ক্ষতস্থানে রক্ত যখন জমাট বাঁধে,
তখন রক্ত আর গড়িয়ে পরে না।
রক্ত কখন জমাট বাঁধে জানো!
জখমটা যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে,
তখন অনুচক্রিকারা উঠে পড়ে লাগে রক্ত-তঞ্চনে।
অনির্বচনীয় দুঃখের আঘাতেও
আখিঁতে আমার অশ্রুর দেখা মেলে না।
তারও বুঝি অনিবার্য কারণ এটি ?
শরীর যতটা কোষ নিয়ে গঠিত,
তার চেয়ে ঢের বেশী দুঃখ কামড় বসিয়েছে
দেহে; অথচ কান্নার নাম গন্ধ নেই!
কাঁদতাম, প্রচুর কাঁদতাম আগে;
জ্বলজ্যান্ত মানুষের ঘাড়ে ছুরি বসালে
যেমন ফিনকি দিয়ে রক্ত বেরোই;
সেভাবে নয়নজুড়ে নামত শ্রাবণধারা।
এখন কাদঁতে জানিনা, অশ্রু কি জিনিস
ভুলে গেছে আঁখিরা। কাঁদতে চাইলেও ভেতরের
অনুভূতিরা অশ্রুবিন্দু গুলোকে উৎস মূলে গিলে নেয়।
হৃদয়ে মহাযন্ত্রনাদায়ক এক অশ্রু-তঞ্চন চলছে ...
বিধাতা, জখম দেয়ার লোক তো ঢের দিয়েছো
আমার চার পাশে; কই? তার পরিচর্যা করার মতো
কাউকে তো পাঠালে না! কেন এমনটা করলে???

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



