somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মনিশা (গল্প)

১৩ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ১২:৩১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


সকালের ক্লাস বিরক্তিকর, প্রথমসারির প্রথম সিট এ বসে আছি,দরজা দিয়ে যেই ঢুকছে পেছনে চলে যাচ্ছে , কিছুক্ষণ দরজার দিকে তাকিয়ে থেকে বুঝলাম কারোই আজ সামনে বসার ইচ্ছা নেই । তাই এরপর যে মেয়েটা আসলো তাকে বললাম, এই এখানে বসো...আমার পাশের সিট দেখিয়ে দিলাম। হাসিমুখে মেয়েটা আমার পাশে এসে বসলো । আমাদের ঠিক পেছনে বসা ছিল মেয়েটার পরিচিত একটা ছেলে, মেয়েটা বলল সে নতুন নাম্বার নিয়েছে, ছেলেটা সেই নতুন নাম্বার সেভ করার সময় মেয়েটার নাম উচ্চারন করল, মনিশা ঘোষ । মেয়েটা উজ্জ্বল শ্যামলা, চোখের পাপড়ি এত ঘন যে দেখলে মনে হয় কাজল দিয়েছে চোখে, হাসিটাও সুন্দর । তার বাড়ি ঢাকার বাইরে, কথা বলে আঞ্চলিক ভাষায় , শুনতে খারাপ লাগে না ।
কথায় কথায় জানতে পারলাম তার এঙ্গেজমেন্ট হয়ে গেছে । পাঁচ বছরের একটা রিলেশণ ছিল যা এই কারণে শেষ হয়ে গেছে । আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম – তুমি মা-বাবাকে বলনি রিলেশনের কথা?
মনিশা- বলেছিলাম, তারা রাজি না ।
আমি- ভাল, তাহলে তুমি কেন রাজি হলে এঙ্গেজমেন্ট করতে ।
মনিশা- শেখর দেখতে অনেক সুন্দর ।
আমি- তাই তুমি রাজি হয়ে গেছ!! শেখর কি করে?
মনিশা- আমার ডিপার্টমেন্ট থেকে পাশ করে চাকরি করছে ।
আমি- হুম, আর তোমার বয়ফ্রেন্ড? এক ই ডিপার্টমেন্ট এর?
মনিশা- না, সূর্য জাহাঙ্গীরনগর থেকে পাশ করেছে ।
আমি- সূর্য ইঞ্জিনিয়ারীং ডিপার্টমেন্টের না?
মনিশা- না
টিচার চলে আসল, ওই দিন আর কথা হল না ।

এরপর একদিন বিকেলের দিকে ক্লাশ শেষ করে ফিরছি, মনিশার হোস্টেলের সামনে দিয়েই আমার হোস্টেলে যাওয়ার রাস্তা। সবসময়ের মত কিছু ছেলে মেয়ে বসে আছে গেটের দুই পাশে , মনিশাকে দেখতে পেলাম গেটের বামপাশে দাড়িয়ে খুব উত্তেজিত হয়ে একটা ছেলের সাথে কথা বলছে। মাঝারি উচ্চতার একদম কালো একটা ছেলে । এই ছেলেটা শেখর হবে বলে মনে হয় না , এমনটা ভাবতে ভাবতে চলে আসলাম হোস্টেলে । পরদিন যখন ক্লাশ এ দেখা হল ... মনিশাকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘ কাল তোমাকে বিকেলে দেখেছি, তোমাদের হোস্টেলের গেটে , তোমার সাথে ছেলেটা কে ছিল?
মনিশা- সূর্য এসেছিল
আমি- তুমি না বললে, ব্রেক-আপ হয়ে গেছে?
মনিশা- হুম, হয়ে গেছে । তারপরও আসে, গেটে দাড়িয়ে ফোন দিতে থাকে। বলে যে, একবার আস, খুব দেখতে ইচ্ছা করছে।
আমি আর কথা খুঁজে পেলাম না তাই চুপ করে রইলাম।

একদিন বিকেলে ফোন দিলাম মনিশাকে, একসাথে ঘুরতে বের হব এমন পরিকল্পনা করেছিলাম।মনিশার কথমত তাকে পারলারের সামনে পেলাম, তার হাতে ল্যাপটপ দেখে আমি বললাম, ‘এইটা কেন নিচ্ছ?’
মনিশা হাসল ...এরপর অন্যদিকে তাকিয়ে বলল , ‘শেখরের ফেসবুক আইডিতে লগইন করব’।
আমি- তোমার কাছে পাশওয়ার্ড আছে ?
মনিশা- হুম, নিয়েছি ওর কাছ থেকে।
আমরা ঘুরতে ঘুরতে ক্যাম্পাসে চলে গেলাম... মনিশা তার ল্যাপটপ এ মনোযোগ দিল, আমি অন্যদের সাথে গল্প শুরু করলাম। সন্ধার পর আবার ফেরার জন্য রওনা দিলাম। মনিশার মোবাইলে বার বার কল আসতে লাগল, শেষে বিরক্ত হয়ে কল রিসিভ করে আমাকে জোর করে ধরিয়ে দিয়ে বলল, ‘বলে দাও মনিশা মাথা ঘুরে পরে গিয়েছিল , এখন একটু শুয়ে আছে, পরে কল দিয়ো’।
আমি কিছুটা অপ্রস্তুতভাবে ঐ কথাটাই বললাম । এরপর মনিশাকে জিজ্ঞেস করলাম , ‘ কে ছিল? শেখর? ’
মনিশা- না, সূর্য ।
আমি- তুমি মিথ্যা কেন শোনালে তাকে?
মনিশা- তুমিতো বোকা মেয়ে, কিছু বোঝ না, ছেলেদের বোঝাতে হয় যে তুমি কষ্ট পাচ্ছ কিন্তু আসলে পাবে না। বুঝেছো...

পরের সপ্তাহে, ক্লাশে বসে আছি , মনিশা এসে পাশে বসলো । আমি কথা বলতে শুরু করলাম,
গতকাল সূর্য এসেছিল তোমার সাথে দেখা করতে, তাই না?
মনিশা- নাতো...
আমি- কিন্তু আমি সূর্যকে দেখেছি তোমাদের হোস্টেলের গেটে ...
মনিশা- তাহলে হয়ত এসেছিল , আমাকে ডাকেনি। সূর্যকে আমি বলে দিয়েছি আর দেখা-সাক্ষাত করব না।
আমি- হুম, বলে দেয়াই ভাল।
আমার যতদূর মনে পড়ে সূর্যকে খুব স্বাভাবিক দেখেছি, বিষণ্ণ হয়ে বসে আছে এমনটা মনে হয়নি।

এরপর আরও কয়েকদিন সূর্যকে দেখলাম, একা একা হোস্টেলের গেটে বসে আছে, খুব স্বাভাবিক চেহারা , কোন বিসন্নতা বা মন খারাপের ছাপ নেই মুখে, কারো জন্য অপেক্ষা করছে এমনটাও মনে হছে না।
মনিশাকে আরেকদিন বললাম এ কথা, মনিশা প্রথমে হাসল এরপর পরিষ্কারভাবে বলল, এসব কিছু না, সূর্যের ও বিয়ে ঠিকঠাক, কয়দিন পর সব ভুলে যাবে, তখন আর এইদিকে ভুলেও আসবে না...


সকালের ক্লাস বিরক্তিকর, প্রথমসারির প্রথম সিট এ বসে আছি,দরজা দিয়ে যেই ঢুকছে পেছনে চলে যাচ্ছে , কিছুক্ষণ দরজার দিকে তাকিয়ে থেকে বুঝলাম কারোই আজ সামনে বসার ইচ্ছা নেই । তাই এরপর যে মেয়েটা আসলো তাকে বললাম, এই এখানে বসো...আমার পাশের সিট দেখিয়ে দিলাম। হাসিমুখে মেয়েটা আমার পাশে এসে বসলো । আমাদের ঠিক পেছনে বসা ছিল মেয়েটার পরিচিত একটা ছেলে, মেয়েটা বলল সে নতুন নাম্বার নিয়েছে, ছেলেটা সেই নতুন নাম্বার সেভ করার সময় মেয়েটার নাম উচ্চারন করল, মনিশা ঘোষ । মেয়েটা উজ্জ্বল শ্যামলা, চোখের পাপড়ি এত ঘন যে দেখলে মনে হয় কাজল দিয়েছে চোখে, হাসিটাও সুন্দর । তার বাড়ি ঢাকার বাইরে, কথা বলে আঞ্চলিক ভাষায় , শুনতে খারাপ লাগে না ।
কথায় কথায় জানতে পারলাম তার এঙ্গেজমেন্ট হয়ে গেছে । পাঁচ বছরের একটা রিলেশণ ছিল যা এই কারণে শেষ হয়ে গেছে । আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম – তুমি মা-বাবাকে বলনি রিলেশনের কথা?
মনিশা- বলেছিলাম, তারা রাজি না ।
আমি- ভাল, তাহলে তুমি কেন রাজি হলে এঙ্গেজমেন্ট করতে ।
মনিশা- শেখর দেখতে অনেক সুন্দর ।
আমি- তাই তুমি রাজি হয়ে গেছ!! শেখর কি করে?
মনিশা- আমার ডিপার্টমেন্ট থেকে পাশ করে চাকরি করছে ।
আমি- হুম, আর তোমার বয়ফ্রেন্ড? এক ই ডিপার্টমেন্ট এর?
মনিশা- না, সূর্য জাহাঙ্গীরনগর থেকে পাশ করেছে ।
আমি- সূর্য ইঞ্জিনিয়ারীং ডিপার্টমেন্টের না?
মনিশা- না
টিচার চলে আসল, ওই দিন আর কথা হল না ।

এরপর একদিন বিকেলের দিকে ক্লাশ শেষ করে ফিরছি, মনিশার হোস্টেলের সামনে দিয়েই আমার হোস্টেলে যাওয়ার রাস্তা। সবসময়ের মত কিছু ছেলে মেয়ে বসে আছে গেটের দুই পাশে , মনিশাকে দেখতে পেলাম গেটের বামপাশে দাড়িয়ে খুব উত্তেজিত হয়ে একটা ছেলের সাথে কথা বলছে। মাঝারি উচ্চতার একদম কালো একটা ছেলে । এই ছেলেটা শেখর হবে বলে মনে হয় না , এমনটা ভাবতে ভাবতে চলে আসলাম হোস্টেলে । পরদিন যখন ক্লাশ এ দেখা হল ... মনিশাকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘ কাল তোমাকে বিকেলে দেখেছি, তোমাদের হোস্টেলের গেটে , তোমার সাথে ছেলেটা কে ছিল?
মনিশা- সূর্য এসেছিল
আমি- তুমি না বললে, ব্রেক-আপ হয়ে গেছে?
মনিশা- হুম, হয়ে গেছে । তারপরও আসে, গেটে দাড়িয়ে ফোন দিতে থাকে। বলে যে, একবার আস, খুব দেখতে ইচ্ছা করছে।
আমি আর কথা খুঁজে পেলাম না তাই চুপ করে রইলাম।

একদিন বিকেলে ফোন দিলাম মনিশাকে, একসাথে ঘুরতে বের হব এমন পরিকল্পনা করেছিলাম।মনিশার কথমত তাকে পারলারের সামনে পেলাম, তার হাতে ল্যাপটপ দেখে আমি বললাম, ‘এইটা কেন নিচ্ছ?’
মনিশা হাসল ...এরপর অন্যদিকে তাকিয়ে বলল , ‘শেখরের ফেসবুক আইডিতে লগইন করব’।
আমি- তোমার কাছে পাশওয়ার্ড আছে ?
মনিশা- হুম, নিয়েছি ওর কাছ থেকে।
আমরা ঘুরতে ঘুরতে ক্যাম্পাসে চলে গেলাম... মনিশা তার ল্যাপটপ এ মনোযোগ দিল, আমি অন্যদের সাথে গল্প শুরু করলাম। সন্ধার পর আবার ফেরার জন্য রওনা দিলাম। মনিশার মোবাইলে বার বার কল আসতে লাগল, শেষে বিরক্ত হয়ে কল রিসিভ করে আমাকে জোর করে ধরিয়ে দিয়ে বলল, ‘বলে দাও মনিশা মাথা ঘুরে পরে গিয়েছিল , এখন একটু শুয়ে আছে, পরে কল দিয়ো’।
আমি কিছুটা অপ্রস্তুতভাবে ঐ কথাটাই বললাম । এরপর মনিশাকে জিজ্ঞেস করলাম , ‘ কে ছিল? শেখর? ’
মনিশা- না, সূর্য ।
আমি- তুমি মিথ্যা কেন শোনালে তাকে?
মনিশা- তুমিতো বোকা মেয়ে, কিছু বোঝ না, ছেলেদের বোঝাতে হয় যে তুমি কষ্ট পাচ্ছ কিন্তু আসলে পাবে না। বুঝেছো...

পরের সপ্তাহে, ক্লাশে বসে আছি , মনিশা এসে পাশে বসলো । আমি কথা বলতে শুরু করলাম,
গতকাল সূর্য এসেছিল তোমার সাথে দেখা করতে, তাই না?
মনিশা- নাতো...
আমি- কিন্তু আমি সূর্যকে দেখেছি তোমাদের হোস্টেলের গেটে ...
মনিশা- তাহলে হয়ত এসেছিল , আমাকে ডাকেনি। সূর্যকে আমি বলে দিয়েছি আর দেখা-সাক্ষাত করব না।
আমি- হুম, বলে দেয়াই ভাল।
আমার যতদূর মনে পড়ে সূর্যকে খুব স্বাভাবিক দেখেছি, বিষণ্ণ হয়ে বসে আছে এমনটা মনে হয়নি।

এরপর আরও কয়েকদিন সূর্যকে দেখলাম, একা একা হোস্টেলের গেটে বসে আছে, খুব স্বাভাবিক চেহারা , কোন বিসন্নতা বা মন খারাপের ছাপ নেই মুখে, কারো জন্য অপেক্ষা করছে এমনটাও মনে হছে না।
মনিশাকে আরেকদিন বললাম এ কথা, মনিশা প্রথমে হাসল এরপর পরিষ্কারভাবে বলল, এসব কিছু না, সূর্যের ও বিয়ে ঠিকঠাক, কয়দিন পর সব ভুলে যাবে, তখন আর এইদিকে ভুলেও আসবে না...


সকালের ক্লাস বিরক্তিকর, প্রথমসারির প্রথম সিট এ বসে আছি,দরজা দিয়ে যেই ঢুকছে পেছনে চলে যাচ্ছে , কিছুক্ষণ দরজার দিকে তাকিয়ে থেকে বুঝলাম কারোই আজ সামনে বসার ইচ্ছা নেই । তাই এরপর যে মেয়েটা আসলো তাকে বললাম, এই এখানে বসো...আমার পাশের সিট দেখিয়ে দিলাম। হাসিমুখে মেয়েটা আমার পাশে এসে বসলো । আমাদের ঠিক পেছনে বসা ছিল মেয়েটার পরিচিত একটা ছেলে, মেয়েটা বলল সে নতুন নাম্বার নিয়েছে, ছেলেটা সেই নতুন নাম্বার সেভ করার সময় মেয়েটার নাম উচ্চারন করল, মনিশা ঘোষ । মেয়েটা উজ্জ্বল শ্যামলা, চোখের পাপড়ি এত ঘন যে দেখলে মনে হয় কাজল দিয়েছে চোখে, হাসিটাও সুন্দর । তার বাড়ি ঢাকার বাইরে, কথা বলে আঞ্চলিক ভাষায় , শুনতে খারাপ লাগে না ।
কথায় কথায় জানতে পারলাম তার এঙ্গেজমেন্ট হয়ে গেছে । পাঁচ বছরের একটা রিলেশণ ছিল যা এই কারণে শেষ হয়ে গেছে । আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম – তুমি মা-বাবাকে বলনি রিলেশনের কথা?
মনিশা- বলেছিলাম, তারা রাজি না ।
আমি- ভাল, তাহলে তুমি কেন রাজি হলে এঙ্গেজমেন্ট করতে ।
মনিশা- শেখর দেখতে অনেক সুন্দর ।
আমি- তাই তুমি রাজি হয়ে গেছ!! শেখর কি করে?
মনিশা- আমার ডিপার্টমেন্ট থেকে পাশ করে চাকরি করছে ।
আমি- হুম, আর তোমার বয়ফ্রেন্ড? এক ই ডিপার্টমেন্ট এর?
মনিশা- না, সূর্য জাহাঙ্গীরনগর থেকে পাশ করেছে ।
আমি- সূর্য ইঞ্জিনিয়ারীং ডিপার্টমেন্টের না?
মনিশা- না
টিচার চলে আসল, ওই দিন আর কথা হল না ।

এরপর একদিন বিকেলের দিকে ক্লাশ শেষ করে ফিরছি, মনিশার হোস্টেলের সামনে দিয়েই আমার হোস্টেলে যাওয়ার রাস্তা। সবসময়ের মত কিছু ছেলে মেয়ে বসে আছে গেটের দুই পাশে , মনিশাকে দেখতে পেলাম গেটের বামপাশে দাড়িয়ে খুব উত্তেজিত হয়ে একটা ছেলের সাথে কথা বলছে। মাঝারি উচ্চতার একদম কালো একটা ছেলে । এই ছেলেটা শেখর হবে বলে মনে হয় না , এমনটা ভাবতে ভাবতে চলে আসলাম হোস্টেলে । পরদিন যখন ক্লাশ এ দেখা হল ... মনিশাকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘ কাল তোমাকে বিকেলে দেখেছি, তোমাদের হোস্টেলের গেটে , তোমার সাথে ছেলেটা কে ছিল?
মনিশা- সূর্য এসেছিল
আমি- তুমি না বললে, ব্রেক-আপ হয়ে গেছে?
মনিশা- হুম, হয়ে গেছে । তারপরও আসে, গেটে দাড়িয়ে ফোন দিতে থাকে। বলে যে, একবার আস, খুব দেখতে ইচ্ছা করছে।
আমি আর কথা খুঁজে পেলাম না তাই চুপ করে রইলাম।

একদিন বিকেলে ফোন দিলাম মনিশাকে, একসাথে ঘুরতে বের হব এমন পরিকল্পনা করেছিলাম।মনিশার কথমত তাকে পারলারের সামনে পেলাম, তার হাতে ল্যাপটপ দেখে আমি বললাম, ‘এইটা কেন নিচ্ছ?’
মনিশা হাসল ...এরপর অন্যদিকে তাকিয়ে বলল , ‘শেখরের ফেসবুক আইডিতে লগইন করব’।
আমি- তোমার কাছে পাশওয়ার্ড আছে ?
মনিশা- হুম, নিয়েছি ওর কাছ থেকে।
আমরা ঘুরতে ঘুরতে ক্যাম্পাসে চলে গেলাম... মনিশা তার ল্যাপটপ এ মনোযোগ দিল, আমি অন্যদের সাথে গল্প শুরু করলাম। সন্ধার পর আবার ফেরার জন্য রওনা দিলাম। মনিশার মোবাইলে বার বার কল আসতে লাগল, শেষে বিরক্ত হয়ে কল রিসিভ করে আমাকে জোর করে ধরিয়ে দিয়ে বলল, ‘বলে দাও মনিশা মাথা ঘুরে পরে গিয়েছিল , এখন একটু শুয়ে আছে, পরে কল দিয়ো’।
আমি কিছুটা অপ্রস্তুতভাবে ঐ কথাটাই বললাম । এরপর মনিশাকে জিজ্ঞেস করলাম , ‘ কে ছিল? শেখর? ’
মনিশা- না, সূর্য ।
আমি- তুমি মিথ্যা কেন শোনালে তাকে?
মনিশা- তুমিতো বোকা মেয়ে, কিছু বোঝ না, ছেলেদের বোঝাতে হয় যে তুমি কষ্ট পাচ্ছ কিন্তু আসলে পাবে না। বুঝেছো...

পরের সপ্তাহে, ক্লাশে বসে আছি , মনিশা এসে পাশে বসলো । আমি কথা বলতে শুরু করলাম,
গতকাল সূর্য এসেছিল তোমার সাথে দেখা করতে, তাই না?
মনিশা- নাতো...
আমি- কিন্তু আমি সূর্যকে দেখেছি তোমাদের হোস্টেলের গেটে ...
মনিশা- তাহলে হয়ত এসেছিল , আমাকে ডাকেনি। সূর্যকে আমি বলে দিয়েছি আর দেখা-সাক্ষাত করব না।
আমি- হুম, বলে দেয়াই ভাল।
আমার যতদূর মনে পড়ে সূর্যকে খুব স্বাভাবিক দেখেছি, বিষণ্ণ হয়ে বসে আছে এমনটা মনে হয়নি।

এরপর আরও কয়েকদিন সূর্যকে দেখলাম, একা একা হোস্টেলের গেটে বসে আছে, খুব স্বাভাবিক চেহারা , কোন বিসন্নতা বা মন খারাপের ছাপ নেই মুখে, কারো জন্য অপেক্ষা করছে এমনটাও মনে হছে না।
মনিশাকে আরেকদিন বললাম এ কথা, মনিশা প্রথমে হাসল এরপর পরিষ্কারভাবে বলল, এসব কিছু না, সূর্যের ও বিয়ে ঠিকঠাক, কয়দিন পর সব ভুলে যাবে, তখন আর এইদিকে ভুলেও আসবে না...


সকালের ক্লাস বিরক্তিকর, প্রথমসারির প্রথম সিট এ বসে আছি,দরজা দিয়ে যেই ঢুকছে পেছনে চলে যাচ্ছে , কিছুক্ষণ দরজার দিকে তাকিয়ে থেকে বুঝলাম কারোই আজ সামনে বসার ইচ্ছা নেই । তাই এরপর যে মেয়েটা আসলো তাকে বললাম, এই এখানে বসো...আমার পাশের সিট দেখিয়ে দিলাম। হাসিমুখে মেয়েটা আমার পাশে এসে বসলো । আমাদের ঠিক পেছনে বসা ছিল মেয়েটার পরিচিত একটা ছেলে, মেয়েটা বলল সে নতুন নাম্বার নিয়েছে, ছেলেটা সেই নতুন নাম্বার সেভ করার সময় মেয়েটার নাম উচ্চারন করল, মনিশা ঘোষ । মেয়েটা উজ্জ্বল শ্যামলা, চোখের পাপড়ি এত ঘন যে দেখলে মনে হয় কাজল দিয়েছে চোখে, হাসিটাও সুন্দর । তার বাড়ি ঢাকার বাইরে, কথা বলে আঞ্চলিক ভাষায় , শুনতে খারাপ লাগে না ।
কথায় কথায় জানতে পারলাম তার এঙ্গেজমেন্ট হয়ে গেছে । পাঁচ বছরের একটা রিলেশণ ছিল যা এই কারণে শেষ হয়ে গেছে । আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম – তুমি মা-বাবাকে বলনি রিলেশনের কথা?
মনিশা- বলেছিলাম, তারা রাজি না ।
আমি- ভাল, তাহলে তুমি কেন রাজি হলে এঙ্গেজমেন্ট করতে ।
মনিশা- শেখর দেখতে অনেক সুন্দর ।
আমি- তাই তুমি রাজি হয়ে গেছ!! শেখর কি করে?
মনিশা- আমার ডিপার্টমেন্ট থেকে পাশ করে চাকরি করছে ।
আমি- হুম, আর তোমার বয়ফ্রেন্ড? এক ই ডিপার্টমেন্ট এর?
মনিশা- না, সূর্য জাহাঙ্গীরনগর থেকে পাশ করেছে ।
আমি- সূর্য ইঞ্জিনিয়ারীং ডিপার্টমেন্টের না?
মনিশা- না
টিচার চলে আসল, ওই দিন আর কথা হল না ।

এরপর একদিন বিকেলের দিকে ক্লাশ শেষ করে ফিরছি, মনিশার হোস্টেলের সামনে দিয়েই আমার হোস্টেলে যাওয়ার রাস্তা। সবসময়ের মত কিছু ছেলে মেয়ে বসে আছে গেটের দুই পাশে , মনিশাকে দেখতে পেলাম গেটের বামপাশে দাড়িয়ে খুব উত্তেজিত হয়ে একটা ছেলের সাথে কথা বলছে। মাঝারি উচ্চতার একদম কালো একটা ছেলে । এই ছেলেটা শেখর হবে বলে মনে হয় না , এমনটা ভাবতে ভাবতে চলে আসলাম হোস্টেলে । পরদিন যখন ক্লাশ এ দেখা হল ... মনিশাকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘ কাল তোমাকে বিকেলে দেখেছি, তোমাদের হোস্টেলের গেটে , তোমার সাথে ছেলেটা কে ছিল?
মনিশা- সূর্য এসেছিল
আমি- তুমি না বললে, ব্রেক-আপ হয়ে গেছে?
মনিশা- হুম, হয়ে গেছে । তারপরও আসে, গেটে দাড়িয়ে ফোন দিতে থাকে। বলে যে, একবার আস, খুব দেখতে ইচ্ছা করছে।
আমি আর কথা খুঁজে পেলাম না তাই চুপ করে রইলাম।

একদিন বিকেলে ফোন দিলাম মনিশাকে, একসাথে ঘুরতে বের হব এমন পরিকল্পনা করেছিলাম।মনিশার কথমত তাকে পারলারের সামনে পেলাম, তার হাতে ল্যাপটপ দেখে আমি বললাম, ‘এইটা কেন নিচ্ছ?’
মনিশা হাসল ...এরপর অন্যদিকে তাকিয়ে বলল , ‘শেখরের ফেসবুক আইডিতে লগইন করব’।
আমি- তোমার কাছে পাশওয়ার্ড আছে ?
মনিশা- হুম, নিয়েছি ওর কাছ থেকে।
আমরা ঘুরতে ঘুরতে ক্যাম্পাসে চলে গেলাম... মনিশা তার ল্যাপটপ এ মনোযোগ দিল, আমি অন্যদের সাথে গল্প শুরু করলাম। সন্ধার পর আবার ফেরার জন্য রওনা দিলাম। মনিশার মোবাইলে বার বার কল আসতে লাগল, শেষে বিরক্ত হয়ে কল রিসিভ করে আমাকে জোর করে ধরিয়ে দিয়ে বলল, ‘বলে দাও মনিশা মাথা ঘুরে পরে গিয়েছিল , এখন একটু শুয়ে আছে, পরে কল দিয়ো’।
আমি কিছুটা অপ্রস্তুতভাবে ঐ কথাটাই বললাম । এরপর মনিশাকে জিজ্ঞেস করলাম , ‘ কে ছিল? শেখর? ’
মনিশা- না, সূর্য ।
আমি- তুমি মিথ্যা কেন শোনালে তাকে?
মনিশা- তুমিতো বোকা মেয়ে, কিছু বোঝ না, ছেলেদের বোঝাতে হয় যে তুমি কষ্ট পাচ্ছ কিন্তু আসলে পাবে না। বুঝেছো...

পরের সপ্তাহে, ক্লাশে বসে আছি , মনিশা এসে পাশে বসলো । আমি কথা বলতে শুরু করলাম,
গতকাল সূর্য এসেছিল তোমার সাথে দেখা করতে, তাই না?
মনিশা- নাতো...
আমি- কিন্তু আমি সূর্যকে দেখেছি তোমাদের হোস্টেলের গেটে ...
মনিশা- তাহলে হয়ত এসেছিল , আমাকে ডাকেনি। সূর্যকে আমি বলে দিয়েছি আর দেখা-সাক্ষাত করব না।
আমি- হুম, বলে দেয়াই ভাল।
আমার যতদূর মনে পড়ে সূর্যকে খুব স্বাভাবিক দেখেছি, বিষণ্ণ হয়ে বসে আছে এমনটা মনে হয়নি।

এরপর আরও কয়েকদিন সূর্যকে দেখলাম, একা একা হোস্টেলের গেটে বসে আছে, খুব স্বাভাবিক চেহারা , কোন বিসন্নতা বা মন খারাপের ছাপ নেই মুখে, কারো জন্য অপেক্ষা করছে এমনটাও মনে হছে না।
মনিশাকে আরেকদিন বললাম এ কথা, মনিশা প্রথমে হাসল এরপর পরিষ্কারভাবে বলল, এসব কিছু না, সূর্যের ও বিয়ে ঠিকঠাক, কয়দিন পর সব ভুলে যাবে, তখন আর এইদিকে ভুলেও আসবে না...


সকালের ক্লাস বিরক্তিকর, প্রথমসারির প্রথম সিট এ বসে আছি,দরজা দিয়ে যেই ঢুকছে পেছনে চলে যাচ্ছে , কিছুক্ষণ দরজার দিকে তাকিয়ে থেকে বুঝলাম কারোই আজ সামনে বসার ইচ্ছা নেই । তাই এরপর যে মেয়েটা আসলো তাকে বললাম, এই এখানে বসো...আমার পাশের সিট দেখিয়ে দিলাম। হাসিমুখে মেয়েটা আমার পাশে এসে বসলো । আমাদের ঠিক পেছনে বসা ছিল মেয়েটার পরিচিত একটা ছেলে, মেয়েটা বলল সে নতুন নাম্বার নিয়েছে, ছেলেটা সেই নতুন নাম্বার সেভ করার সময় মেয়েটার নাম উচ্চারন করল, মনিশা ঘোষ । মেয়েটা উজ্জ্বল শ্যামলা, চোখের পাপড়ি এত ঘন যে দেখলে মনে হয় কাজল দিয়েছে চোখে, হাসিটাও সুন্দর । তার বাড়ি ঢাকার বাইরে, কথা বলে আঞ্চলিক ভাষায় , শুনতে খারাপ লাগে না ।
কথায় কথায় জানতে পারলাম তার এঙ্গেজমেন্ট হয়ে গেছে । পাঁচ বছরের একটা রিলেশণ ছিল যা এই কারণে শেষ হয়ে গেছে । আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম – তুমি মা-বাবাকে বলনি রিলেশনের কথা?
মনিশা- বলেছিলাম, তারা রাজি না ।
আমি- ভাল, তাহলে তুমি কেন রাজি হলে এঙ্গেজমেন্ট করতে ।
মনিশা- শেখর দেখতে অনেক সুন্দর ।
আমি- তাই তুমি রাজি হয়ে গেছ!! শেখর কি করে?
মনিশা- আমার ডিপার্টমেন্ট থেকে পাশ করে চাকরি করছে ।
আমি- হুম, আর তোমার বয়ফ্রেন্ড? এক ই ডিপার্টমেন্ট এর?
মনিশা- না, সূর্য জাহাঙ্গীরনগর থেকে পাশ করেছে ।
আমি- সূর্য ইঞ্জিনিয়ারীং ডিপার্টমেন্টের না?
মনিশা- না
টিচার চলে আসল, ওই দিন আর কথা হল না ।

এরপর একদিন বিকেলের দিকে ক্লাশ শেষ করে ফিরছি, মনিশার হোস্টেলের সামনে দিয়েই আমার হোস্টেলে যাওয়ার রাস্তা। সবসময়ের মত কিছু ছেলে মেয়ে বসে আছে গেটের দুই পাশে , মনিশাকে দেখতে পেলাম গেটের বামপাশে দাড়িয়ে খুব উত্তেজিত হয়ে একটা ছেলের সাথে কথা বলছে। মাঝারি উচ্চতার একদম কালো একটা ছেলে । এই ছেলেটা শেখর হবে বলে মনে হয় না , এমনটা ভাবতে ভাবতে চলে আসলাম হোস্টেলে । পরদিন যখন ক্লাশ এ দেখা হল ... মনিশাকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘ কাল তোমাকে বিকেলে দেখেছি, তোমাদের হোস্টেলের গেটে , তোমার সাথে ছেলেটা কে ছিল?
মনিশা- সূর্য এসেছিল
আমি- তুমি না বললে, ব্রেক-আপ হয়ে গেছে?
মনিশা- হুম, হয়ে গেছে । তারপরও আসে, গেটে দাড়িয়ে ফোন দিতে থাকে। বলে যে, একবার আস, খুব দেখতে ইচ্ছা করছে।
আমি আর কথা খুঁজে পেলাম না তাই চুপ করে রইলাম।

একদিন বিকেলে ফোন দিলাম মনিশাকে, একসাথে ঘুরতে বের হব এমন পরিকল্পনা করেছিলাম।মনিশার কথমত তাকে পারলারের সামনে পেলাম, তার হাতে ল্যাপটপ দেখে আমি বললাম, ‘এইটা কেন নিচ্ছ?’
মনিশা হাসল ...এরপর অন্যদিকে তাকিয়ে বলল , ‘শেখরের ফেসবুক আইডিতে লগইন করব’।
আমি- তোমার কাছে পাশওয়ার্ড আছে ?
মনিশা- হুম, নিয়েছি ওর কাছ থেকে।
আমরা ঘুরতে ঘুরতে ক্যাম্পাসে চলে গেলাম... মনিশা তার ল্যাপটপ এ মনোযোগ দিল, আমি অন্যদের সাথে গল্প শুরু করলাম। সন্ধার পর আবার ফেরার জন্য রওনা দিলাম। মনিশার মোবাইলে বার বার কল আসতে লাগল, শেষে বিরক্ত হয়ে কল রিসিভ করে আমাকে জোর করে ধরিয়ে দিয়ে বলল, ‘বলে দাও মনিশা মাথা ঘুরে পরে গিয়েছিল , এখন একটু শুয়ে আছে, পরে কল দিয়ো’।
আমি কিছুটা অপ্রস্তুতভাবে ঐ কথাটাই বললাম । এরপর মনিশাকে জিজ্ঞেস করলাম , ‘ কে ছিল? শেখর? ’
মনিশা- না, সূর্য ।
আমি- তুমি মিথ্যা কেন শোনালে তাকে?
মনিশা- তুমিতো বোকা মেয়ে, কিছু বোঝ না, ছেলেদের বোঝাতে হয় যে তুমি কষ্ট পাচ্ছ কিন্তু আসলে পাবে না। বুঝেছো...

পরের সপ্তাহে, ক্লাশে বসে আছি , মনিশা এসে পাশে বসলো । আমি কথা বলতে শুরু করলাম,
গতকাল সূর্য এসেছিল তোমার সাথে দেখা করতে, তাই না?
মনিশা- নাতো...
আমি- কিন্তু আমি সূর্যকে দেখেছি তোমাদের হোস্টেলের গেটে ...
মনিশা- তাহলে হয়ত এসেছিল , আমাকে ডাকেনি। সূর্যকে আমি বলে দিয়েছি আর দেখা-সাক্ষাত করব না।
আমি- হুম, বলে দেয়াই ভাল।
আমার যতদূর মনে পড়ে সূর্যকে খুব স্বাভাবিক দেখেছি, বিষণ্ণ হয়ে বসে আছে এমনটা মনে হয়নি।

এরপর আরও কয়েকদিন সূর্যকে দেখলাম, একা একা হোস্টেলের গেটে বসে আছে, খুব স্বাভাবিক চেহারা , কোন বিসন্নতা বা মন খারাপের ছাপ নেই মুখে, কারো জন্য অপেক্ষা করছে এমনটাও মনে হছে না।
মনিশাকে আরেকদিন বললাম এ কথা, মনিশা প্রথমে হাসল এরপর পরিষ্কারভাবে বলল, এসব কিছু না, সূর্যের ও বিয়ে ঠিকঠাক, কয়দিন পর সব ভুলে যাবে, তখন আর এইদিকে ভুলেও আসবে না...

০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কোথায় পাই পাগলের শ্বশুর

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৪৮


পাগলের পাতা ছাগলে খায়,
দাঁতের দোষটা হাতেই যে কয়;
দেয় রে দোষটা দেয় চোখের,
মনটা যে ধোয়া তুলসীপাতা,
কেউ দেখে না রে মুখের।

মুখের কথা ঠোঁটে কয়,
ছাগল ডাকে রে ভাই, ব্যাঁ-ব্যাঁ;
পাগলের কাজ পাগল করে সই,
সাধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

পরিস্থিতি কি জটিল?

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছি, অথচ বাইরে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড আর টিয়ার গ্যাসের শব্দে চারদিক প্রকম্পিত! মিরপুরে আমার বাসার কাছেই মেট্রো রেলের নিচে আগুন দেওয়া হয়েছে; কিছুক্ষণের জন্য মেট্রো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০৩

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯



খাওয়া দাওয়া করাটা আজকাল বিরক্তকর লাগে।
কিন্তু মানুষের বেঁচে থাকতে হলে- খেতে হবে। না খেলে শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। প্রিয় খাবার গুলোও খেতে ইচ্ছা করে না। ভালো লাগে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৬


এই লেখাটি যখন লিখছি, তখন এই গুজবটি ছড়িয়ে পড়েছে যে, ইসরায়েল ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে, যাতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই আমেরিকা ইরানে পারমাণবিক বোমা হামলা করে। বিগত বছরগুলোতে ইসরাইল সারা বিশ্বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

Haze দমনে সিঙ্গাপুরের কুটনৈতিক দক্ষতা

লিখেছেন ঢাবিয়ান, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩১

সিঙ্গাপুর সাম্প্রতিককালে স্মরনকালের ভয়াবহ Haze (ধোঁয়াশা ও বায়ুদূষণ) এর কবলে পড়ে। সেপ্টেম্বরের শুরুতেই সারা শহর ঘন ধোয়ার আবরনে ঢেকে যায়। জানালা দিয়ে বাইরে তাকালে মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×