somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একজন আব্দুল বারিক

১২ ই জুন, ২০১৬ সকাল ১১:৩৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


আমরা চেতনাধারী...!!
মুক্তিযোদ্ধা কোটায়, আমরা হাজার হাজার ছেলেমেয়ে নামিদামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করি, গুরুত্বপূর্ণ পদে চাকরি করি, অফিসের বিলাসবহুল কামরায় ইজি-চেয়ারে দোল খাই।
এখানেই শেষ নয়, মানুষটা (মুক্তিযোদ্ধা) মরে যাবার পরেও আমরা প্রতি মাসে একটা নির্দিষ্ট অংকের ভাতা গ্রহণ করি শুধু তারই মহৎ কর্মগুনে।
এক কথায়, মরে গিয়েও সে তার আপনজনদের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছেন।
প্রতি বছর বিশেষ বিশেষ দিবসে আমরা তাদের প্রতি শ্রদ্ধা দেখাই, মৃতদের আত্মার শান্তি কামনা করি।
তবে,
যারা বেঁচে আছে, তাদের খবর রাখিনা।
তারা কিভাবে বেঁচে আছে, বেঁচে আছে কিনা মরে গেছে, ঠিকমত দুবেলা খাবার পাচ্ছে কি পাচ্ছে না, সে খেয়ালটুকুও আমরা নেই না।
এমনও পরিবার আছে, যেই পরিবারের সন্তানেরা মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বড় মাপের চাকরি করে, আর তার বাবার ঘরে নুন আনতে পান্তা ফুরায়।
বাহ...!!
মা-বাবাকে আলাদা করে দিয়ে তাদের বানানো সিঁড়ি বেয়ে আমরা তরতর করে উপরে উঠি। আর তাদের অবদান ভুলে যাই।
চোখের জলে সিঁড়ির কারিগরটা গড়াগড়ি খায় সিঁড়ির তলাতেই।
তবুও আমরা চেতনাধারী...!!

আব্দুল বারিক...
একজন মুক্তিযোদ্ধা...
বাঙালী জাতির ইতিহাসে সেরা নায়কদের একজন।
যার পায়ের ছেঁড়া জুতাটাও আমাদের মাথার কাছে তুলে রাখার মত মর্জাদাপূর্ণ।
অথচ, ইতিহাসের সেই মহান নায়কই রাস্তার মোড়ে ছেঁড়া চটে বসে দিনভর আমাদের জুতা সেলাই করছেন।
তাও শুধু বেঁচে থাকার সংগ্রামে।
আমরা অধমেরা নিঃস্বার্থে তার মুখে একমুঠো ভাত তুলে দিতে পারছি না।
জীবন সীমান্তের একেবারে কাছাকাছি এসেও তিনি সুখটাকে সেভাবে ছুঁয়ে দেখতে পারেননি, যেভাবে আমরা তার দোহাই দিয়ে অবিরাম ভোগ করে যাচ্ছি অনাবিল সুখ।
তবুও আমরা চেতনাধারী...!!

আজ আমরা বর্তমান।
আমাদের পরে আরেক প্রজন্ম আসবে।
সেও আব্দুল বারেকের দোহাই দিয়ে লাখো জনতার ভীর ঠেলে এগিয়ে যাবে সুখ কুড়াতে।
তারপর আরেক প্রজন্ম আসবে... আর, এভাবেই চলতে থাকবে বিরামহীন।
আমরা প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম পাড় হবো।
অনেক গুনী মানুষ জন্মাবে বাংলার এই মুক্ত বাতাসে।
যে বাতাস ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল জুড়ে ছড়িয়ে দিয়েছিলো এই আব্দুল বারিকেরা।
আমরা একদিন তাদের ভুলে যাবো।
তাদের অভাবটুকুও হয়তো আমাদের বোধগম্য হবে না।
তবে, অভাবটা চিরকাল বুকে আগলে রাখবে রক্তে রঞ্জিত এদেশের মাটির প্রত্যেকটি কনা।
যখন থেকে তার বুকে আর কখনো জন্ম নেবেনা একাত্তরের আব্দুল বারিক, আর তার লাখো-কোটি সহোদর। আমরা চেতনাধারী...!!
মুক্তিযোদ্ধা কোটায়, আমরা হাজার হাজার ছেলেমেয়ে নামিদামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করি, গুরুত্বপূর্ণ পদে চাকরি করি, অফিসের বিলাসবহুল কামরায় ইজি-চেয়ারে দোল খাই।
এখানেই শেষ নয়, মানুষটা (মুক্তিযোদ্ধা) মরে যাবার পরেও আমরা প্রতি মাসে একটা নির্দিষ্ট অংকের ভাতা গ্রহণ করি শুধু তারই মহৎ কর্মগুনে।
এক কথায়, মরে গিয়েও সে তার আপনজনদের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছেন।
প্রতি বছর বিশেষ বিশেষ দিবসে আমরা তাদের প্রতি শ্রদ্ধা দেখাই, মৃতদের আত্মার শান্তি কামনা করি।
তবে,
যারা বেঁচে আছে, তাদের খবর রাখিনা।
তারা কিভাবে বেঁচে আছে, বেঁচে আছে কিনা মরে গেছে, ঠিকমত দুবেলা খাবার পাচ্ছে কি পাচ্ছে না, সে খেয়ালটুকুও আমরা নেই না।
এমনও পরিবার আছে, যেই পরিবারের সন্তানেরা মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বড় মাপের চাকরি করে, আর তার বাবার ঘরে নুন আনতে পান্তা ফুরায়।
বাহ...!!
মা-বাবাকে আলাদা করে দিয়ে তাদের বানানো সিঁড়ি বেয়ে আমরা তরতর করে উপরে উঠি। আর তাদের অবদান ভুলে যাই।
চোখের জলে সিঁড়ির কারিগরটা গড়াগড়ি খায় সিঁড়ির তলাতেই।
তবুও আমরা চেতনাধারী...!!

আব্দুল বারিক...
একজন মুক্তিযোদ্ধা...
বাঙালী জাতির ইতিহাসে সেরা নায়কদের একজন।
যার পায়ের ছেঁড়া জুতাটাও আমাদের মাথার কাছে তুলে রাখার মত মর্জাদাপূর্ণ।
অথচ, ইতিহাসের সেই মহান নায়কই রাস্তার মোড়ে ছেঁড়া চটে বসে দিনভর আমাদের জুতা সেলাই করছেন।
তাও শুধু বেঁচে থাকার সংগ্রামে।
আমরা অধমেরা নিঃস্বার্থে তার মুখে একমুঠো ভাত তুলে দিতে পারছি না।
জীবন সীমান্তের একেবারে কাছাকাছি এসেও তিনি সুখটাকে সেভাবে ছুঁয়ে দেখতে পারেননি, যেভাবে আমরা তার দোহাই দিয়ে অবিরাম ভোগ করে যাচ্ছি অনাবিল সুখ।
তবুও আমরা চেতনাধারী...!!

আজ আমরা বর্তমান।
আমাদের পরে আরেক প্রজন্ম আসবে।
সেও আব্দুল বারেকের দোহাই দিয়ে লাখো জনতার ভীর ঠেলে এগিয়ে যাবে সুখ কুড়াতে।
তারপর আরেক প্রজন্ম আসবে... আর, এভাবেই চলতে থাকবে বিরামহীন।
আমরা প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম পাড় হবো।
অনেক গুনী মানুষ জন্মাবে বাংলার এই মুক্ত বাতাসে।
যে বাতাস ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল জুড়ে ছড়িয়ে দিয়েছিলো এই আব্দুল বারিকেরা।
আমরা একদিন তাদের ভুলে যাবো।
তাদের অভাবটুকুও হয়তো আমাদের বোধগম্য হবে না।
তবে, অভাবটা চিরকাল বুকে আগলে রাখবে রক্তে রঞ্জিত এদেশের মাটির প্রত্যেকটি কনা।
যখন থেকে তার বুকে আর কখনো জন্ম নেবেনা একাত্তরের আব্দুল বারিক, আর তার লাখো-কোটি সহোদর।

আমার ব্যক্তিগত ব্লগে পূর্বপ্রকাশিত
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুন, ২০১৬ সকাল ১১:৪১
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

যারা জানেন না তাদের জন্য! কফি এনিমা (Coffee Enema)!

লিখেছেন সাহাদাত উদরাজী, ২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৩

কফি এনিমা হলো মলদ্বার দিয়ে কোলন বা বৃহদন্ত্রে তরল কফি প্রবেশ করিয়ে পেট পরিষ্কার করার একটি বিকল্প পদ্ধতি। নিচে এটি শরীরে দেওয়ার সাধারণ প্রক্রিয়াটি ধাপে ধাপে উল্লেখ করা হলোঃ

প্রয়োজনীয় উপকরণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মিলাদুন্নবী: ভালোবাসার নবী, মানবতার শ্রেষ্ঠ আদর্শ

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৮


মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মদিন বা মিলাদুন্নবী শুধু একটি ঐতিহাসিক স্মরণদিন নয়; এটি মানবতার জন্য এক মহান আদর্শের কথা স্মরণ করার উপলক্ষ। তাঁর আগমন ছিল এমন এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মক্তব চালু করলে শিশুরা ফিরে আসবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৪২


ববি হাজ্জাজ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। মুসা বিন শমসেরের ছেলে। মন্ত্রী হওয়ার পর থেকে পুরো দেশ চষে বেড়াচ্ছেন। নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন, নতুন নতুন আইডিয়া দিচ্ছেন। মনে হয়,... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঁধনের কেন ফেমিকন লাগে !!!

লিখেছেন অপলক , ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৩৪



বাঁধন এখন বন্ধন মুক্ত। মিডিয়া পাড়ায় সরব উপস্থিতি। উপর মহলের ডাকে সারা দিতে হয়। কাজেই ফেমিকন লাগতেই পারে। মানে ফেমিকনের এ্যাড করা লাগতেই পারে। মিডিয়া আইকন হিসেবে জনসচেতনাতা বাড়াতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“উন্নয়নের দুর্ভিক্ষে বাংলাদেশ”

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৮



বাং/লাদেশের মূর্খ জনগণ উন্নয়নের চেয়ে কথিত ফ্যাসিবাদকে বড় করে দেখেছে কিন্তু “উন্নয়নের দুর্ভিক্ষ” কি জিনিস তা দেখেনি।

দেখতে থাকুক….। আর ভাতের দুর্ভিক্ষ শুরু হলে বলে…..।

ফ্যাসিবাদ দূর করতে গিয়ে উন্নয়নই "নাই"... ...বাকিটুকু পড়ুন

×