রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তেমন সুবিধা করতে পারেনি বাংলাদেশ। বন্ধু এবং শত্রু চিনতে ভুল করেই চলছে বাংলাদেশ। এই ভুলের চিত্র কেউ প্রকাশ না করে বরং ভুলকেই শুদ্ধ বলে চালিয়ে যাচ্ছে কিছু চাটুকার।সব মিলিয়ে ব্যর্থতা এখন দিনের আলোর মত পরিস্কার। সরকারেরর যা করা উচিৎ ছিল তা করতে পারেনি। উল্টা প্রকাশ পেয়েছে রাজনৈতিক এবং সামরিক ভাবে দেশের কাঠামো খুবই দূর্বল। মিয়ানমার পাত্তা দেয়নি এসব কারেণই। যদিও সরকার প্রচারের চেষ্টা করছে We have lot of achievement.
কি করা উচিৎ ছিল সেটা হয়তো আমার চেয়ে ভাল বোঝার কথা ছিল সরকারের। তবুও বলি সরকারের চেষ্টার ভেতরে ভাল একটা স্টেইপ ছিল জাতিসংঘে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে বলা। তবে ট্রাম্পের কাছে এভাবে বলাতে কোন অর্জন নেই বরং আত্মসম্মানের বিসর্জন ছিল। সরকারকে প্রথমে চিন্তা করা উচিৎ ছিল বিশ্বের ক্ষমতাধর রাষ্ট্রের কাছে রোহিঙ্গা নির্যাতনের চরম বার্তা তুলে ধরা। প্রধানমন্ত্রী এবং স্মার্ট পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোঃ শাহ্রিয়ার আলম এই বার্তা বিশ্বে প্রচার করলে তুমুড় সাড়া ফেলতো। সুন্দর এবং বিচক্ষণ কথাবার্তায় শাহরিয়ার আলমের মমত যারা আছেন তাদের নিয়ে সফর করা। সেক্ষেত্রে চীনদেশ, রাশিয়া, ফ্যান্স, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানিসহ মানবধিকার রক্ষিত দেশে রোহিঙ্গাদের নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরা যেত। মানবধিকার নিয়ে যারা কাজ করে তাদের মাধ্যমে রোহিঙ্গা ইস্যু প্রতিনিয়ত তুলে ধরা।
পৃথিবীর যেখানে বাংলাদেশী মানুষ আছে তাদের সাথে সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে যোগাযোগ করে সংঘটিত করে রোহিঙ্গা নির্যাতনের অমানবিক দৃৃশ্য ভিজুলাইজ আকারে প্রচার করতে হবে। রোহিঙ্গাদের ধর্ষণ, খুনসহ নির্যাতনের করুন দৃশ্য নিয়ে ইংরেজি ভাষায় প্রমান্য চিত্র তৈরি করে ইন্টারন্যাশনাল টিভি চ্যানেলগুলোতে পাঠাতে হবে। পাশাপাশি ইউটিউব চ্যানেলেও প্রামান্য চিত্র প্রকাশ করা উচিৎ। যোগাযোগ করতে হবে সারাবিশ্বের সাথে। সবাই দেখবে কিভাবে মানবতা খুন হচ্ছে মিয়ানমারে। অবশ্যই সফলতার মুখ দেখবে বাংলাদেশ।
এতক্ষন পড়ে হয়তো মনে হতে পারে তাহলে সরকার কিছুই করছে না? হ্যা করছে। কিভাবে কাকে কোন কাজ করতে হবে এই সমন্বয় সরকারের ভেতরে নাই। এজনই ভালো রেজাল্ট আসছে না।
যোগ্য কুটনৈতিক তৎপরতা এবং মিয়ানমারের সামরিক হুমকি কৌশলে মোকাবেল করতে হবে। চুপ করে থেকে মোকাবেলা হয় না। স্ট্রং ভয়েজে বোঝাতে হবে বাংলাদেশ দূর্বল না। বাংলাদেশ শান্তি চায় যুদ্ধ নয়।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৪:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



