somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

স্বাধীনতার অপব্যবহার

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

দেশ স্বাধীন হয়েছে ঠিকই। কিন্তু কেউ স্বাধীনতা পেয়েছে, সেই স্বাধীনতাকে সদ্ব্যবহার করেছে। কেউ স্বাধীনতা পেয়ে, সেই স্বাধীনতাকে সস্তা ভেবে অসদ্ব্যবহার করতেছে। আজ তারই প্রমাণ পেলাম।

প্রথমে আসি এক মডেল এর কথায়, তিনি একজন দেহ দেখানোর জাদুঘর। সে প্রত্যহ রাতে ঘুমানোর আগে, সকালের উঠার আগে তার কিছু সরকারি পদার্থ বের করে তার পরিচয় প্রদান করে। এদেরকেই আমরা মডেল বলি। কিন্তু সে তার দেহ দেখানোর স্বাধীনতা পেয়ে পতাকাকে অসম্মান করবে, এটা মেনে নিতে পারছি না। সরকারি পদার্থ বের করে, তার উপর পতাকা দিবে। এটা কোন ধরনের স্বাধীনতা। আপনারাই বিচার করবেন? ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তে কেনা প্রিয় মাতৃভূমি। এই মাতৃভূমি তে বসে, ভারতীয় অপকর্ম করবে, আর সেটা কি তাকিয়ে দেখব! না! সেটা হতে দিব না।

প্রথমটা বললাম ইন্টারনেট জগতে দেখা এক কুলাঙ্গার মডেলের কথা। দ্বিতীয় কথা বলব, নিজের চোখে দেখা প্রমাণ্যচিত্র। সেটা পরেই পরে ভিডিও সহ প্রকাশ করব হয়তো। আজ খুলনাতে 'আগুয়ান-৭১' এর এক বিজয় পতাকাযাত্রা ছিল। তখনের একটি ছোট ঘটনা। আমরা যখন খুলনার ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২০০ ফুট দৈর্ঘ্যের পতাকা নিয়ে শহীদ হাদিস পার্কের ভিতর ঢুকতেছিলাম। তখন চোখে পড়ল এক আত্মঘাতী জিনিস। সেইটা হল, এক মেয়ে এবং সাথে তার ভাই বা বয়ফ্রেন্ড হবে তার সাথে হেটে যাচ্ছিল, তখন দেখলাম মেয়েটার শরীরে বাংলার সবুজ প্রকৃতির রং এর একটা জামা পড়া। তারপর ভালভাবে খেয়াল করলাম, দেখি মেয়েটার ভাবে দেশপ্রেমিক হলেও, কিন্তু তার কোন ওড়না নেই। আমার মনে হয়, তার ওড়নাটা ১৯৭১ সনের যুদ্ধের সময় পাকিস্তানীরা কেড়ে নিয়েছে। তার জন্যই হয়তো ওড়না পড়ে নাই। তার কিছুক্ষণ পর আমার যখন পতাকা নিয়ে ঘুরে আসি, আমাদের পতাকাযাত্রা শেষ পর্যায়ে দেখি, এক ফটোগ্রাফার ভাই ছবি তুলছে, আমি ভাবলাম তিনি হয়তো আমাদের পতাকার ছবি তুলছে। কিন্তু তা নয়। তিনি আমাদের পতাকার ছবি তুলছে না। তিনি তুলছে দেহ দেখানোর জাদুঘর মানবের ছবি। ছবি তুলছিল কোন সমস্যা ছিল। কিন্তু সরকারি রাস্তায় আমাদের বিজয় পতাকাযাত্রার সামনে দাড়িয়ে আমাদের ঝারি দেয়। এটা মানতে পারি না। আমি এতে ফটোগ্রাফার দোষ দিব না। দোষ সব ঐ কুলাঙ্গারদের।

আমার তখন ওদেরকে একটা কথা বলতে ইচ্ছে হয়েছিল। তা হল, ভাই স্বাধীনতা ফ্রি পাওয়া নয়। এটা অনেক দামি। আপনি এটার অসম্মান করবেন না। কোন জায়গায় তো মনে হয়, একটাও ফুল দেন নাই। তারপর আবার বিজয় দিবসকে, ভ্যালেন্টাইনস ডে হিসেবে ব্যবহার করবেন। এটা ঠিক নয়। আপনারা যারা এরকম ফটো সেশনে বের হয়, তাদেরকে একটা কথা বলব, আপনার ফটো সেশন করবেন ঠিক আছে। কিন্তু বিজয় দিবসের কার্যক্রমে ব্যাঘাত করবে না। আর অপসংস্কৃতি/ভারতীয় কুকর্ম করবেন না, বিজয় দিবসের দিন।
'ধন্যবাদ'
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:৫৪
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মার্কো রুবিও ভারতে কী করছেন?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:২২


আওয়ামী দোসর নবনীতা আপার মতে, মার্কো রুবিও ভারতে গেছেন শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ব্যবস্থা করতে। ডিসেম্বর মাসে যাতে শেখ হাসিনা ট্রাভেল পাস নিয়ে দেশে ফিরতে পারেন, সেই আলোচনা করতেই নাকি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সুন্দর সর্বনাশ

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:২১



সবকিছুই পাওয়া যায় এখন বিপণনের কল্যাণে,
বিপনি বিতানে বিতানে;
চাইলে কিনে নিতে পারো লালনীলহলুদ মনও!

মন চাইলে পোষ মানাতে পারো বনের অবাধ্য পশুও;
শুধু পোষ মানাতে যেও না মানুষ;... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশভাগের পর-

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:০৮



সময় তখন ১৯৫০ সাল।
ওমর আলীর জ্বর এসেছে। জ্বর নিয়েই তিনি পত্রিকা পড়ছেন। দীর্ঘদিনের অভ্যাস। টারজান গিয়েছে বাজার করতে। এর আগেও টারজান বেশ কয়েকবার বাজার করেছে। বাজার করতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এফএম রেডিও

লিখেছেন নাহল তরকারি, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:২০

২০০৯ সাল। একটি ছেলে। সে তার নানা নানীর সাথে মুন্সীগঞ্জ এ থাকতো। নানা তার নাতিকে একটি মোবাইল উপহার দেয়। নকিয়া ১৬৬১। সেই মোবাইলে এফএম রেডিও ছিলো। সে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাষ্ট্রীয় সফর, আম তারেক আর চার সিটের দূরত্ব!

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:১৪

প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নেপালে রাষ্ট্রীয় সফরে যাবেন। সস্ত্রীক আমন্ত্রণ পেয়েছেন তিনি। তখন কিশোর তারেক রহমানেরও শখ জাগল—তিনিও নেপাল যাবেন।

বাবা বুঝিয়ে বললেন, রাষ্ট্রীয় সফরে যাওয়ার আমন্ত্রণ মানেই পরিবারের সবাইকে রাষ্ট্রীয় টাকায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×