
আমি বিশ্বাসী মানুষ। আমার আল্লাহর দিদারে বিশ্বাস আছে। আল্লাহর সাথে আমার দিদার হয়েছে চার বার। প্রথমবার আমি স্বপ্নে দেখলাম হাসরের মাঠ। পূর্বে জাহান্নামের গভীর খাদ। খাদের উত্তর পাড়ে ট্যালির চালের বস্তি ঘরের বিশাল বস্তি এলাকা।লোকে লোকারণ্য মাঠের পশ্চিম দিকে একটা এলাকা খালি। ঐ এলাকার সবদিকে অদৃশ্য প্রতিবন্ধক। প্রতিবন্ধকের উত্তর পাশেই আমি দাঁড়িয়ে। আমি বুঝলাম খালিস্থানেই আল্লাহর আরশ এবং ফেরেশতা সব আছেন। সেই স্থানে এক দল লোককে ধরে আনা হলো। যারা ধ ের আনলো তাদেরকে দেখা যাচ্ছে না। যাদেরকে ধরে আনা হলো তারা খুব ভীত-বিহ্বল ছিল। আল্লাহ তাদেরকে বললেন, তোমাদের জন্য জাহান্নাম বরাদ্ধ। তবে জাহান্নাম পাড়ের বস্তি এলাকায় তোমরা থাকলে থাকতে পার।তারপর লোকগুলোকে ছেড়ে দেওয়া হলো। তারা হুড়-মুড় করে বস্তি এলাকার ঘর সমূহে প্রবেশ করলো। তারপর বস্তি এলাকা জাহান্নামে নেমে গেল। আমি তখন বললাম, হে আল্লাহ আপনি এটা কি করলেন? তখন আল্লাহ বললেন, পৃথিবীতে এরা আমার সাথে তামাসা করতো, আমিও তাদের সাথে তামাসা করলাম। তারপর আমি জেগেগেলাম। আমি আরশ, ফেরেশতা ও আল্লাহকে দেখিনি, তবে আল্লাহর কথা শুনেছি।
আল্লাহর সাথে আমার দিদারের দ্বিতীয় বারে আমি স্বপ্নে দেখলাম, আল্লাহ বলছেন, আমি নূর এবং আমার পোশাক নূর, সেজন্য আমি নূরুন আলা নূর (আলোর উপর আলো)।কিন্তু আমার নবি নূর হলেও তার পোশাক নূর নয়, সেজন্য তাকে আনতা নূরুন ফাওকা নূরে (আপনি আলো আলোর উপর) বলা যাবে না। এখানেও আমি আল্লাহকে না দেখে তাঁর কথা শুনেছি। জেগে বুঝলাম যারা মীলাদ পড়ে তাদের কিছু কথায় আল্লাহ বিরক্ত।
আল্লাহর সাথে আমার দিদারের তৃতীয় বারে আমি দেখলাম, আল্লাহ বলছেন, আমি কিভাবে হয়েছি আমি সেটা জানি না। জেগে আমি বিষয়টা ভাবার চেষ্টা করলাম। আসলে কেউ জানে না সে কিভাবে হয়েছে। যারা কারো জন্ম দেখে তারা বলে কেউ কিভাবে হয়েছে।আল্লাহর পূর্বে কেউ না থাকায় তাঁর হওয়া দেখে তিনি কিভাবে হয়েছেন এটা বলার মত কেউ ছিল না। প্রথমত আল্লাহ দেখেছেন তিনি ছাড়া আর কিছু নাই। তারপর তিনি দেখেছেন তিনি ছাড়া আর কিছু হচ্ছে না। তারপর সব কিছু তিনি সৃষ্টি করেছেন বিধায় তিনি জানেন অন্যরা কিভাবে হয়েছে।
আল্লাহর সাথে আমার দিদারের চতুর্থ বারে আমি দেখলাম, আরশে আজিমে বিশাল বড় শূন্যস্থান পর্দায় আমার আল আসমাউল হুছনা সনেট কাব্যের কবিতা সমূহ প্রদর্শিত হচ্ছে। আমি মাউস নাড়িয়ে কবিতা স্ক্রল করতে চাইলাম। তখন আমি দেখলাম আমার স্ক্রলে কাজ হচ্ছে না। তথাপি কবিতা স্ক্রল হচ্ছে। তখন আমি বুঝলাম আল্লাহ নিজেই স্ক্রল করে আমার কবিতা পড়ছেন।এবার আমি আল্লাহকে দেখিনি এবং তাঁর কথাও শুনিনি তবে তাঁর কাজ অনুভব করেছি। যাদের আল্লাহ বিশ্বাস নাই তারা এটাকে অন্যভাবে ব্যখ্যা করে। সেটা তাদের বিষয়। আমার আল্লাহতে বিশ্বাস আছে। সুতরাং তাদের অবিশ্বাসের সাথে আমার বিশ্বাস মিলে না।
ইসলাম বিষয়ে আমি চার হাজারের বেশী পোষ্ট দিয়েছি। হয়ত সেজন্য আল্লাহ আমাকে দিদার প্রদান করেন। কারণ ইসলাম বিষয়ক পোষ্ট দিতে গিয়ে আমি প্রচুর খাটা-খাটনি করি। আমার স্ত্রী ও কন্যগণ রাসূলকে (না.) স্বপ্নে দেখেছে। রাসূলকে (সা.) আমিও চারবার স্বপ্নে দেখেছি। আমার ছোট কন্যাও একবার আল্লাহর দিদার পেয়েছে। আমার লেখালেখিতে তাদের অনেক ডিস্টার্ব হলেও তারা আমার বিরোধীতা করে না। আল্লাহ আমাকে অনেক রহমত করেছেন সেটার ভাগ তারাও পেয়েছে। তারা আশায় আছে আল্লাহ আমাকে আরো রহমত করবেন এবং সেটার ভাগও তারা পাবে। এখন আমি দৈনিক বিশ-ত্রিশটা বড় গ্রুপে পোষ্ট দিয়ে থাকি। এক গ্রুপে আমার পয়েন্ট ছয় লক্ষের বেশী এবং এক গ্রুপে আমার পয়েন্ট চার লাখের বেশী্ সেই গ্রুপে আমি আবার মডারেটর। আমার লেখা কেউ পড়ুক বা না পড়ুক সেটা বিষয় নয়, আমি ইসলাম বিষয়ে কি রকম ভেবেছি সেটা অন্যদের জন্য দৃষ্টান্ত।আল্লাহ তাদেরকে বলবেন তারা আমার মতকরে ইসলাম বুঝার চেষ্টা করেনি বলেই তারা ইসলাম বুঝেনি। কেউ ইসলাম না বুঝলে সেটা আল্লাহর সমস্যা না, সেটা তার সমস্যা। যারা ইসলাম বুঝলো এবং মানলো আল্লাহ তাদেরকে জান্নাত দিয়ে দিবেন এবং যারা ইসলাম বুঝলো না এবং মানলো না তাদের জন্য জাহান্নাম বরাদ্ধ। তাতেই বুঝা যায় কেউ ইসলাম না বুঝা ও না মানায় মূলত আল্লাহর কোন সমস্যা না।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


