somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

অপলক
আমি সাদামাটা মানুষ। ভালবাসার কাঙ্গাল। অল্পতেই তুষ্ট। সবাই আমাকে ঠকায়, তবুও শুরুতে সবাইকে সৎ ভাবি। ভেবেই নেই, এই মানুষটা হয়ত ঠকাবেনা। তারপরেও দিনশেষে আমি আমার মত...

তারেক রহমান: বগুড়ায় খাল খননের কিছু নেই, হসপিটালের অবস্থা দেখেন এখানে

২০ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আমি যাকি বলি God Gifted Surprise Prime minister আজ (২০এপ্রিল২০২৬) বগুড়া সফরে এসেছিল। অপ্রয়োজনীয় এজেন্ডা বেশি যা তার অদূরদর্শীতার পরিচয় দেয়।

বগুড়াতে খাল খননের কিছু নেই। এখানে ডিগ্রি কলেজ কে সরকারী কলেজ করার কিছু নেই। প্রেসকেলাব কে নতুন করে সাজানোর কিছু নেই। এগুলো বগুড়াকে অর্থনৈতিকভাবে সচল করবে না। নগর বাসীর জীবন মান উন্নয়ন করবে না। সিটি করপোরেশনের কারনে এখন সবকিছুর কর বাড়বে কিন্তু সেবা বাড়বে না। এটা আমার অভীঙ্গতা থেকে বললাম। এমনকি আমি চ্যালেন্জ করতেও প্রস্তুত।

তারেক সাহেবের উচিত ছিল:
১. সিটি করোপরেশন না করে নগরের রাস্তা চওড়া করা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন যেটা শুরু হয়েছে, তা দ্রুত শেষ করা।
২. এয়ারপোর্টকে আন্ত-বানিজ্যিক এয়ারপোর্টে দ্রুত চালু করা।
৩. জিয়া শিশু ফাউন্ডেশন কে দ্রুত আধুনিক শিশু হাসপাতালে রুপান্তর করা।
৪. শহরে অটোরিক্সা, পা চালিত রিক্সা, ব্যাটারী রিক্সা বন্ধ করে টাউন সার্ভিস বাস চালু করা।
৫. দূর পাল্লার বিআরটিসি বাস সার্ভিস বাড়ানো।
৬. বিসিক এবং অন্যান্য ভারি শ্লিপের উপর নজর দেয়া।
৭. মোহাম্মদ আলী হসপিটালের মত জিয়া মেডিকেলকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যবস্থা করা এবং একই সঙ্গে জিয়া মেডিকেলকে আধুনিক মেডিকেলে রুপান্তর করা।

নিচে আমি কিছু বর্তমান চিত্র তুলে ধরছি, যা দেখলেই বুঝবেন কতটা নিম্ন চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়। তার আগে এটা বলছি, এখানে শুক্র-শনিবার ইর্ন্টানি ডাক্তার ছাড়া এবং গুটি কয়েক নার্স ছাড়া কেউ দায়িত্ব পালন করেননা। সপ্তাহের বাকি ৫ দিন ডিউটি ডাক্তাররা কোন কোন দিন রাউন্ড দেন, আউটডোরে রুগি দেখা বাদ দিয়ে। আউটডোরে যারা রুগি দেখেন, তারা ৯-২ টা পর্যন্ত রুগি দেখার কথা থাকলেও, আসেন দেরিতে, অফ যান আগে ভাগে। এর ভেতরে থাকে মেডিকেল রিপ্রিজেনটিভদের এপয়েন্টমেন্ট, কলিগদের সাথে গল্প আড্ডা এবং নাস্তার ব্যাপার। ডাক্তার এবং নার্সদের ডিজিটাল এন্ট্রি সিস্টেম থাকা দরকার এবং একই সাথে সিসি ক্যামেরায় মনিটরিঙের ব্যবস্থা থাকা এখন সময়ের দাবি। চিকিৎসা সেবা না পেলে রুগিরা ঢাকামুখী হবেই, প্রতারনার শীকার হবেই।

আমি নিজেই জরুরি বিভাগে রাত ১১টায় গিয়ে কোন ডাক্তার পাইনি। ১ ঘন্টা পর এসেছিল ইন্টারনী ডাক্তার। তাও প্লাস্টার গজ ছিল না, নার্সদের হাতে ছিল না কোন গ্লভস।

প্রায় প্রতিটা ওয়ার্ডের পাশে এই অবস্থা:




বাথরুমের টয়লেটে ঢোকা যায় না, তাই কেউ কেউ বেসিনের পাশে মল ত্যাগ করে ফেলেছে। টয়লেটের ভেতরে পা ফেলার জায়গা নেই।




পান প্রিয় বাঙ্গালী রক্ত বর্ণের পিক ফেলে দেয়ালের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে। তারচেয়েও বড় কথা ফায়ার সিলিন্ডার গুলো ওয়ার্ড বা কেবিন থেকে বহু দূরে এমন চিপায় ফেলে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে কাজে আসবে না শতভাগ নিশ্চিত।



৪ তলা থেকে নিচের সুয়ারেজ লিকেজের ছবি। যে মাছি এই গুয়ের উপর বসে, সেটা রুগির অপারেশনের জায়গা বা ঘায়ের উপরেও বসে।



যেদিকে চোখ যায়, ময়লার স্তুপ। সেটা সানসেট হোক আর গ্রাউন্ড ফ্লোর হোক বা দুই ব্লিডিঙের মাঝের খালি জায়গা হোক।



হরেক রঙের বিড়াল। কখনও রুগির খাবারে মুখ দেয় তো কখনও রুগির বিছানায় ঘুমায়।



এভাবেই ওয়ার্ড বা কেবিনে ভর্তিকৃত রোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত সেলাইন, ইনজেকশন বা অন্যান্য ওষুধ ফেলে রাখা হয়। নার্সরা এসে এসে সিট অনুযায়ী সেলাইন/ওষূধ নিয়ে যায়।



দিনের কোন এক সময় আসা বরাদ্দকৃত ওষূধ এভাবেই খোলা জায়গায় পড়ে ছিল ২ দিন। কেউ দেখার নেই। মাথায় করে কেউ এক প্যাকেট নিয়ে গেলেও বুঝবে না। তা না হয় হলো, কিন্তু আউটডোরে ডাক্তার ৩ দিনের ওষুধ দিলে কাউন্টার থেকে দেয় ১ দিনের। এমনও শুনতে হয়েছে, প্রতিদিনেরটা নাকি প্রতিদিন নিতে হবে। মানে একটা রুগিকে গাড়িভারা করে অসুস্থ অবস্থায় ১০ টাকার ওষুধ নিতে আসতে হবে ৩ দিন। তারউপর বেশির ভাগ সময় বলেন, এই এই ওষুধের সাপলায় নেই। টোকেন নিয়ে নেয়। তাই রুগিরা পরের দিন এসে আর ওষুধ পায় না। অর্থাৎ সরকারের খাতায় ৩ দিনের ফুল কোর্সের ওষুধ লেখা হয় কিন্তু রুগি পায় ১ দিনের যদিও বা ভাগ্যক্রমে ওষূধ থাকে...

সর্বশেষ এডিট : ২০ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১০:১৭
১১টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

যে বিলের কোনো রসিদ নেই

লিখেছেন রাজসোহান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:২৪



ঢাকার পাইপলাইন গ্রাহকদের একটা বড় অংশ এই জুলাইয়ে জানিয়েছেন, দিনে এক থেকে দুই ঘণ্টার বেশি গ্যাস তাঁরা পান না। সেই এক-দুই ঘণ্টাও আসে গভীর রাতে কিংবা ভোরের আগে। ফলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অবস্থার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:৩২


বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ: মধ্যপ্রাচ্যনির্ভর রেমিট্যান্স কৃষিভিত্তিক শিল্পায়ন ও টেকসই উন্নয়নের বিকল্প কৌশল
একটি অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক ফিজিবিলিটি স্টাডি।

একটি ধারাবাহিক গবেষনামুলক পোস্ট : পর্ব- ১

ভুমিকা
১.১ গবেষণার পটভূমি
একবিংশ শতাব্দীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছাত্রদলকে সামলাতে না পারলে ক্যাম্পাসগুলো সহিংসতায় পূর্ণ হবে।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:০৮


রাতে রংপুর, সকালে জগন্নাথ। আজকে জগন্নাথে ছাত্রদলের হামলার শিকার একযোগে সব বিরোধী দল। এসব কি ছাত্রদলের কাজ? নাকি ছাত্রদলের ভেতর ছাত্রলীগ প্রবেশ করেছে? জকসু জিএসের জীবন আশংকাজনক। দেশে যখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার প্রিয় ২৬টি পোস্ট; যেগুলো আপনারও ভালো লাগতে পারে

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:১৭

গ্যাস নিয়ে গ্যাসলাইটিং: কোনটা আসল সংকট, কোনটা কৃত্রিম?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:২১


বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা কী, এই প্রশ্ন করলে সবাই একবাক্যে বলবেন গ্যাস সংকটের কথা। বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে গেছে, ফলে লোডশেডিং বেড়েছে বহুগুণ। কলকারখানা হোক বা বাসাবাড়ি, মানুষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×