মাঝে মাঝে হলিউড এর মুভিগুলোতে দেখা যায় বিশাল বড় স্পেসশিপ নিয়ে দিনের পর দিন মহাকাশে অবস্থান করা, নতুন কোনো গ্রহের খোজে অথবা এক্গ্রহ থেকে অন্য গ্রহে যাওয়া এসব নিতান্তই মামুলি ব্যপার। তবে এই বিষয়গুলো যদিও বা অল-রেডি শুরু হয়ে গেছে তবে এবার পৃথিবীতেও সে রকম বড় আকাশ যান নিয়ে দিনের পর দিন ভ্রমন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে মানুষ। তারা যদিও বা ভ্রমন পিপাসু বা যুগান্তকারী যাই বলেন তারা কিন্তু পৃথিবীকে ক্ষতি করে এসব করতে চাইছে না যার প্রমান মেলে এই নতুন আবিস্কারে ..."তেলহীন সৌর বিমান"

বর্তমানে এই বিমানটি বিশ্ব ভ্রমণের সপ্তম পর্বে চীন থেকে হাওয়াই যাওয়ার পথে প্রশান্ত পাড়ি দিচ্ছে । একমাত্র সূর্যের আলো থেকে পাওয়া শক্তি ব্যবহার করেই উড়ছে এটি। সৌরশক্তিচালিত বিমান নিরাপদে উড্ডয়নের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে "সোলার ইমপালস-২" নামে বিশ্ব ভ্রমণে বের হয় বিমানটি।বিমানটি নিয়ে প্রশান্ত মহাসাগর পাড়ি দিচ্ছেন পাইলট আন্দ্রে বোর্সবার্গ। গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য একটানা পাঁচ থেকে ছয় দিন বিমান উড়াতে হবে তাকে। এই সময়ের বেশির ভাগাই তাকে জেগে থাকতে হবে। বিমানে তিনি একাই আছেন। মোনাকোতে স্থাপিত একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে বোর্সবার্গের বিমান উড্ডয়নের ওপর নজরদারি করা হবে। এখান থেকে আবহাওয়াবিদ এবং ফ্লাইট বিশেষজ্ঞরা অপেক্ষাকৃত ভালো রুট দিয়ে বিমান চালানোর জন্য তাকে প্রতিনিয়ত নির্দেশনা দিয়ে যাবেন।

বিমানটি বিশ্ব ভ্রমণের সপ্তম পর্বে চীন থেকে হাওয়াই যাওয়ার পথে প্রশান্ত পাড়ি দিচ্ছে। একমাত্র সূর্যের আলো থেকে পাওয়া শক্তি ব্যবহার করেই উড়ছে বিমানটি। মার্চ মাসে দুবাই থেকে বিশ্ব ভ্রমণ শুরু করে সোলার ইমপালস-২। এর আগে ছয় পর্বে কয়েকটি রুটে ঘুরে চীনের নানজিংয়ে অবতরণ করে এটি। মহাসাগরে আবহাওয়া ভালো না থাকায় সেখানে প্রায় এক মাস বসিয়ে রাখা হয় বিমানটিকে। বিমানটির উড়তে শুধু ভালো আবহাওয়া হলেই হয় না, প্রয়োজন হয় মেঘমুক্ত আকাশ।

কারণ এর ডানায় ১৭ হাজার ফটোভোলটিক কোষ সূর্য থেকে চার্জ সংরক্ষণ করে, যার শক্তিতে উড়ে চলে এটি।ধারণা করা হচ্ছে এই আবিস্কার সফল হলে আকাশে পারি দেবার বা উড়ার বিষয় টি আরও সহজতর হবে। যা হবে মানব কল্যাণে আরো একটি বিশাল অবদান ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে মে, ২০১৫ বিকাল ৫:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



