আমাদের দেশের ভি. আই. পি সমাজ যদি অসুস্থ না হয় তবে সিঙ্গাপুরের হসপিটাল ব্যবসায় ধস্ নামবে তা বলে দেয়া যায়। এ দেশে ক্ষমতাসীনরা সামান্য মাথা ব্যাথা থেকে শুরু করে পাতলা পায়খানা হলেও সিঙ্গাপুরে যেয়ে চিকিৎসা করানো লাগে। কারন টাকা তো নিজের পকেট থেকে যায় না জনগনের টাকায় ভ্রমনটাও হল আর কিছু বিদেশি ওরস্যালাইন খাওয়া গেল। সুতরাং তাদের জন্য আমাদের দেশে কারা ডাক্তার হল আর কারা হল না এটা কোন গুরুত্বপূর্ন ইস্যু না। এটা এখন ওপেন সিক্রেট যে মেডিকেল প্রশ্নপত্র ফাস হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়াতে তার ভুরি ভুরি প্রমান ঘুরতেছে এবং হাজার হাজার লাইক ও শেয়ার হচ্ছে। কিন্তু টিনের চশমা পড়া আমাদের মন্ত্রী স্বাস্থ্যমন্ত্রী বারবার বলে যাচ্ছেন, পরীক্ষাটা সুষ্ঠু হয়েছে।
আমরা ও তো বলি সুস্থ হয়েছে কিন্তু কাদের জন্য সেটা বুঝতে হবে। একটা চোর চুরি করার পর যদি পুলিশের কাছ থেকে ছুটে নিরাপদে ফিরতে পারে তবে তার কাছে অপারেশনটা সুস্থ হয়েছে। একই কাজে পুলিশ চোরকে ধরতে ব্যর্থ হলে তার কাছে অপারেশনটা সুস্থ হয়নি। ঘটনা একই কিন্তু রেজাল্ট দুই রকম। আপনি কার দিক থেকে রায় দিবেন সেটা বুঝতে হবে। চোরের পক্ষ থেকে রায় দিলে অব্যশই সুস্থ হয়েছে।
এটাও সত্য যে, যারা পরিক্ষায় উত্তির্ণ হয়েছে তাদের সবাই প্রশ্ন পায়নি অনেকেই নিজের মেধায় চান্স পেয়েছে। তাদের জন্য কোন অভিযোগ নেই। কিন্তু যারা চুরি করে পাশ করেছেন তারা কি নিজের বিবেককে একটু নাড়া দিয়ে দেখবেন?
দেশের মন্ত্রিরা তো দেশের বাইরে যাবেন তাদের জন্য এটা কোন ব্যাপার না কিন্তু আপনাদের পরিবারের সবাই কি বিদেশে যেয়ে চিকিৎসা করানোর মত সামর্থ্য রাখে? যদি না রাখেন তবে আপনার কোন সহপাঠী দিয়েই তাদের চিকিৎসা করানোর জন্য মানসিকভাবে শক্তি সঞ্চয় করতে থাকেন।
এটা নিয়ে ২০২৫ এ হয়তবা এমন একটা সংবাদ শুনতে হতে পারে-
নার্সঃ হায় হায় ডাক্তার ,এইটা কি করলেন ?আপনে কি ২০১৫ ব্যাচ?
ডাক্তারঃ হুম ২০১৫ ব্যাচ। কেনো? কি হইছে?
নার্সঃ আপনে ডেলিভারির সময় বাচ্চার নাড়ি না কেটে,নুনু কেটে ফেলেছেন।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


