
বিথী বড় ভালো গৃহিণী দুই ছেলেমেয়ের সংসার
স্বামী সন্তান অর্থ বৈভব কিছুই নেই অভাব তার ।।
সংসারে কাজগুলি তার অনেকটাই সাধারণ ,
কাজের লোকই সব দেখে ,এত সময় সে পাবে কখন?!
অবসর কাটে সিরিয়াল দেখে আর চালায় ফেসবুক
কথা বার্তায় চাল চলনে সদাই দারুণ হাস্যমুখ ।
স্বামী বেজায় ব্যস্ত ,মস্ত বড় চাকুরে
তারপরে সে দারুণ ভালো , পরিশ্রমী আর রোজগেরে ।
দ্বায়িত্বজ্ঞান দারুণ অটুট ,সময়জ্ঞান যথাযথ
কথা দিলে কথা রাখেন , চলেন স্ত্রীর কথামতো ।
প্রত্যেক ছুটির দিনগুলিতে একসাথে যান বেড়াতে
মজা আনন্দ সব কিছু হয় , ক্লান্তি যত তাড়াতে ।
ইচ্ছেমতো সব চলে, বিথীর সব সাধই নাগালে ,
ফোনের ক্রসকানেকশনে , সম্পর্ক হলো হঠাৎ গোলমেলে ।
ইদানিং বিথী ছেড়েছে ফেসবুক ও যত ভালোলাগার সিরিয়াল
স্বামী সংসার কোন কিছুর ব্যাপারে, তার মনে আর নাই খেয়াল ।
বাচ্চা দুটো দুচোখের বিষ , কথায় কথায় ঝাড়ি খায় ,
হাসান সাহেব ইদানিং বউকে খুব ভয় পায় ।
উগ্রতা আর অতি আধুনিকতা হঠাৎ বিথীতে করেছে ভর ।
সারাদিন সে ফোনে ব্যস্ত , ফোন যেন তার আপন ঘর ।
হাসান সাহেব ভদ্রমানুষ, মনে তার ভীষণ কষ্ট
এসব নিয়ে অশান্তিতে ,তিনি খুব বিরক্ত ,স্পষ্ট।
তবু তিনি শান্তির খোঁজে অশান্তি আনতে চাননি
শেষ পর্যন্ত তিনি হাজার চেষ্টায় সংসার টিকাতে পারেননি ।
একদিন বিথী উড়াল দিলো সত্যি সত্যি সুখের খোঁজে
বাচ্চা দুটি অসহায় , কান্না করে নিঃশব্দে মুখ বুজে
মানুষের প্রশ্নবানে হাসান সাহেব ,কত যে হলো জর্জরিত
সবচেয়ে বেশি কষ্ট পেলেন ,হলেন যারপর নাই মর্মাহত।
হাসান সাহেব ভাবেন হায়! কি তার দুর্বলতা !!
কি দিতে বাকি ছিলো তার , কোথায় তার ব্যর্থতা ?
ছবি গুগোল থেকে
কবিতাটি রাজীবভাইকে উৎসর্গ করলাম। যিনি আমাকে সবসময় লেখালেখিতে উৎসাহিত করেন।তার জন্যই এই লেখা।
ধন্যবাদ
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুলাই, ২০২০ ভোর ৬:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


