা করে নেয়াটা কি বেটার না ? তা অযথা তর্ক করতে চাইলে অবস্য ভিন্ন কথা । এবার আপনার কথার জের ধরেই স্রেয়শী বসুকে বলি, আমার কলাম পড়ে আপনি আপনার কলামে সমালোচনায় যা লিখেছেন তাতে আমার প্রস্নের জবাব কিন্তু দেননি । নাকি চাননি পাঠক আপনার সরুপটা চিনে ফেলুক ? নোংরা কথা বলাটা আসলে আপনাদের স্বভব । কেননা প্রস্নের জবাব দেননি ঠিকই কিন্তু নোংরা কথাগুলো চালিয়ে গেছেন । আর লেখা যে আপনি চালিয়ে যাবেন সেটাতো জানাই ছিল । তবে দুঃক্ষ একটাই এখানে কর্তৃপক্ষের নাকের ডগার উপর দিয়ে গরম *** রাও লিখতে পাড়ছে । আর কর্তৃপক্ষ ঘুমাচ্ছে নাকে খাটি সরিষার তেল দিয়ে । তার উপরে আপনিতো আবার গডফাদারের লোক । আপনার লেখা কে ঠেকায় ?
এবার আপনার একটা তর্কের জবাব দেই । ধর্মের বোরখা দিয়ে যাদেরকে মুড়েছে তারা কিন্তু আপনার মত এমন নোংরা ভাষায় তর্ক করছে না । তর্ক করছেন আপনাদের মত মেয়েরা যারা ইউরোপিয় কালচারের ঐ দিকটাকেই বেশি পছন্দ করেন যে দিকটাতে শুধু উলঙ্গ হয়ে অন্যের দৃষ্টি আকর্ষন করা যায় । সে উলঙ্গতা বসনেই হোক আর ভাষাতেই হোক কিংবা হোক আচরনে । তবে আপনার প্রতি করুনা করেই বলছি, বাঙ্গালি নারী কে আপনি আর যাই করুন না কেন আপনার মত অশ্লি্লল বানাতে পারবেন না । কারন যে ধর্মেরই হোক না কেন তারা মা, বাবা, ভাই, বোন, বন্ধু-বান্ধব, পাড়া-প্রতিবেশি নিয়ে এক সমাজে বাস করে । আপনাদের মত নোংরামি করার কথা তারা কল্পনাও করতে পারে না । আর আপনাদের মত মেয়েদের বাঙ্গালিরা কি বলে জানেন তো ? না জানলে আলাদা করে জেনে নেবেন ।
সবশেষে আপনাকে একটা কথা বলি, এসব নোংরামি করে এখানে কোন ফয়দা হবে না । হয়ত ব্লগের পরিবেশ কিছুটা নোংরা হবে । তবে যেহেতু আমরা মেনেই নিয়েছি যে আপনারা "লাথ্যি খাবেন তবু গাট্টি ছারবেন না" সেহেতু আপনাদের নিয়েই আমাদের পথ চলতে হবে । কি আর করা ।
*** সিন্দাবাদের ভূত ।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ ভোর ৪:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



