somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

অপলক
আমি সাদামাটা মানুষ। ভালবাসার কাঙ্গাল। অল্পতেই তুষ্ট। সবাই আমাকে ঠকায়, তবুও শুরুতে সবাইকে সৎ ভাবি। ভেবেই নেই, এই মানুষটা হয়ত ঠকাবেনা। তারপরেও দিনশেষে আমি আমার মত...

ধর্ষক-ধর্ষণ-ধর্ষিতা: কুলকিনারা নেই, ধর্ষিতাকে দেয়া উচিত আজীবন রাষ্ট্রীয় ভাতা

১৯ শে অক্টোবর, ২০২২ সকাল ৯:৫৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১৯৭১ এ প্রায় ২ লক্ষ নারী ধর্ষিত হয়েছেন। তাদের কেউ কেউ বিরঙ্গনা উপাধি পেয়েছেন। যারা পায়নি তার ব্যর্থতা সরকারের। কিন্তু বর্তমানে যে পরিমান ধর্ষণ ঘটছে তার অবস্থা ভয়াবহ।

দৈনিক পত্রিকায় / মিডিয়ায় গড়ে ১১ টা ধর্ষণের খবর প্রকাশিত হয়। খবরে সেটাই আসে যেটা সাংবাদিকরা জানতে পারেন। তাও সব সময় না। কারন:
১. ধর্ষিত নারী বা তার পরিবার মান সন্মানের ভয়ে বিচারের মুখোপেক্ষী হন না
২. ধর্ষকের পক্ষে ভয় দেখানো হয়
৩. আইনের রক্ষকরা বিচারের বিরুদ্ধে থাকেন বা নিরুৎসাহিত করেন
৪. টাকা পয়সা দিয়ে ভেতরে ভেতরে মিটমাট করা
৫. ব্যক্তিগত লোভ লালসায় পড়ে
৬. দৈহিক সুখ ও নৈতিকতার বিসর্জন
৭. কোন না কোন সুবিধা আদায় বা অনন্যোপায় হয়ে নিজেকে সপে দেয়া এবং চুপ থাকা
৮. স্বামীর দ্বারা অন্য ব্যক্তিকে দিয়ে ধর্ষণ। সংসার টিকিয়ে রাখতে চুপ থাকা। (পরিবারের চাপাচাপিতে মনের বিরুদ্ধে বিয়ে করা। এটাও কিন্তু একপ্রকার ধর্ষণ। কিন্তু এটা পুরুষ সমাজ মানতে নারাজ। তাই এই প্রকারটাকে বাদ দিলাম।)
৯. কর্মস্থলে ধর্ষণ। চাকরি চলে যাবার ভয়ে চুপ থাকা।
১০. ধর্ষণের লজ্জায় অনেক ক্ষেত্রে সুইসাইড করে। তখন খবর হয় সুইসাইডের, ধর্ষনের নয়।
১১. অনাকাঙ্খিত ধর্ষণ ঘটনা, যার কোনই প্রমান থাকে না। প্রমান ছাড়া আইন কাঠের পুতুল। ভবিষ্যৎ ভেবেই ধর্ষিতা যান না থানায়, জানান না কাউকেই।

ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি... আরও কারন থাকতে পারে। এখন মাথায় নেই...


মিডিয়ায় যা আসে তা যদি দশ ভাগের এক ভাগ হয়, তাহলে একটা সাধারণ হিসাব করি:

দৈনিক ২০টা ঘটনা X ৩৬৫ দিন X ১৫ বছর=১,০৯,৫০০ প্রায়। এটার ১০ গুন হলে প্রায় ১১ লক্ষ একক ঘটনা।

কেউ কেউ একাধিক বার ভিন্ন ভিন্ন সময় ধর্ষিত হয়ে থাকেন। এছাড়া বালক বা ছেলে শিশুরাও ধর্ষিত হয়। তারা এই সমীকরণে নাই। এটা শুধু নারী জেন্ডার নিয়ে।

আমার হিসেবে কিছু উদ্দ্যোগ নেয়া যেতে পারে:
১. ধর্ষিতাদের সরকারী ভাতা আজীবন দেয়া। কারন তারা কোন সম্মানিত কর্মস্থল কখনও পায় না। তারা আজীবন একটা ট্রমার ভেতর দিয়ে যায়।
২. ধর্ষকদের NID তে বিশেষ দৃশ্যমান ট্যাগ লাগানো দরকার। তাদের ডান হাতের কজ্বির উপরে বিশেষ স্থায়ী ট্যাটু বা দাগ লাগনো দরকার। যাতে মানুষ সহজেই চেনে অপরাধীকে।
৩. আইনের ফাকফোকর বন্ধ করতে আইন নবায়ন করা দরকার।
৪. ইয়াবা বা যৌন উত্তেজক মাদক বন্ধে সাড়াসী অভিযান চালানো দরকার
৫. ফার্মসীতে প্রেসক্রিপশান ছাড়া যৌন উত্তেজক ঔষধ বা স্প্রে বিক্রয় বন্ধ করা।
৬. উপযুক্ত কর্ম পরিবেশ তৈরী করা
৭. আইনের আশ্রয় পেতে সরকারী প্রচার প্রচারনা বাড়ানো দরকার
৮. ধর্ষিতা হওয়া অপরাধ নয় বরং ধর্ষণ করা অপরাধ, এই মনোভাব সামাজিক ভাবে গড়ে তোলা। যাতে ধর্ষিত মেয়ে সহজে বিবাহিত হতে পারে, কর্মস্থান খুজে পায়, ক্রিটিছিজম থেকে দূরে থাকতে পারে।
৯. Anti-androgen ও Naltrexone ধরনের ঔষধ নিয়মিত দেয়া দরকার সেই সাথে psychotherapy, যারা চিন্হিত অবরাধী। কারন জেলখানাতেও তারা সমান তালে বিকৃত যৌনচার করতে থাকে।
১০. ব্রিটিশরা ভারতীয় উপমহাদেশে বিভিন্ন জায়গায় বেশ্যাপল্লি তৈরি করেছিল। রাস্ট্রীয় ভাবে দেশেও সরকার এমন পল্লী তৈরি করতে পারে। যেখান থেকে সরকার ট্যাক্স পাবে, সেইসাথে নিরীহ মা-বোনেরা জানোয়ারের হাত থেকে বাচবে।

আপনারা হয়ত জানেন, ঢাকার অসংখ্য হোটেল/বাসা এখন একটা একটা ব্রোথেল বা ডোমেন এর মত এই খারাপ কাজ করছে। সারা শহরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে না রেখে সরকার শহরের এককোনায় রেখে দিলে আমাদেরই ভাল। কারন কুত্তার লেজ কখনও সোজা হয়না। বিকৃত যৌনাচারীরাও এসব অবকর্ম কখনও ছাড়বে না।










সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে অক্টোবর, ২০২২ সকাল ৯:৫৮
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

প্রতিদ্বন্দ্বী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৪৮


গফুর মিয়া অভাবের তাড়নায় গ্রাম ছেড়ে ঢাকায় এসেছিল। সংসারে মানুষ মোট ছয়জন, গফুর, তার স্ত্রী আর চার সন্তান। দুই সন্তান হওয়ার পর তার স্ত্রী আর সন্তান নিতে চায়নি। সে গফুরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জজ মিয়া চিত্রনাট্য নিয়ে নির্মিত হোচ্ছে ভয়ংকর নতুন সিক‍্যুয়াল!!!

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৪:৪৭



বিএনপির পুলিশ এতো করিৎকর্মা যে চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে । খুনের তদন্ত করে একেবারে আদালতের রায় সহ রিপোর্ট দিয়ে দেয় ! পৃথিবীর সবচেয়ে আপগ্রেডেড আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখন শিলং সালাউদ্দিনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাসওয়ার্ড রিসেট করতে সমস্যা এবং ওয়েবসাইটে ক্যাপচা এরর (Invalid site key) সংক্রান্ত।

লিখেছেন চারাগাছ, ২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৭:১৪


পাসওয়ার্ড রিসেট করতে সমস্যা এবং ওয়েবসাইটে ক্যাপচা এরর (Invalid site key) সংক্রান্ত।


প্রিয় সামু সাপোর্ট টিম,
আশা করি ভালো আছেন। আমি সামহোয়্যার ইন ব্লগের একজন নিয়মিত পাঠক ও লেখক। দীর্ঘদিন ধরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কালবেলার মুগ্ধতা থেকে নবকুমারের গ্ল্যামার দুনিয়ায়

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:৪০



সমরেশ মজুমদার আমার বরাবরই প্রিয় লেখকদের একজন। কৈশোর আর যৌবনের এক বড় অংশ জুড়ে তিনি ছিলেন আমার মনোজগতে। বই কিনে পড়া, পাড়ার লাইব্রেরিতে গিয়ে বই পড়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

সরকার যদি ৩% হারে লোন দেয় দেশের প্রতিটি বাড়ীর ছাতে সৌর বিদ্যুতের ব্যবস্থা করলে বিদ্যুের কস্টের অনেকটাই কিছুটা সমাধান হইতে পারে।

লিখেছেন নতুন, ২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:০৬


দেশে বর্তমানে Net Metering Guideline–2025 অনুযায়ী অতিরিক্ত বিদ্যুৎ গ্রিডে দেওয়া যায় এবং তা বিলের সঙ্গে সমন্বয় হয়। এটা খুবই ভালো একটা ব্যবস্থা, সরকারের উচিত এটাকে আরো উতসাহিত করা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×