একবার অভিমানি মন নিয়ে সমুদ্র দেখবো বলে
অনিশ্চিত যাত্রা করেছিলাম। সেদিন রাতেই আকাশ
আর মাটি আলো করে পূর্ণিমার চাঁদ ওঠার কথা ছিলো।
কথা ছিলো আমিও দেখবো কি করে সমুদ্র সফেন
জ্বলে ওঠে ওমন একা রাতে।
কিন্তু না; মাঝ পথেই বিকেলের ডুবুডুবু সূর্য
আমাকে জানান দেয়-
ও রাত আমার না; অন্য কারো।
একাকিত্বের ভূত আমাকে আরো ভর করে,
আমকে ভয় দেখায় ওমন একা চাঁদের রাতে
আমার টুটি চেপে ধরার।
ভিতো আমি, দুর্বল আমি মাঝ রাস্তায় পলাতক
সৈন্যের মতো পিছুহটি-
আবার আসবো বলে।
কথা ছিলো হাতে হাত বাহুতে বাহু
আর কাঁধে কাঁধ রেখে সমুদ্রকুল ধরে হাঁটার-
অমন আলো ঝলমলে চন্দ্রবর্ষার রাতে। কথা ছিলো-
সারা রাত মাতাল হয়ে স্বরচিত কবিতা পাঠের আসর বসাবো,
গানে গানে মাতিয়ে তুলবো পুরোটা সমুদ্রপুকুল।
কেউ থাকবে না; থাকবে শুধু হাতে হাত বাহুতে বাহু
আর কাঁধে কাঁধ; আমার আর তার।
হলো না; তা হলো না-
একাকিত্বের সমুদ্র বিলাশও হলো না,
কিছুই হলো না।
আমার সমুদ্র দেখা আজো হলো না।
শীত চলে গেছে;
তবু সেই যে রক্তহীম করা শুন্যতা
তা আজো শিরায় শিরায় ক্রম প্রবাহমান-
বইছে বইছে বইছে!
আমি সমুদ্র দেখতে যাবো-
আমি সমুদ্র দেখতে চাই।
(১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫, পথ জানা নাই)
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


