somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গল্পঃ চকোরী

২২ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ৭:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :





ঘড়িতে এখন দশটা তিরিশ বাজে,টেনশন নিয়ে আমি হাত ঘড়িতে চোখ বুলালাম আর মনে মনে ভাবলাম আজও কি চকোরী দেরিতে আসবে?

আর তখনই দুর থেকে দেখতে পেলাম চকোরীকে। মনটা এক নিমেষে খুশিতে ভরে উঠলো। টেনশনও কিছু টা দুর হলো।

আজ আমাদের দুজনের জন্যই বিশেষ একটা দিন।এ যাবৎ কাল ধরে আমাদের দেখা করার দিনগুলোতে সাধারণত চকোরী নির্ধারিত সময়ের অনেকটা পরেই আসে। প্রতিদিন লেট।মহা বিরক্তিকর অবস্থা।

তবে আজ একেবারে পারফেক্ট টাইমিং। নতুন জীবনের শুরুতে নিজেকে শুধরে নেওয়াটা সত্যি এক দারুণ ব্যপার। চকোরীর সিরিয়াসনেস দেখে আমার সত্যি সত্যি ভালো লাগলো।

চকোরী আজ আকাশ নীল শাড়ী পরেছে। শাড়ির সাথে মিলিয়ে হাতে পরেছে নীল রেশমীচুড়ি। শাড়িতে সে খুব একটা অভ্যস্থ নয়, তা তার হাঁটাচলায় বোঝা যাচ্ছে। শাড়ি সামলে বারবার চুলগুলোকে ঠিক করছে সে মহা বিরক্তিতে।

শ্যম্পু করার পর চুলগুলো আসলেই বড্ড বেয়াড়া হয়ে যায়।চকোরী আরো কিছু টা এগিয়ে আসতে দেখা গেল কপালে টিপও পরেছে নীল রঙের। আর খোপায় দিয়েছে নীল অপরাজিতা ফুল। চমৎকার কম্বিনেশন। সমস্ত নীলের মধ্যে তার সুন্দর মুখখানি দারুণ মায়াময় লাগছে।

আমি দ্রুত ওর দিকে এগিয়ে গেলাম।
-তোমাকে নীল পরীর মত লাগছে সোনা। শুধু দুটো ডানা লাগাতে হবে এই যা।
চকোরী চোখ মুখ নাচিয়ে বলল,তাই নাকি?
- সত্যি বলছি। নীল পরি।
আমাকে পাত্তা না দিয়ে সে হঠাৎ বলল,
- কতক্ষণ এলে?
-একটু আগেই এসেছি। জানো তো খুব বেশি মাত্রায় এক্সাইটেড ফিল করছি। তাই রাতে ঠিক মত ঘুমাতে পারিনি।সকালে উঠেই চলে এলাম।
- কবিরা সবসময় একটু বেশি বেশিই এক্সাইটেড ফিল করে। অলীক স্বপ্ন দেখে তো, বাস্তব জ্ঞান বুদ্ধি কম থাকে বলেই এমন অবস্থা।
-আবার শুরু করলে? আজকের দিনটা না হয় একটু কনসিডার করতে।
- তোমাকে সারা জীবনের জন্য কনসিডার করা হল যাও।
- মানে? যাহোক চলো তাড়াতাড়ি রায়হান আর তৌসিফ অপেক্ষা করছে।
-ওরা অপেক্ষা করছে কেন? আজ কি কোন বিশেষ প্রোগ্রাম আছে?

-বাহ ভুলে গেলে? নাকি মজা করছো।ওরা তো আমাদের বিয়ের সাক্ষী হবে। তাই অপেক্ষা করছে।

-বিয়ের সাক্ষী? আচ্ছা বিয়ে হ্যাঁ বিয়ে করে তুমি আমাকে কোথায় নিয়ে তুলবে? তোমাদের ওই দুই রুমের বাড়িতে? খাওয়াবে কি? উপোস চচ্চড়ি?

-এসব কথা এখন আসছে কেন? কি আজিব!

-আমি অনেক ভেবে দেখলাম। বুঝছো? তোমাকেও বহুবার বলেছি একটা চাকরি জোগাড় করো। তা না সারাদিন কবিতা, কবিতা, কবিতা। অসহ্য লাগে আমার । সামান্য হোক একটা চাকরির কথা বলেছিলাম তুমি গ্রাহ্যই করলে না, সারাদিন তোমার ওই কবিতা আর গল্প লেখা। কি পরিচয় দেব তোমাকে আমার আত্নীয় স্বজনকে? বুক ফুলিয়ে বলবো আমার স্বামী একজন উদীয়মান কবি! ব্যাপক তার প্রতিভা! ফর ইয়োর কাইন্ড ইনফরমেশন এদেশের আবহাওয়ার কারণেই বেশির ভাগ মানুষ ই স্বভাব কবি।কবি হওয়া কোন যোগ্যতার মধ্যে পড়ে না।

-কবিতার প্রতি তোমার এত অভিযোগ? আমার প্রতিও তোমার এত অভিযোগ জানতাম না তো, ভেবে পাচ্ছি না আমার জানাশোনায় এত বড় ভুল কি করে হলো? অথচ একদিন আমার কবিতা পড়েই তুমি আমার প্রেমে পড়েছিলে।
-অতীত কপচিও নাতো। পাস্ট ইজ পাস্ট।
-তাহলে আমাদের বিয়েটা।
-ক্যান্সেল।
-ক্যান্সেল মানে কি?
-ক্যান্সেল মানে ক্যান্সেল। স্যরি,আমার বিয়ে হয়ে গেছে অপূর্ব।
- এসব তুমি কি বলছো?
- মায়ের বান্ধবীর ছেলে। কানাডায় পড়াশোনা করে।দেখতে শুনতে দারুণ স্মার্ট। এত ভালো প্রস্তাব ভেবে দেখলাম বিয়েটা সেরে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। তুমি আগামী পাঁচ বছরেও চাকরি জুটাতে পারবে না সেটা আমি বুঝে গেছি। তাই বিয়েটা সেরে নিলাম।

কি বলবো আমি? কি বলা উচিত? কিছুই আমার মাথায় আসছে না। বুকের ভিতরটা শুধু মুচড়ে উঠছে।হু হু করছে। উফ! এত কষ্ট কেন ভালোবাসায়।
খানিকটা সামলে হঠাৎ আমি ইউ টার্ণ নিলাম। এই বেইমান, স্বার্থপর মেয়েটার কাছে কিছুতেই আমি হারবো না,কিছুতেই না।হাসিমুখে যেন সব মেনে নিয়েছি এমন ভাবে বললাম,
-আসলে চকোরী, তুমি বুদ্ধিমানের মত কাজটা করেছো। তোমার নিজের সিদ্ধান্ত তুমি নিজে নিয়েছো। আমারও দায় মুক্ত হলো।
আসলে আমিও অন্য একটি রিলেশনে আছি। বিয়ের কথা বলে তোমাকে বাজিয়ে দেখতে চেয়েছিলাম তুমি আমার প্রতি কতটা ইনভলবড। যাহোক যা হয়েছে ভালো হয়েছে। উইশ ইউ অল দ্যা বেস্ট। তাহলে আর কি, বাই।

চকোরীকে এতটা অবাক হতে আমি কখনও দেখিনি।ওর চোখ কি কিছুটা ভিজে উঠল।ও অদ্ভুতভাবে আমার দিকে তাকালো।
আমি আর ওখানে এক মুহুর্ত থাকলাম না।ওর দিকেও আর তাকালাম না কারণ এত বড় মিথ্যা বলার পর ওর চোখে চোখ রাখতে পারবো না ধরা পড়ে যাবো। আমি চাই না চকোরী আর আমার সম্পর্কটা নিয়ে ও নিজে কোন হীনমন্যতায় ভুগুক। আমি সোজা লেকের পাড় ধরে হাঁটতে লাগলাম। ফোন বের করে কারো সাথে কথা বলছি এমন ব্যস্ততা দেখিয়ে সামনে এগিয়ে গেলাম।
অনেকটা দুর গিয়ে একবার চকোরীর অবস্থান দেখার লোভ অনেক কষ্টে সামলাম। সে বেচারা হয়তো এখনও ওখানে দাঁড়িয়ে আছে। থাকুক। পরস্ত্রীর সাথে আমার কি সম্পর্ক।
বেশ খানিকটা বাদে আমি আমার কাঁধের ব্যাগ থেকে কবিতার খাতা বের করে পৃষ্ঠা গুলো একে একে ছিড়তে লাগলাম আর হাওয়ায় ভাসিয়ে দিলাম।

ভুল সবই ভুল। এ জীবনের পাতায় পাতায় যা লেখা সে ভুল।

তারপর মোবাইলের সীম খুলে ফেলে দিলাম লেকের জলে। যাক সব ভেসে, আমার অতীত বর্তমান ভবিষ্যৎ। যাক ভালোই হলো আর কেউ আমাকে বিরক্ত করবে না। আমিও কারো বিরক্তির কারণ হবো না।

এভাবে বসে আছি কতটা সময় নিজেই জানি না। হঠাৎ পিঠে কার যেন হাতের নরম স্পর্শ পেলাম।
কে? চকোরী? ফিরে এলো তাহলে?
আমি আস্তে আস্তে মাথাটা ঘুরিয়ে দেখি না এতো চকোরী না ও তো মিনা। আমার ছোট বোন। তখন খেয়াল করলাম দুপুর গড়িয়ে গেছে।
- দাদা তুই এখানে কি করছিস।
-কিছু না,বসে আছি এমনি।
- মা তোকে খুঁজে খুঁজে হয়রান। তোর ফোন বন্ধ কেন?
-সীমকার্ড ফেলে দিয়েছি।
-ওমা কেন?
- বাদ দে। বাড়ি চল,তার আগে বল আমি এখানে আছি তোকে কে বলল?
- আরে পলাশদার ছেলে পাপলু সাইকেল চালাতে এদিকটায় আসে, তোকে লেকের পাড়ে বসে থাকতে দেখে বাড়িতে খবর দিয়েছে তুই নাকি কান্নাকাটি করছিস। সত্যি কি কাঁদছিলি?
- আরে বাজে কথা, বানিয়ে বানিয়ে বলেছে। বাদ দে।

বাড়ি ফিরতে দারুণ এক খবর এল আমার প্রাইমারী স্কুলের চাকরির ভাইভা কার্ড এসেছে। বাড়িতে সবাই খুশি, যেন ঈদের আনন্দ।
মাস খানেক পরে আমি স্কুলে জয়েন করলাম।তার বছর খানেক পরে সেকেন্ড অফিসার পদে আমার সোনালী ব্যাংকে চাকরি হলো। জীবন বয়ে চলল তার নিয়মে।

এরপর আঠারো বছর কেটে গেল। আমার জীবনে অনেক উথান পতন হলো। বোনদের বিয়ে হয়ে গেল।একসময় বাবা মা ওপারে চলে গেলেন কিছু সময়ের ব্যবধানে। এখন আমার একাকী জীবন। বিয়ে আর করা হয়ে ওঠেনি।একজীবনে ক'জনকে ভালোবাসা যায়? আর যাই করি আমি কাউকে ঠকাতে পারবো না।

এখন আমি ভীষণ ব্যস্ত মানুষ। চাকরিতে যেমন উন্নতি করেছি তেমনি লেখালেখিতে যথেষ্ট খ্যাতি অর্জন করেছি। গত তিন বছর পর পর আমার বই বেস্ট সেলার হয়েছে। অনেক পুরষ্কার এখন আমার ঝুলিতে। যদিও আমি বেস্ট সেলার, পুরষ্কার এসবে বিশ্বাসী নই। তবু জনপ্রিয়তা কার না ভালো লাগে।

ফেব্্রুয়ারীর এক আলো ঝলমলে দিন। বইমেলা কেবল শুরু হয়েছে।
সেদিন সকাল সকালই বইমেলাতে গেছি। অন্য একটা কাজ পড়ে গেছে তাই তাড়াতাড়ি ফিরবো বলে একটু বইমেলাতে ঢু মারা আরকি।হঠাৎ দেখি এক কিশোরী মেয়ে আর তার সাথে এক দম্পতি। স্বামী স্ত্রীই হবে আমাকে দুর থেকে লক্ষ করছে। আমাকে দেখে দৌড়ে কিশোরী মেয়েটি এগিয়ে এলো।
- আপনি নিশ্চয়ই অপূর্ব কুমার।
- জ্বী।
- আমি আপনার ভীষণ ফ্যান।
- ওহ তাই নাকি? ধন্যবাদ।
- আমার মা আর বাবাও আপনার ভীষণ ফ্যান। বাবা আপনার বিরহের কবিতাগুলো পড়ে আর চোখের জল ফেলে।
- চোখের জল ফেলে কেন?
- আপনার বিরহে সে কাতর হয়ে পড়ে। কষ্ট পায়।
- বোকা মেয়ে ও সব তো বানিয়ে বানিয়ে লিখি। সব মিথ্যা।
- যাহ তাই হয় নাকি? মিথ্যা? বানিয়ে লেখা কি এত সহজ?
- জানিনা। আমি এত প্রশ্নে বিব্রতবোধ করছিলাম। এটা মনে হয় মেয়েটির মা বুঝতে পারছিলো। সে এগিয়ে এসে বলল
- কিছু মনে করবেন না প্লিজ আমার মেয়েটি অবুঝ। হুটহাট কি বলে বসে নিজেই জানেনা। মাফ করবেন আমি ওর হয়ে ক্ষমা চাচ্ছি।
মুহুর্তে আমার আকাশ বাতাস দুলে উঠল। এত চকোরী । আমি বাক রুদ্ধ হয়ে গেলাম।
আমি শুনতে পেলাম কিশোরী মেয়েটি বলছে মা মা আমি ওনার নতুন বইদুটো কিনবো। উনি নিজে অটোগ্রাফ দিবেন। বলনা উনাকে অটোগ্রাফ দিতে।
আমি কোন কথা বলতে পারছিলাম না, কেমন যেন অসুস্থ বোধ করছিলাম। চকোরীর স্বামী এগিয়ে এসে আমার সাথে হাত মেলালো।আমার মাথায় তখন ভোঁতা একটা যন্ত্রণা হচ্ছে।
কিছু কথার পরে চকোরীর স্বামী আমায় বলছে,
- কিছু মনে করবেন না একটা প্রশ্ন ছিল, আচ্ছা যতদুর জানি আপনি বিয়ে করেন নি। একাই থাকেন। কেন? কে সে রমনী যার বিরহে আপনি নিজের জীবনটা শেষ করে দিলেন?

আমি শুধু মোহাবিষ্টের মত বললাম, না না তেমন কোন কারণ নেই। সময় করে ওঠা হয়নি নানা ব্যস্ততায়। তাই বিয়ে করা হয়নি।
চকোরী কেন জানি মুখটা ঘুরিয়ে নিল। তার চোখে সানগ্লাস। তবে আমি সামান্য সময়ের জন্য হলেও এক পলক দেখে বুঝতে পারলাম তার চোখে জল।
আহ! চকোরী হয়তো আমাকে এখনো ভালোবাসে। আবার কে জানে হয়তো নিজের সংসার নিয়ে সে সুখেই আছে।

© রফিকুল ইসলাম ইসিয়াক।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:০৬
৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭



মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ পাখির জগত

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০০



টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।

টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।

বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোহভঙ্গ!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:৪৮



পদ্মা সেতু নিয়ে কত অপবাদই না দেয়া হয়েছিলো! বলা হয়েছিলো- বাংলাদেশ কখনো নিজস্ব অর্থায়নে এত বড় প্রকল্প করতে পারবে না। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক সরে দাঁড়ায়। অথচ শেষ পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×