১.
গল্পেরা সব শত্রু আমার, গল্পসনে আড়ি
গল্প নিয়ে কল্পনাতে অথৈ বাড়াবাড়ি
গল্প নিয়ে কল্পবনে সব ভাঙানো ঝড়
মনকে বেঁধে, মনকে ছেঁদে গল্পনামক শর
গল্পরা সব উথাল-পাথাল আকুল বিকুল ঢেউ
গল্পেরা সব পাড় ভাঙানো ভাঁড় ভাগানো ফেউ
গল্প নিয়ে চোখ রাঙিয়ে মনের ভিতর বসে
একটা মানুষ অহর্নিশি পাকছে নাটাই কষে
সাজবে নাটাই, মানজা মারা, দীর্ঘ সুতা, ধার
গল্পঘুড়ি উড়বে যখন, বাতাস নেবে ভার
হায়রে বাতাস! গল্পেরা সব এপিঠ ওপিঠ করে
হায়রে বাতাস! হায়রে বাতাস! গল্পেরা যে মরে!
২.
গল্পরা সব ঝাঁক বেঁধে রয়,
পাক বেঁধে রয়, ঘোরে-
গল্পরা সব বাতাস হয়ে
হাল্কাভাবে ওড়ে
গল্পরা তাই ঘুর্ণিপাকে
দুর্বিপাকের হাওয়া-
গল্পরা তাই ধূলি-বালি
ধেয়ে নিয়ে যাওয়া
গল্পরা সব জমাট বেঁধে
মেঘ হয়ে ওই, ভাসে-
গল্পরা তাই অধর,
ওরা ঘুরছে আশেপাশে।।
৩.
পণ করেছে গল্পেরা আজ,
নামবে না এই পথে!
টলবে তো না-ই, বলবেও না,
কঠোর শপথে।
গল্প কোথায়? গল্প কোথায়?
হন্যে হয়ে ঘুরি
গল্পেরা নেই, চাঁদেই গেছে?
কোথায় চাঁদের বুড়ি?
গল্পেরা তাই পণ করেছে,
কঠোর বাস্তবতা-
পোষে যে-যে, তার সাথে নেই
গল্পজনের কথা।
৪.
তার বয়স কত ছিল, ঠিকঠিক ঠাহর করতে পারিনাই বাপু
ফ্যানরঙা ছানি যেমন চোখের সামনে, মধ্যে, সব খুয়া খুয়া দেখায়-
তেমন পর্দা পড়ল, টিকটিকির ন্যাজের মতন কোথায় খসে পড়ল-
এ-ক-দম্ ঠাহর করতে পারিনাই।
গর্ভপাতের বাচ্চা যেমন মায়ের মন থেকে যায় না,
তেমনি ওই অংশটা যন্ত্রণা দেয়গো বাপু!
বিশ্বেস যাবেন না কচ্ছি! একেবারে মা- মা- করে ডাকে...
না হওয়া বাচ্চার কথা মনে করে আয়নায় চেয়ে মা যেমন চুল আঁচড়ায়-
আমিও তেমনধারা সুখের দিকে চেয়ে দুনিয়া আঁচাড়ইগো বাপু!
বিশ্বেস তো যাবেন না, শরীরেরই অংশ, তার নাম গল্প ছিল।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



