
ধু ধু বালুচর গড়িছে নগর
মৃত সবুজের শত অগর।
ধূলি পাঁশুটে বালু করতল
মৃদু সমীরে ধরো অবতল।
কৃষাণ এপাড়ে শস্য আলয়ে
কত সংগ্রামী যক্ষের প্রলয়ে।
গাংচিল ওপাড়ে খাদ্য খুঁজিছে
হাওর সন্ধানে গবী পালিছে।
অথৈ সিঞ্চনে শালুক কতদিন
নিতুই তুলিছে যত গৃহহীন।
খাঁ খাঁ এই শূন্য বিশাল বালুচর
বয়ে শুধু যায় নদী খরতর।
ঐ মাঠ ভরিছে পশু পাখিতে
আঁধি আঁধারে মত্ত কেলিতে।
অবাধ ডানপিঠে বিশাল এ চরে
তীর্থ গড়িছে জীবন সায়রে।
মুখর হাসিতে বঁধু যাত্রিনী
মহা মিলনের তীর্থে যোগিনী।
জানি সহসা প্রিয় চমকে
ফুঁড়ে উঠে চাঁদ শস্য ঝলকে।
ব্যাধির আলাপন জরা মৃত্যুবাণ
শিখা প্রজ্জ্বলন শঙ্কা অনির্বাণ।
সময় ব্যবধান ফুরায় সীমানা
মনের উচাটন হারায় ঠিকানা।
মুক্তা গেঁথে যায় ঝিনুক শোভন
মুছে যাক বন্ধ্যা উষ্ণ তপোবন।
সন্ধ্যা আরতি আরশি মায়াবী
অনবরত বাঙময় পৃথিবী।
আশার মহীরুহ কেকা বনিতা
ধুলার এ চরে জুরায় উষ্ণতা।
চাই না ছাড়িতে ধরার এ সৃস্টি
বিনুই মালিকা গড়ে এ পৃথ্বি।
সুন্দর পৃথিবীর কুসুম স্ফীতা
হোক না জীবনে প্রথা পুষ্পিতা।
গড়ি প্রান্তীয় আদিম ভূস্বর্গ
তবেই রচিব দিতে এ অর্ঘ।
লুপ্ত দিগন্ত সাঁঝের অনন্ত
রক্ত গোধূলী সাজে সীমান্ত।
আলো বারিত আন্ধি পূর্ণিমায়
ধু ধু বালুচর বালু উড়ে যায়।
১০ সেপ্টম্বর ২০১৬খ্রীঃ
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১১:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




