somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শাস্তিতে আচরণ বদলায় না

৩০ শে অক্টোবর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আচরণে পরিবর্তন আনতে প্রায়ই আমরা শিশুদের শাস্তি দিয়ে থাকি। অনেকেই চূড়ান্তভাবে মনে করেন এটাই একমাত্র পদ্ধতি শিশুর আচরণ পরিবর্তনের।কিন্তু ভেবে দেখেছেন কি এর প্রতিক্রিয়া কেমন হতে পারে? কিংবা প্রশ্ন উঠতে পারে শাস্তিতে কি আসলেই আচরণে পরিবর্তন আসে ? মজার বিষয় হলো মনোবিজ্ঞানীরা শাস্তিকে দুই ভাগে ভাগ .বাংলানিউজ. করেছেন। ইতিবাচক এবং নেতিবাচক। ইতিবাচক শাস্তি বলতে বোঝানো হয়েছে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক কথা বলছেন এ সময় কোনো শিক্ষার্থী কথা বললে তাকে কিছু সময় চুপ করে থাকার শাস্তি দেওয়া। নেতিবাচক শাস্তি বলতে বোঝানো হয়েছে কোনো শিক্ষার্থী একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটালে তাকে শ্রেণিকক্ষ থেকে বের করে দেওয়া। মনোবিজ্ঞানের নির্দেশনা হলো, কোনো কারণে শাস্তি প্রদান করা হলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ওই সংক্রান্ত আচরণ পরিবর্তনের সম্ভাবনা কমে আসে।
কখনও কখনও প্রাথমিক শাস্তি দেওয়া শেষে আচরণে পরিবর্তন না এলে আমরা ধারণা করি আটক করে রাখাই একমাত্র সমাধান। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা গেছে জেল থেকে কোনো ব্যক্তি বের হয়ে আসার পরে অবাধে অপরাধ করতে শুরু করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন,শাস্তির পরিবর্তে আচরণ নজরদারির মধ্যে নিয়ে এলে পরিবর্তন সম্ভব। বিশেষত যদি প্রতি মুহূর্তের ভুল ধরিয়ে দেওয়া যায় তবে সংশোধন করা সম্ভব।
ভিন্ন মত প্রকাশ করে তারা বলছেন, গাড়ি চালানোর সময় গতির বিষয়টি আমরা কিছু সময়ের জন্য ভুলে গেলেও আবার মনে পড়ে। এর কারণ এই ভুলের কারণে রাস্তার প্রতি মোড়ে মোড়ে শাস্তি পেতে হয়।তাই বলা যায় শাস্তিতেও আচরণের পরিবর্তন আনা সম্ভব, তবে সেটা সাময়িক। কেননা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শাস্তির ভেতর পরিবর্তিত আচরণের কোনো উদাহরণ থাকে না। ফলে ওই ব্যক্তি শিখতে পারে না তার কেমন আচরণ করা উচিৎ। একটি পরিসংখ্যানে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের আনুমানিক শতকরা ৭৫ ভাগ অভিভাবক মাঝে মাঝে তাদের সন্তানদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করে থাকেন।
শারীরিক নির্যাতনের কারণে শিশুদের ভেতরে অসামাজিক,হিংস্র এবং কর্তব্যবিমুখ আচরণ দেখা যায়। একইসঙ্গে শাস্তির এই প্রভাব দীর্ঘদিন এমন কী প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পরও থাকতে পারে বলে জানাচ্ছেন মনোবিজ্ঞানীরা।
৩টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নিশীথের মুঠোয় - কেয়া ।

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪



আমি সূর্যোদয়ের অপেক্ষায়,
হিমশীতল সকালের ভেতর নত চোখে চেয়ে আছি।
হিমার্ত জানালায় জমে ওঠে নিঃশ্বাসের মেঘ—
আঙুল বুলিয়ে মুছে দিই;,
যদিও জানি, আজ সেখানে তোমার পদচিহ্ন নেই।

শরতের বৃক্ষেরা পত্রমোচনের ভাষা জানে;
আমি কেবল তোমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিম করা কি হারাম?

লিখেছেন চারাগাছ, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৬




জিম করা কি হারাম?

হ্যাঁ, জিম করা হারাম!

যদি জিমে গিয়ে নিজের পেশিবহুল বাহুডোরে কোনো ললনাকে জড়িয়ে ধরেন!

কিন্তু তারপরেও কথা থাকে।

এখানে জড়িয়ে ধরাটা হারাম। জিম করাটা নয়!

অর্থাৎ, জিমে গিয়ে শরীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

জেফরি আর্চারের জগৎ বিখ্যাত উপন্যাস ‘A Prisoner of Birth’ এবং অন্যান্য প্রসঙ্গে....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৩৭


ছবিতে আমি, মারুফ জামান এবং লেঃ কর্নেল রাজীব।
জেলে থাকতে জেফরি আর্চারের (Jeffrey Archer) লেখা ‘A Prisoner of Birth’ বইটির পড়ার জন্য বলেছিলেন ক্যাপ্টেন (চাকুরিচ্যুত) খন্দকার রাজীব... বইটি সম্পর্কে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মার্কো রুবিও ভারতে কী করছেন?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:২২


আওয়ামী দোসর নবনীতা আপার মতে, মার্কো রুবিও ভারতে গেছেন শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ব্যবস্থা করতে। ডিসেম্বর মাসে যাতে শেখ হাসিনা ট্রাভেল পাস নিয়ে দেশে ফিরতে পারেন, সেই আলোচনা করতেই নাকি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সুন্দর সর্বনাশ

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:২১



সবকিছুই পাওয়া যায় এখন বিপণনের কল্যাণে,
বিপনি বিতানে বিতানে;
চাইলে কিনে নিতে পারো লালনীলহলুদ মনও!

মন চাইলে পোষ মানাতে পারো বনের অবাধ্য পশুও;
শুধু পোষ মানাতে যেও না মানুষ;... ...বাকিটুকু পড়ুন

×