ক'দিন থেকে দেখতে পাচ্ছি এদেশের সাধারণ মানুষের গত ৩৬ বছরের প্রাণের দাবীর সঙ্গে রাজনীতিজীবীরাও বলতে শুরু করেছেন তারাও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবী করেন। শুনেই আমার খটকা লাগতে শুরু করল। এমনকী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বললেন, বঙ্গভবনে জামাত দাওয়াত পেলে তারা যাবেন না। ভাল কথা। কিন্তু তারা যখন ক্ষমতায় ছিলেন তারা কি জামাত বর্জন করেছিলেন? না করেন নি। মান্নান ভুঁইয়াও আজ দেখলাম রাষ্ট্রপতিকে বলেছেন জামাতকে বিচারের মুখোমুখি করতে। দাবী শুনে আমি কাঁদব না হাসব বুঝতে পারলাম না।
একটা ব্যাপার বুঝতে পারছি না, ইয়াজউদ্দিনের কাছ থেকে আওয়ামীলীগ বা বিএনপি এমন প্রত্যাশা কেন করবে, যেখানে তারা কেউই জামাতের সাথে হানিমুনে যেতে দ্বিধা করেনি। বিএনপি তো জামাত সঙ্গম করলে তারা ধৌতকরণের জন্য বদনায় পানি নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকত। আর আওয়ামীলীগ তো জামাতের সঙ্গে বহুবারই একত্র বিহার করেছে। হাসিনা তো গোলাম আযমের সঙ্গে একান্ত আলাপেও দ্বিধা করেনি। ক্ষমতা এমনই এক মোহ যে তা মাতৃধর্ষণের অপরাধকেও ক্ষমা করে মিলিত হতে দ্বিধা করে না। আমি মনে করি, ধর্ষণকারী জামাত যে দোষে দুষ্ট সে ক্ষমাহীন আপরাধের সহযোগী হিসাবে বিএনপি আওয়ামীলীগ সমান ভাবে অপরাধী। সুতরাং ঐসব নষ্ট রাজনীতিবিদদের কাছ থেকে বাংলার মানুষের প্রত্যাশার কিছু নেই। রাজাকারদের বর্জন এবং তাদের অপরাধের বিচার এদেশের মানুষকেই করতে হবে। তারাই পারে ঐ সকল শাখামৃগ, শৃগাল ও হায়েনাদেরকে বর্জন করে আস্তাকুঁড়েয় নিক্ষেপ করতে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


