
একজন খেলোয়াড় কে এভাবে গালি দিতে আপনার নিজের কি লজ্জা করে না। তার ধর্মকে নিয়ে বাজে কথা বলতে? অনেকে বলে, লিটন দাস হিন্দু কোঠায় জাতীয় দলে চান্স পেয়েছে, পারফরমেন্স করে চান্স পাই নাই। কিন্তু এখানে একটা কথা থেকে যায়?
.
সেইটা হল এখন জাতীয় দলে চান্স পাওয়া এতো সহজ নয়। জাতীয় দলে ঢুকতে অনেক কষ্টের ব্যাপার। আমি জানি না, হিন্দু কোঠায় জাতীয় দলে চান্স পাওয়ার কোন সিস্টেম আছে কি!!! তবুও বলতে চাই, লিটন দাসের ভিতর এমন কিছু আছে যে তার জন্যই তাকে জাতীয় দলে খেলানো হচ্ছে। আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন না। কারন, আপনারা বিসিবি কমিটির সদস্য নয়। বিসিবি যা করে, তার ৯০% বাংলাদেশের ভালোর জন্যই করে।
.
আর কিছু লোক আছে, যারা কথায় কথায় লিটন দাসকে গালি দিচ্ছেন। তারা হয়তো ভুল করছেন। পূর্বে দেখেছি, মাহমুদুল্লাহ গালি দিতে! তামিম কে গালি দিতে! এখন যেইসব আবুল সাপোর্টাদের কাছে, তামিম ও মাহমুদুল্লাহ ফেভারিট হয়েছে! তাদের কি এখন নিজের মুখে তাদের ফেভারিট বলতে লজ্জা করে না। কিছুদিন পর দেখা যাবে, এই লিটন দাসই এমন কিছু করে দেখাবে যাতে করে, তখন আপনার কাছেও লিটন দাসই ফেভারিট হবে। এটুকু লিখে রাখিন। তারপর আমার পোস্টে গালি দিয়েন। বুঝছেন আবুল?
.
সবচেয়ে কষ্টকর ব্যাপার হল, একটা হিন্দু ধর্মাবলম্বী কে এভাবে অপমান করতে আপনি মুসলিম হয়ে লজ্জা করে না কেন? তারা সংখ্যালঘু দেখে কি তাদের গালি দিবে! ছিঃ বাঙালী! তোমাদের মেন্টালিটি ঠিক কর। আপনার নিজের ধর্মকে যখন কেউ গালি দিবে বা অপমান করবে। তখন তোমার কেমন লাগবে? সেটা হয়তো গেল, তুমি যেই ধর্মকে এখন গালি দিচ্ছো, আর তখন কি তাদের পূজায় যাওয়ার কথা মনে পড়ে না? অবশ্যই মনে পড়ে! বাট কিছু করার নাই। তাই না! আর কিছু বলব না, আপনার নিজেরা যোগ করে নিবেন।
.
নিজের মন্টালিটি ঠিক করে বাংলাদেশের সাপোর্টার বলে গর্বিত হবে! তার আগে নয়!
.
আর যদি পারেন একজন খারাপ খেললেও তাকে ভালো খেলার জন্য উৎসাহিত করবেন। তার কাছে সাপোর্ট গুলো অনেক দুর এগিয়ে দিবে।
.
চলো লিটন দা, এগিয়ে চল।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


