somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সালেহ মতীন
ভাঙতে নয়, গড়তে চাই। গড়তে চাই সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের একটি বিশ্ব সৌধ। আগামী প্রজন্মকে হানাহানিমুক্ত একটি শান্তিময় সুন্দর পৃথিবী উপহার দিতে চাই। সুন্দরকে আরো সুন্দর করে সাজানো এবং পরিশীলিত ব্লগিং চর্চার মাধ্যমে পরিশুদ্ধ ও ঐক্যবদ্ধ জাতি গঠনই আমার সাধনা।

থাপড়িয়ে দাঁত ফেলে দেয়া আসলেই কি সম্ভব ?

১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৩৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কথায় কথায় অনেককেই বলতে শোনা যায়, ‘থাপড়িয়ে তোর দাঁত ফেলে দিব।’ কেউ কেউ আবার একটু অগ্রসর হয়ে নিজের সক্ষমতার মাত্রা সন্দেহাতীত করতে হুঁশিয়ারী দিয়ে থাকেন, ‘থাপড়িয়ে তোর সবগুলো দাঁত ফেলে দিব।’ সবাই জানে মানব সন্তানের সবগুলো দাঁত মানে হলো ৩২টি দাঁত। কথিত প্রক্রিয়ায় দাঁত ফেলানোর সক্ষমতা নিয়ে পূর্বে কখনো প্রশ্ন না তুললেও কয়েকদিন ধরে এ প্রশ্ন আমার মাথার মধ্যে ঘুর ঘুর করছে। এত বড় অসম্ভব একটি বিষয় অনায়াসে আদম সন্তানেরা কীভাবে উচ্চাারণ করে ?

এ অধমের নিচের মাড়ির একেবারে সুস্থ্য ও সক্ষম ৮নং দাঁতটি পাশের দাঁতের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার স্বার্থে ফেলে দেয়া আবশ্যক হয়ে পড়ল। আমার অভিজ্ঞ ডেন্টিস্ট প্রায় ২সপ্তাহ পরে ছুটিরে দিনে সিরিয়াল নির্ধারণ করলেন। নির্ধারিত তারিখের ৩দিন আগে থেকে শক্তিশালী ২ প্রকার ঔষধও খেতে বললেন। নির্ধারিত সময়ে সংশ্লিষ্ট দাঁতের বসবাস এরিয়া অবশ করতে ৫/৬টি ইনজেকশন দিলেন। আরো কয়েক প্রকার ঔষধ দিয়ে সম্ভবত দাঁতের গোড়া নরম করলেন। অতঃপর একজন সার্বক্ষণিক সহকর্মী ও একটি অত্যাধুনিক সাঁড়াশিসহ আরো কয়েকপ্রকার যন্ত্রপাতির সহায়তায় নিজের প্রায় সমস্ত শক্তি প্রয়োগ করে ৪০ মিনিটের মাথায় দাঁতটি তিনি উপড়াতে সক্ষম হলেন। অবশ করা সত্ত্বেও সরাসরি ব্যাথা না পেলেও কিছুটা ব্যাথার সাথে পুরো প্রক্রিয়া অনুভব করেছি। ব্যাপারটি আসলে সহজ নয়।

২০০৬ সালের এই ডিসেম্বরেই সড়ক দুর্ঘটনাজনিত কারণে আমার আরো ২টি দাঁত বিসর্জন দিতে হয়েছিল। সেটা ছিল সম্মুখভাগের উপরের দাঁত। তখন দাঁত উপড়ানোর কাঠিন্য সম্পর্কে তেমন একটা ভাবিনি। কিন্তু এবারের দাঁতটি ফেলতে গিয়ে বিষ্ময়ের সাথে অনুধাবন করলাম থাপড়িয়ে দাঁত ফেলানো কখনই সম্ভব নয়। হয়ত থাপড়িয়ে দাঁত ফেলে দেয়া হুমকিদাতারা কথার কথা হিসেবে ওটি বলে থাকেন- কিন্তু এত অসম্ভব একটি বিষয় কীভাবে আমাদের দৈনন্দিন কথাবার্তার মধ্যে অনুপ্রবেশ করল তা নিয়ে একটি গবেষণার প্রয়োজন আছে বলে মনে করছি।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৩৭
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জুলাই আগস্ট সেপ্টেম্বর কোন মাসেই নয় দুর্নীতি সেদিনই বন্ধ হবে-----

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫৪



জুলাই আগস্ট সেপ্টেম্বর কোন মাসেই নয় ..।

দুর্নীতি সেদিনই বন্ধ হবে
যেদিন মানুষ নিজের কাছে
মিথ্যে বলা বন্ধ করবে
অন্যায়ের সঙ্গে আপস না করে
সত্যের পথে দৃঢ় পায়ে চলবে।

যেদিন বিবেক জাগবে মনে
লোভ হারাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মধু মাসে বিয়া

লিখেছেন রোকসানা লেইস, ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৫৮


সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ অথচ রাতের বেলা দেখেছিলাম অনেক তারার মেলা আকাশে। একটুখানি অরোরার আলো ও ঝিলিক দিয়েছিল। রাত ভোরের দিকে অনেকটা সময় আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে ছিলাম। জরুরী কিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

সরকার কি ইউনূস সাহেবকে ভয় পাচ্ছে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:০৩


ব্যাপারটা এখন আর কোনো সন্দেহের অবকাশ রাখে না। বাংলাদেশে যে সরকারই আসুক, আওয়ামী লীগ হোক কিংবা বর্তমান সরকার, সবাই যেন একজন কমন করফাঁকিদাতা খুঁজে পেয়েছে। সেই করফাঁকিদাতার নাম... ...বাকিটুকু পড়ুন

অন্ধকারের আলোকবর্তিকা

লিখেছেন স্প্যানকড, ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৬




একটা দেশ যখন শিক্ষিত চাপাবাজ, ক্ষমতার দরবারে নতজানু বুদ্ধিজীবী এবং মুখোশধারী ডাকাতদের হাতে পড়ে, তখন সেই দেশ আর মানচিত্রে থাকা একটি ভূখণ্ড থাকে না, হয়ে যায় আলীবাবার চল্লিশ চোরের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মৃত্যুর আগে কি মানুষ টের পায়, সে মারা যাচ্ছে!

লিখেছেন রাজীব নুর, ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭



মৃত্যুর কয়েক মুহুর্ত আগে, টের পাওয়া যায়- মরে যাচ্ছি।
সময় শেষ। তবে সবাই বুঝতে পারে না। কেউ কেউ বুঝতে পারে। আমার বাবা একদিন মাকে বলল, আমার দোষ ত্রুটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×