কবি জীবনানন্দ দাসের “বনলতা সেন”,
আমি তাঁকে দেখেছিলাম কবির চোখ দিয়ে-
তাঁর “বনলতা সেন” কবিতায়। আমি খুব নিবিষ্টচিত্তে
পড়েছিলাম বনলতা সেন, আর তখন থেকেই আঁকতে চেষ্টা
করেছিলাম তার প্রতিকৃতি, তার প্রতিটি ভঙ্গিমা। নিজের অজান্তেই
হঠাৎ একদিন জীবন্ত হয়ে গেল সেই বনলতা সেন আমার ভাবনায়,
আমার চেতনায়। বনলতা সেন নিত্য হেঁটে বেড়ায় আমার পড়ার বইয়ে,
কবিতার খাতায়, কবিতার প্রতিটি পংক্তিতে, উপমায়, বর্ণনায়। আমিও
কবি হয়ে যাই। অথচ কবি নই, আমার কবির মত সেই চোখ নেই।
আমার ভাবনার সেই বনলতা সেন আজ অবধি রয়ে গেল সবার
চোখের আড়ালে। সে কোন কবিতায় নেই, সে কোন ছবিতে
নেই, নেই সে কোন উপমায়, নেই সে কোন বর্ণনায়। তবুও
নিঃসঙ্কোচে বলতে পারি- কবির মত আমারও ঠিক তেমনি
একজন বনলতা সেন আছে। সে থাকে শব্দের ভেতর,
নিরন্তর সে আমার হৃদয়ে শব্দের ঢেউ তোলে। সেই
শব্দে আমি টের পাই এইতো বেঁচে আছি। বনলতা
সেনরা এমনি করেই সব কবিকে বাঁচিয়ে রাখে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


