somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জীবনের বাঁকে বাঁকে

৩১ শে আগস্ট, ২০১৫ রাত ৯:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রথমে আমি অতদূরে মিট করতে যেতে রাজিই ছিলাম না। স্বজনদের অনেক বলাবলিতেই শেষমেস রাজি হলাম। সেই শুরু। তার পরে কেটে গেছে অনেকটা সময়। আমি কিন্তু বরাবরই তার ব্যাপারে মনোযোগীই ছিলাম। নিয়ম করে সপ্তাহে তার সঙ্গে চার দিন সঙ্গ দিতে হয়। বিভিন্ন অকেশানে তো তাকে আরো বেশি সময় দিতেই হবে। মাঝে মাঝে রাজ্যের ক্লান্তি আমাকে জাপটে ধরে। ভাবি, আজ থাক, অন্য একদিন সময় দিব; আজ আর না। কিন্তু তা আর হয় কই? তার মুখদর্শন একদিন না করলে আর যাই কোথায়! ফোনের পর ফোন! ইশ! কী বিরক্তিকর! আগে জানলে এমন জীবনের পা ই দিতাম না। উফ!

গত কয়েকদিন ধরেই প্রায় সকাল-সন্ধ্যা একটানা বুষ্টি হচ্ছে। ওর সাথে সাক্ষাতের সময় বিকেল সাড়ে চারটা। আজকের আবহাওয়াটা একটু বেশিই প্রতিকূল মনে হচ্ছে। ভাবলাম, আজ আর সাক্ষাতে যাচ্ছি না। তাছাড়া পাখাবিহীন আমার পঙ্খীরাজতো আর মেঘমালার উপর দিয়ে চলে না! আমি প্রচণ্ড বিরক্ত হচ্ছি এই ভেবে যে, বৃষ্টি টৃষ্টি ওর কোন ভাবনার বিষয়ই নয়, আমার সাক্ষাত তার চাই ই- চাই। কিন্তু এই অবিরাম বুষ্টিতে যাই কী করে? একটু পরেই হয় তো ফোন করে বলবে, “কী ব্যাপার? আজ দেখা হবে না?” যা ভাবছিলাম তাই; ওর ফোন। আমি জ্বলে মরছি মনে মনে। ‘আচ্ছা, আসছি’ বলে ফোনটা রাখলাম। কিন্তু এতো বুষ্টি ঠেলে আর যাওয়া হলো না। মেঘের নিচে সন্ধ্যা আরো ঘণীভূত হয়ে আসছে। চারদিক ঘণ অন্ধকার আর ঝিপঝিপ বুষ্টি। আমার ফোনে একটা মেসেজ আসলো, "Sir, We've got a new teacher, lives beside our residence. Don't mind, sir...............(Nishar ammu)"

সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:১৯
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আবার সমস্যা, ব্লগ আমাকে কেন ভোগাচ্ছে?

লিখেছেন মেহবুবা, ৩১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:৪৩

আবার সমস্যা ব্লগ ঠিকমত দেখা যায় না। কিছুদিন আগে এমনটি হয়েছিল। ব্লগার সুলাইমান সহজ করে সমাধান বের করে দিয়েছিল। এবার একই সমস্যা হচ্ছে তবে সেই একই উপায়ে কাজ হচ্ছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ কি ইরানের নতুন শত্রু হতে চলেছে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩১ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:০৬


মরুভূমির গরম বাতাস আর লোহিত সাগরের নোনা জলীয় বাষ্প যেখানে এসে মেশে, বাব এল মানদেব প্রণালীর সেই জায়গাটায় রাতের অন্ধকার নামলেই একটা অদ্ভুত নীরবতা ছেয়ে যায়। কিন্তু সেই নীরবতা... ...বাকিটুকু পড়ুন

কল্প-গল্প : প্রমিথিউসের শেষ রাত

লিখেছেন কাছের-মানুষ, ৩১ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:১১



“স্যার, কিছু কয়েন দেন!” মোলায়েম স্বরে বলেই হাত কচলায়।

কয়েনটি যিনি চাইলেন, তিনি একজন ভিক্ষুক। ব্যস্ত শহরের এই চৌরাস্তায় বসে নিয়মিত কয়েন আবদার করাই তার একমাত্র কাজ। মালদার পার্টি... ...বাকিটুকু পড়ুন

একালের আওয়ামী লীগের সাথে সে কালের বিএনপির পার্থক্য কি?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২১



সে কালের বিএনপি বিভিন্ন সময় আন্দোলনের গল্প শুনাতো। একালের আওয়ামী লীগ বিভিন্ন সময় আপা আসার গল্প শুনায়। এর মধ্যে দু’বছর পার হয়েছে আপা আসেননি। সামনে ডিসেম্বরের মহাক্ষণে আপা... ...বাকিটুকু পড়ুন

শামারুহ মির্জারাও সত্য মেনে নেয় যখন/ যদিও এর কোনো প্রয়োজনিয়তা আমাদের নেই॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ৩১ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:৩৮


বিএনপি ঘরানার মুখ থেকেও যখন সত্য বেরিয়ে আসে, তখন তা ইতিহাস হয়ে থাকে!

বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কন্যা ড. শামারুহ মির্জার একটি সত্য স্বীকারোক্তি......
“বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনা ছাড়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

×