ছোট এক বাচ্চা খেলা করতে করতে একটা গাছ জড়িয়ে ধরলো। তারপর হঠাৎ করে সে ভয় পেয়ে ভুলে গেল কি করে গাছটা ছাড়তে হবে। সে এক হাত দিয়ে আর এক হাত ধরে রেখেই টানাটানি শুরু করলো হাত ছাড়ানোর জন্য, কিন্তু হাত আর ছাড়ায় না। তারপর এলাকার বুদ্ধিমান মোড়লদের ডাকা হলো কি করা যায় সেই উপায় বের করার জন্য। মোড়লেরা অনেক চিন্তা ভাবনা করে উপায় বের করলো, বাচ্চার হাততো আর কাটা যায় না, সুতরাং গাছটাই গোড়া থেকে কেটে ফেলা হোক!!
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে পরীক্ষার্থিদের দেশব্যাপী ঘুরে বেড়ানোর কষ্ট, প্রশ্ন ফাস, ইত্যাদি সমালোচনা আছে। কিন্তু তার জন্য ভর্তি পরীক্ষা বাদ দেয়া গাছের গোড়া কেটে ফেলার মত সমাধান বলেই মনেকরি। যেখানে পরীক্ষা না দিয়ে এ+ পাওয়ার মত ‘অসাধারন’ ঘটনা এবং পরীক্ষার আগে প্রশ্ন পাওয়া ও ‘পাইকারী’ হারে এ+ পাওয়ার মত নৈমত্তিক ‘সাধারন’ ঘটনা ঘটে, সেখানে এসএসসি-এইচএসসির ফলাফলের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সিদ্ধান্ত প্রকৃত মেধাবীদের নিরুৎসাহীত করা থেকে বেশি কিছু করবে না। তাছাড়াও মোট এ+ এর সংখ্যাও বিশ্ববিদ্যালয়ের আসন সংখ্যা থেকে বেশি। সহজ সমাধান হতে পারেঃ
১) সমজাতীয় বিষয়ের জন্য একক ভর্তি পরীক্ষা (মেডিকেলের জন্য দেশব্যাপী একটা, ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্য একটা, বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটা)।
২) শুধু মাত্র এসএসসি-এইচএসসির মুল বই থেকে প্রশ্ন করা।
৩) এইচএসসির ১ মাসের ভেতর ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে নেয়া। এইচএসসির ফলাফল প্রকাশের পর চুড়ান্ত মেধা তালিকা প্রকাশ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

