“ম্যারাডোনা মারা গেছে! ফুটবলার ম্যারাডোনা নয়। আমার এক জুনিয়র বন্ধু সে। নামটা তার সহপাঠি মানে আমার জুনিয়র বন্ধুদের দেওয়া। আসল নাম সাগর। স্কুলে এক ব্যাচ জুনিয়র হওয়ার পরেও তার সাথে আমার ভাল বন্ধুত্ব ছিলো কারণ প্রায় সময় আমরা স্কুল ছুটির পর একসাথে ক্রিকেট বা ফুটবল খেলতাম। এইত কয়েক দিন পূর্বে ও ছেলেটা S.S.C পরিক্ষার জন্য প্রিপারেশন নিচ্ছিল। ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হবার জন্য Science নিয়েছিল। ব্লাড ক্যান্সারে দুনিয়া থেকে মুক্তি পেল বেচারা। লাশটা আমি দেখতে পাইনি তবে শুনেছি এক টুকরো হাসি ছিলো লাশটার মুখে। ঘটনাটা কয়েক দিনের পুরনো। ঐদিন কলম হাতে উঠেনি তাই আজ লিখলাম। পাশের বাসায় এক প্রতিবেশি তার বউকে ঠেঙ্গাচ্ছে। তাদের ঝগড়া শুনছি আর লিখছি। লিখতে আর ভাল লাগছেনা। দুনিয়াটা ভাল না। ভাল মানুষ বেশিদিন বাঁচে না। আমরা বাজে মানুষরাই বেশি দিন বেঁচে থাকি।”
উপরের লিখাটি ২০০৮ সালের জানুয়ারী মাসে লিখেছিলাম। পুরনো ডায়েরীর পাতা উল্টানোর সময় লিখাটি চোখে পড়লো। পুরনো একটি ক্ষত নতুন অবয়ব পেল। একটি পুরনো মুখ ব্রেনের মেমোরী সেল থেকে মনের পর্দায় ভেসে উঠলো যা হয়তো এতদিনে চেহারা থেকে করোটি, করোটি থেকে ধূলোয় পরিনত হয়েছে। যাইহক, শুধু বলতে চাই, “রেষ্ট ইন পিস, ম্যান। আই মিস ইউ ম্যারাডোনা।”
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:১৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




