somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

ঘুড়তে থাকা চিল
ঘোরাঘুরি আনলিমিটেড

ভোলাগঞ্জঃ মুগ্ধতার হাতছানি

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৯:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


সুলতান ডাইন্স এ খেতে খেতেই প্লান হয়ে গেলো যাবো ভোলাগঞ্জ। নাম অনেক শুনলেও যাওয়ার সুযোগ হয়ে উঠছিল না, মজার কথা হলো এর আগে ২ বার প্লান করেও যাওয়া হয়নি। কিন্তু এবারে যেতেই হবে। গত ২০ সেপ্টেম্বর রাতে সিলেটের উদ্দেশে রউনা হই আমরা ১২ জন। আম্বরখানা থেকে ভোলাগঞ্জ এর যেই রাস্তা আছে তা বর্ণনাতীত খারাপ, যে কারনে আমরা প্লান করি আমরা ছাতক হয়ে যাবো। সকাল ৬ টায় নেমেছি সিলেট এ। পাঁচ ভাই এ সকালের নাস্তা করে আমরা সোজা সিএনজি নিয়ে রউনা হই ছাতকের পথে।


ছাতক পৌঁছে আমরা ইসা কলস ঘাট থেকে একটা নৌকা ভাড়া করে নেই,যা আমাদের ভোলাগঞ্জ ঘুরিয়ে এনে আবার ছাতক নিয়ে আসবে।


সুরমা নদি ধরে আমাদের যাত্রা শুরু, কিছুদূর যেতেই ভালো লাগতে শুরু করলো নৌ ভ্রমন টা। মাথার ঠিক উপরেই ছিলো কড়করা রোদ,তার মধ্যেও অই দূরে আবছা পাহাড় গুলো দেখতে মন্দ লাগছিলো না।



১১ টা নাগাদ আমরা পৌছাই গন্তব্য ভোলাগঞ্জ জিরো পয়েন্টে। এ এক অপরূপ সৌন্দর্য, দেশের খুব বেশি একটা যায়গা ঘুরিনি আমি। তবে আমার কাছে এখন পর্যন্ত শ্রেষ্ঠ গন্তব্য ভোলাগঞ্জ, তারপরেই আমি রাখবো সেইন্ট মারটিন ও টাঙ্গুয়ার হাওড় কে।



পানির নিচের সৌন্দর্য আমাকে বরাবরই মুগ্ধ করেছে, প্রতি বছর অন্তত একবার করে হলেও আমি এখানে যেতে চাই। পানির রং,নিচের পাথর গুলো সব এক কথায় অসাধারণ।



আমাদের সবার এতই ভালো লেগেছে যে পানিতে কোন দিক দিয়ে যে ৩ ঘন্টা সময় কেটে গেছে তার দিকে খেয়াল ই ছিলোনা। ৩ টার সময় ফিরতি পথ ধরি আমরা আবার ছাতক এর। বিকেলের গোধুলি আলো তে আরেক আলো ছায়ার খেলা দেখিয়েছে আমাদের পথের নাম না জানা কোনো এক বিল।



হয়ত স্মরণীয় একটা দিন কাটিয়েছি অপরূপ ভোলাগঞ্জ এ। :-)
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৯:২২
৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল || একটা রোমান্টিক গান

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২৪ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৪

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল
ওওও
বহুবার সে তাকিয়েছিল
আমি ভাবতে চেয়েছি
আমাকে তার ভালো লেগেছিল



সে দেখতে এতটা সুন্দরী
তার উপমা যেন সে নিজেই
মাঝে মাঝে অধরে তার ফুটছিল হাসি
মুগ্ধতায় আমি হারিয়েছিলাম খেই
তখন মিহিসুতোর মতো বৃষ্টিরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

=কিছু গোপন ব্যথা রেখে দিলাম অন্তরে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৩



আমার হয়ে থাকুক কিছু
মন কুঠুরির আড়াল হয়ে
দুঃখগুলো যাক না নিরব
একটু করে ক্ষয়ে ক্ষয়ে।

বাড়ুক ব্যথা বুকের গহীন
কেউ না জানুক গোপন থাকুক
ব্যথার কাঁপন উঠুক না হয়;
হেলা বুকে কষ্ট আঁকুক।

যাক না এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছোট গল্পঃ সময়ের ব্যবধানে তারা দুজন

লিখেছেন সামিয়া, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৩



কোর্টের সামনের চত্বরে দাঁড়িয়ে ছিলাম আমি। দুপুরের রোদটা তখন কিছুটা নরম হয়েছে। মানুষের ভিড়, আইনজীবীদের কালো কোট, চায়ের দোকানের ধোঁয়া আর ফাইল হাতে ছুটে চলা লোকজন মিলে জায়গাটা যেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মের অবমাননা রুখতে গিয়ে নিজের ধর্মকেই ছোট করছেন না তো?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে জুন, ২০২৬ রাত ৩:৩৫


সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ধর্ম অবমাননার আবার একটা ঘটনা ঘটলো। ২৩ জুন ২০২৬। প্রিন্স রায় দীপ্ত নামের পঁচিশ বছরের একটা ছেলে নবীজিকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ তাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভারতীয় মুসলিমদের অসহনীয় জীবন

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ২৫ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৯:১৫


পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়ার সুপুরডিহি গ্রামের ঠেলাগাড়িতে বাসনপত্র বিক্রেতা দরিদ্র মুসলিম আকবর ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানধারী জঙ্গি হিন্দুদের হাতে প্রাণ দিলেন, আর মুক্তি পেলেন অসহনীয় যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে থাকার হাত থেকে। পুরুলিয়ায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×