আমার জন্মের কয় মাসের মইধ্যেই; ছোট ভাই আমার-
মায়ের প্যাটে। বছর পার হইতেই জন্ম তার।
তাতে তার কোন দোষ নাই,
দোষ নাই আম্মা আব্বার। আমারও -বা কি দোষ?
কিন্তু সত্য হইলো বুকের দুধ খাইতে পারি নাই বেশি দিন মায়ের।
যা খাওয়নের খাইসি; বাকিটুকু ছিলো ছোট্ট ভাইয়ের।
সেই থেইকাই আমার শক্তি কম-
শরীরের আর মনের।
তাই মা আমারে কাহিল পোলা ডাকে-
মা জানে পোলারে সে দিতে পারে নাই; ততটুকু-
যতোটুকু পাইসে আমার ভাইয়ে। এতে আমার কোন দু:খ নাই।
খালি গল্পের প্রয়োজনে টানলাম বাপেরে, টানলাম মায়েরে ভাইয়েরে।
সেই দুর্বল বুকে মা কাইল কান পাতে,
আর শুনতে পায় বুকে বাজে-
ধুকধুক ধুকধুক।
মায় জিগায় কিসের আওয়াজরে বাপ!
আমি নিথর তাকায় থাকি, বলি না কিছু।
আমিও শুনি সেই আওয়াজ
য্যান তুমুল বর্ষায় উথাল পাথাল নাচন লাগাইন্না-
এক পদ্মা নদী; বিশাল বিশাল ঢেউ বুকের মইধ্যে বাড়ি দেয়-
আর ভাইঙা যায় বুকের এই পাড় ঐ পাড়।
মারে কই সেই আওয়াজের কথা।
মা বিশ্বাষ করে না। কয় বাজান;
এই আওয়াজ আরো বেশি-
য্যান উথাল সমুদ্রের লাহান।
মায়ে আমার বুইঝা ফালায়;
তবু ছলা কলায় মায়েরে কই-
মা; আমি কি তোমার একটা পোলা?
এমন দেখসি হাজার গুলা, কয়টার বুকে মাথা রাখবা।
সবার বুকেই বাজে-
ধুকধুক ধুকধুক।
এইসব কিছু না মা,
সব ঠিক হইবো; তুমি ভয় পাইয়ো না।
খালি ভুল একটাই-
একবার স্বপ্ন দেখসিলাম।
এই যা....!
(১৪ জানুয়ারি ২০১৫, পল্টন)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


