
-এই তুমি কি করছো?
সেই ছোট্ট বেলার মত শওকত জামিল জানালার ফাঁক দিয়ে কাজটা চুপিচুপি সারতে চেয়েছিলেন কিন্তু আচমকা টুম্পার বেহুদা চিৎকারে চমকে উঠতেই তার কাপড় ও তৎসংলগ্ন স্হান কিছুটা আদ্র হয়ে গেল মুহুর্তেই।সেই সাথে বিশ্রী কটু গন্ধ।
টুম্পা তো এতক্ষণ ঘুমিয়ে নাক ডাকছিলো,উঠলো কখন?
শওকত জামিল বিরক্ত হয়ে উত্তর দিল,
-এইটা কি করলা?
-কি করলা মানে? করতেছি আমি না তুমি?
- সব তো দেখতেই পারছো, তাহলে বিরক্ত করছো কেন?
-দেখতে পারছে আমি না তোমার পাশের বাসার ভাবি? কামান তো ওই দিকেই ফিট করে রাখছো।
-খবরদার আউল ফাউল কথা বলবা না। আমার এইটা কামান? তাহলে তো তোমার এখানে থাকার কথা না। এতদিনে কবেই উড়ে যেতে।
- বাদ দাও বাদ দাও। লজ্জা করে না মধ্য রাতে এসব করতে।
- বেগ আসলে কি করবো?
-বেগ আসলে কি করতে হবে তোমায় এই বয়সে শেখাতে হবে? ওয়াশ রুম নাই? বেগের সাথে সাথে আবেগও কি হারিয়ে বসে আছো নাকি? নাকি পাড়া পড়শী আপু ভাবীদের মনোরঞ্জন করতেছ।
-রাতদুপুরে কি শুরু করলে?
- শুরু আমি করেছি না তুমি?
- শীত লাগে তাই ভাবলাম।এখন অনেক রাত কে আর দেখবে তাই জানালা দিয়ে ঝেড়ে দিলাম। শর্টকাট আরকি।
-ঠিক হইছে যাও ওয়াশ রুমে যাও। এখন এই মাঘ মাসের শীতের রাতে গোসল করে ফ্রেশ হও। দেখ কেমন লাগে! কাপড় বিছানাও তো সব নষ্ট। আমার হইছে যত জ্বালা । দামড়া গরু বোধ বুদ্ধি নাই।
সামান্য জল বিয়োগে যে এত প্যারা নিতে হবে কে জানতো। শীতের রাতে গোসলের শাস্তি আর কিছুর সাথে তুলনা নাই। শওকত জামিল কাঁপতে কাঁপতে ওয়াশরুমে ঢুকলেন।
© রফিকুল ইসলাম ইসিয়াক
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জানুয়ারি, ২০২৩ সকাল ৮:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




