এই শহরে প্রতারক নিষিদ্ধ
- কালপুরুষ
এই শহরে প্রতারক নিষিদ্ধ,
নিষিদ্ধ মুখোশাবৃত মনুষ্য অবয়ব;
এমন ঘোষণা সত্যান্বেষণে দৃঢ় পদক্ষেপ,
বিকারগ্রস্থ মানুষের তরে এক শুদ্ধি অভিযান।
রাতের শেষে সূর্যোদয়, কাকের কর্কষ ধ্বণি,
রাজপথে আবর্জনার গাড়ী, সুইপারদের কর্মব্যস্ততা,
জীবনের দামে কিনে নেয় জীবিকা।
তবুও মৃত্যুর ভয় নেই প্রতারকের চোখে,
স্বপ্ন দেখে- এক নষ্ট জীবনের প্রতিচ্ছবি।
চারিদিকে প্রার্থনার গুঞ্জন,
উপাসনালয়ে মানুষের ভীড়;
সত্যের পথ খুঁজতে হেঁটে চলে
নিঃসঙ্গ প্রতারক-কোথায় সেই তীর্থস্থান?
তোষামোদকারী যারা পাশে ছিল এতকাল-
কেটে পড়ে রাতের আঁধারে,
অশুভ কালোছায়া ছেঁকে ধরে আষ্টেপৃষ্ঠে;
পালাতে হবে দ্রুত, প্রতারণার দায়ে
কঠিন মূল্য দিতে হবে এই ভয়ে।
অসীম শূন্যতা রেখে যায় বুকে
পূণ্য পালায় অগোচরে।
কিষাণের লাঙ্গলের ফলা গেঁথে বসে
পতিত জমির বুকে।
শ্রমিকের হাতুড়ির ঘায়ে কেঁপে ওঠে নগরী।
আকাশ বিদীর্ণ করে ওঠে হাহাকার-
প্রতারক এবার তোর নেই কোন নিস্তার।
শাসক বদলায়, বদলে যায় সিংহাসন।
বদলের ডাক শুনে ভয়ে কাঁপে প্রতারক,
সচকিত হয়ে ওঠে নিজ কৃতকর্মে।
সত্যের বাণী বয়ে যায় রক্তের স্রোতে;
বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ভাবে-
কোথায় আমার সেই ঈশ্বর!
আমি প্রতারক, তবুও একটি বারের জন্য
ক্ষমা করে দাও হে ঈশ্বর।
বিঃ দ্রঃ এই লেখার সাথে কারও কোন লেখার মিল খুঁজে পেলে সেটা নেহায়েত কাকতালীয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





