টিং টং
কলিংবেল বাজতেই দৌড়ে দরজা খুলতে যায় রিমা।
দরজাটা খুলতেই ওর উৎসাহী মুখটা দমে যায়। প্রতীক্ষা কার! আর এলো কে?
এমনিভাবে মানুষের প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির গড়মিলটা থেকে যায় আজীবন।
'ভেতরে আসতে পারি?' সাব্বিরের প্রশ্ন।
'এসো'- বলেই রিমা ড্রইংরুমের দিকে এগোয়। পিছনে সাব্বির।
'বসো'- সোফার একপাশ দেখিয়ে দিয়ে রিমা মুখোমুখি অপর প্রান্তে বসে।
বসতে বসতে সাব্বির বলে, 'একটা জরুরি কথা জানাতে এলাম।'
'কী কথা?'
'কৌশিক আমেরিকা চলে যাচ্ছে।'
'তো!'
'তোমাকে জানানো জরুরি মনে হলো।'
'ধন্যবাদ। বসো, চা নিয়ে আসি।'
'না থাক, চা খাব না।'
'কেন?'
'ভালো লাগছে না। বরং আমি যাই।'
'আচ্ছা, যাও।'
সাব্বির সোফা থেকে উঠে বাসা থেকে বের হয়।
রিমা জানালা দিয়ে দূর আকাশের ছোট ছোট পাখিগুলো দেখে। মনটা খারাপ। সাব্বির কি কোনোদিনই সুস্থ হবে না? কৌশিক তো কবেই মারা গেছে। সাব্বির কেন ওকে ভুলতে পারিনি?
সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে সাব্বিরের মনটা বিষন্ন হয়ে যায়। রিমা কি চিরদিনই অসুস্থ থাকবে? নিজেকে আর কত দিন সাব্বির বলে পরিচয় দিবে কৌশিক নামটা তো ভুলতে বসেছে।
সুব্রত দত্ত
১৭/০৭/২০১৬
রাত: ৯টা ৩০মিনিট।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

